corona virus btn
corona virus btn
Loading

ভারতে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’ নিয়ে গভীর চিন্তা মার্কিন রিপোর্টে, অভিযোগ উড়িয়ে যা বলল দিল্লি

ভারতে ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’ নিয়ে গভীর চিন্তা মার্কিন রিপোর্টে, অভিযোগ উড়িয়ে যা বলল দিল্লি
Image for representation

ভারতে নিয়মিত ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব হয় বার্ষিক রিপোর্টে জানাল মার্কিন সংস্থা, তাদের মতে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক

  • Share this:

#নয়াদিল্লি : ইউএস কমিশন অন ইন্টারন্যাশানাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (USCIRF)  ভারতকে নিয়ে বিশেষ রকমের চিন্তা প্রকাশ করল ৷ ২০২০ তে প্রকাশিত নিজেদের রিপোর্টে তারা জানিয়ে তারা ভারতকে ‘Particular Concern’ -র দেশ বলেছে মানুষের স্বাধীন ধর্মাচরণের নিরিখে ৷ তাদের মতে এখানে ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর নিয়মিত হস্তক্ষেপ হচ্ছে এবং যা কার্যকলাপ হচ্ছে তাতে প্রতি মুহূর্তে এই স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে ৷

তাদের আরও পরিষ্কার দাবি কেন্দ্র সরকার সংখ্যা লঘুদের ওপর হিংসায় অনুমতি দিচ্ছে ৷ এর মধ্যে রয়েছে ঘৃণা উদ্রেককারী বক্তৃতা  এবং হিংসায় উস্কানি দেওয়ার মতো ঘটনা ৷

এদিকে এই রিপোর্টকে মোটেই আমল দিতে রাজি নয় কেন্দ্র ৷ ভারত সরকারের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেছেন, ‘ভারতের বিরুদ্ধে একপেশে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই মন্তব্য নতুন কিছু নয় ৷ তবে এবার যে স্তরে পৌঁছেছে তা একেবারে নতুন ৷ এটা একটা সংস্থার নিজেদের মত এবং এটার প্রেক্ষিতে আমরা ব্যবস্থা নেব ৷ ’

মার্কিন ফেডারাল গর্ভমেন্টে কমিশনের একটি স্বাধীন সংস্থা এইUSCIRF ৷ এর কাজ সারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি অফ স্টেট ও ইউ এস কংগ্রেসকে জানানো ৷

যে দেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রশ্নের সম্মুখে তাতে মোট ১৪ টি দেশ রয়েছে ৷ এর মধ্যে স্টেট ডিপার্টমেন্ট ৯ টি দেশকে CPC-র মধ্যে ফেলেছে ৷ এর মধ্যে ছিল মায়নামার, চিন, এরিত্রা, ইরান, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান , সৌদি আরব, তাজাকিস্তান ও তুর্কেমেনিস্তান ৷ এবার এই তালিকায় আরও পাঁচটি দেশ যুক্ত হল যার মধ্যে রয়েছে ভারত, নাইজেরিয়া, রাশিয়া, সিরিয়া ও ভিয়েতনাম৷

বার্ষিক রিপোর্টে ভারতের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট এবং অসমের নাগরিক পঞ্জীকে ৷ অর্থাৎ CAA ও NRC কে৷ এতে বলা হয়েছে, ‘বিজেপি নেতারা সারা দেশে এনআরসি চাপাতে চায়৷ এর সঙ্গে সিএএ দিয়ে শুধুমাত্র মুসলিমদেরই  কোনঠাসা করে চিহ্নিতকরণের কাজ হচ্ছে ৷

USCIRF র প্রস্তাব মার্কিন সরকার এই বিষয়ে নজর রাখুক ৷ ভারত সরকারের বিভিন্ন এজেন্সি ও আধিকারিকরা এই মারাত্মক নীতি ভাঙার কাজে র জন্য দায়ি ৷ যারা নিয়মিত ব্যক্তির ধর্মীয় স্বাধীনতায় হাত দিচ্ছে৷ পাশাপাশি মার্কিন মুলুকের তাদের প্রবেশে বাধা তৈরি করছে ৷

USCIRF-র চেয়ার টনি পারকিন্স জানিয়েছেন ভারত নিয়ে যখন আলোচনা হচ্ছিল তখন দেখা যায় সেখানে একটা ঝোঁক রয়েছে যেখানে ধর্মীয় সংখ্যা লঘুদের ওপর আক্রমণের ৷

ভাইস চেয়ারম্যান নাদিন মেঞ্জা জানিয়েছেন ‘এই বিষয়টি গভীর চিন্তার ৷ এটা এই মুহূর্তের সবচেয়ে চিন্তার যে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে এটা ধর্মীয় স্বাধীনতার অবস্থা ৷ ’

এই রিপোর্টে ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লিতে যে ধর্মীয় হিংসা হয়েছিল এতে তারও উল্লেখ রয়েছে ৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তত্বাবধানে থাকা দিল্লি পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার দিকেও আঙুল তোলা হয়েছে ৷ বলা হয়েছে হিংসা আটকাতে তারা ব্যর্থ হয়েছিল৷

     
First published: April 29, 2020, 8:08 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर