• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • রন্ধনে দ্রৌপদী, শিক্ষায় সরস্বতী; রোবোট-দুনিয়ায় ঝড় তুলেছে দেশি গার্ল শালু!

রন্ধনে দ্রৌপদী, শিক্ষায় সরস্বতী; রোবোট-দুনিয়ায় ঝড় তুলেছে দেশি গার্ল শালু!

রন্ধনে দ্রৌপদী, শিক্ষায় সরস্বতী; রোবোট-দুনিয়ায় ঝড় তুলেছে দেশি গার্ল শালু!

রন্ধনে দ্রৌপদী, শিক্ষায় সরস্বতী; রোবোট-দুনিয়ায় ঝড় তুলেছে দেশি গার্ল শালু!

শালু রীতিমতো রূপসী। দীঘল বেণী, কাজল, মুক্তোর গয়না আর ছিমছাম শাড়িতে সে সবার নজর কাড়তে তৈরি!

  • Share this:

#জৌনপুর: যা দেখা যাচ্ছে, শুধু বলিউডের রুপোলি পর্দাই নয়, রোবোটদের দুনিয়াতেও ঝড় তোলার ক্ষমতা ধরে দেশি গার্ল! আপাতত উত্তরপ্রদেশের শালুর রূপে এবং গুণে মজে আছে তামাম দুনিয়া!

জানা গিয়েছে যে আইআইটি বম্বের কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের এক কমপিউটার সায়েন্সের শিক্ষক শালুকে তৈরি করেছেন। তাঁর নাম দীনেশ পটেল। উত্তরপ্রদেশের জৌনপুর জেলার রাজমলপুর গ্রামে বসে স্রেফ ফেলে দেওয়া জিনিস দিয়েই তিনি জন্ম দিয়েছেন শালুর। যা দেখে কার্যত চোখ ধাঁধিয়ে গিয়েছে সবার!

দীনেশ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে হংকংয়ের হ্যানসন রোবোটিকস সোফিয়া নামের যে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জন্ম দিয়েছে, তার চেয়ে কোনও অংশে খাটো নয় এই দেশের শালু। সে সব ভারতীয় ভাষায় কথা বলতে পারে, পাশাপাশি ৩৮টি আন্তর্জাতিক ভাষাতেও ছোটাতে পারে কথার ফুলঝুরি!

সোফিয়াকে তৈরি করার জন্য অবশ্য তিল তিল করে প্রয়োজনীয় জিনিসের সেরাটা তুলে এনেছিলেন হ্যানসন রোবোটিকসের বিজ্ঞানীরা। কিন্তু শালু তৃতীয় বিশ্বের মেয়ে। তাই নানা রকম ফেলে দেওয়া জিনিস, যেমন প্লাস্টিক, কার্ডবোর্ড, কাঠ, অ্যালুমিনিয়ামের টুকরো এই সব দিয়েই তৈরি করা হয়েছে তার শারীরিক কাঠামো। ফলে, উপাদান সরবরাহের দিক থেকে একটা প্রতিবন্ধকতা তো ছিলই, পাশাপাশি ছিল না কোনও আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতাও।

কিন্তু, এত বাধা সত্ত্বেও স্রেফ নিজের জেদে দিনের পর দিন শালুকে তৈরির জন্য সময় খরচ করেছেন দীনেশ। নিজের যেটুকু সাধ্য, সেই মতো খরচ করতেও পিছ-পা হননি। তিনি জানিয়েছেন যে শালুকে তৈরি করতে মোট ৩ বছর এবং ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।

দীনেশ জানিয়েছেন যে শালুর ত্বক তৈরির জন্য তিনি ব্যবহার করেছেন প্লাস্টার অফ প্যারিস, যেরকম ভাবে ছাঁচের মূর্তি তৈরি হয় আর কী! ফলে সামান্য হলেও রুক্ষ দেখতে লাগে শালুর মুখাবয়ব। এই অস্বস্তি মুখোশ ব্যবহার করে দূর করা যায়, অভিমত তাঁর। তবে ওইটুকু ছেড়ে দিলে শালু রীতিমতো রূপসী। দীঘল বেণী, কাজল, মুক্তোর গয়না আর ছিমছাম শাড়িতে সে সবার নজর কাড়তে তৈরি!

অবশ্য রূপ নয়, শালুর গুণের দিকটাই আসল। শিক্ষা, ভাষা ব্যবহারের কথা তো আগে বলাই হয়েছে! সে খবরের কাগজ পড়ে শোনাতে পারে, বললেই জানিয়ে দিতে পারে নানা রকম খাবারের রেসিপি। অতিথিদের অভ্যর্থনা জানাতে পারে মর্যাদা অনুসারে, সুখ-দুঃখে কথোপকথন চালাতে পারে মানুষের মতোই অভিব্যক্তি সহকারে।

দীনেশের এই কাজ আইআইটি বম্বের নজর কেড়েছে। অধ্যাপকেরা চিঠি দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সবার বক্তব্য এ ব্যাপারে এক- ক্লাস নেওয়া এবং নানা রকম সচেতনতামূলক কাজে শালুকে ব্যবহার করাই যায়!

Published by:Simli Raha
First published: