• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ভস্মীভূত দোকান থেকে মৃত পশুর দগ্ধাবশেষ ভেবে ছুড়ে ফেলা হল মানুষের দেহ !

ভস্মীভূত দোকান থেকে মৃত পশুর দগ্ধাবশেষ ভেবে ছুড়ে ফেলা হল মানুষের দেহ !

পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কেউ ওই দগ্ধ দেহের অধিকার দাবি করেননি। লকেটের সূত্র এবং পরবর্তী ময়নাতদন্তের ভিত্তিতে তদন্ত জারি রেখেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কেউ ওই দগ্ধ দেহের অধিকার দাবি করেননি। লকেটের সূত্র এবং পরবর্তী ময়নাতদন্তের ভিত্তিতে তদন্ত জারি রেখেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কেউ ওই দগ্ধ দেহের অধিকার দাবি করেননি। লকেটের সূত্র এবং পরবর্তী ময়নাতদন্তের ভিত্তিতে তদন্ত জারি রেখেছে পুলিশ।

  • Share this:

#উত্তরপ্রদেশ: দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে আগুনে। সেই ভস্মীভূত দোকানের মধ্যেই মিলেছিল এক দগ্ধ দেহ। পশুর দেহ সন্দেহে তা ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন দোকানদার। কিন্তু পুলিশের বয়ান বলছে অন্য কথা। জানা গিয়েছে যে ওই দগ্ধ হয়ে যাওয়া দেহ কোনও পশুর নয়, আসলে তা মানুষেরই!

খবর মোতাবেকে, সম্প্রতি এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের বরেলিতে। শাহজাহানপুরের রোজা শহরে একটি মোবাইলের দোকান আছে মহম্মদ নঈমের। গত শনিবার রাতে তাঁর মোবাইলের দোকানে আগুন লেগেছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নঈম দেখেন যে পুরো দোকান সম্পূর্ণ ভাবে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে।

নঈম সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে এর পর তাঁর আর কিছুই করার ছিল না। একরাশ হতাশা নিয়ে দোকানঘর পরিষ্কার করছিলেন, ছুড়ে ছুড়ে ফেলছিলেন পোড়া মোবাইল এবং অন্য জিনিসের দগ্ধাবশেষ। এমন সময়ে তাঁর নজরে একটি প্রাণীর দেহ আসে! তিনি সেটাকেও দোকানের বাইরে ছুড়ে ফেলে দেন এবং যথাসময়ে মাটিচাপা দেন!

কিন্তু এ ব্যাপারে রোজা পুলিস স্টেশনের সুপারিনটেনডেন্ট হাউজ অফিসার রাজেন্দর বাহাদুরের বিবৃতি সবাইকে বিস্মিত করেছে। বাহাদুর জানিয়েছেন যে খবর পেয়ে নিয়মমাফিক তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। সেই সময়েই দোকান থেকে একটি প্রাণীর দগ্ধাবশেষ পাওয়ার কথাও তাঁর কর্ণগোচর হয়। নঈমের বক্তব্য ছিল যে কোনও হতভাগ্য প্রাণী ওই রাতে দোকানে আশ্রয় নিয়েছিল কোনও ভাবে, দুর্ঘটনায় সে পুড়ে মরেছে!

কিন্তু ঘটনাটির সবিশেষ তদন্তের অভিপ্রায়ে কবর খুঁড়ে ওই প্রাণীর দগ্ধাবশেষ বের করে আনে পুলিশ। এর পর অটোপসি করে জানা যায় যে সেটি কোনও পশুর নয়, বরং এক মানুষের! তবে ওই দেহ এতটাই পুড়ে গিয়েছে যে তার থেকে মৃত ব্যক্তির বয়স বোঝার উপায় আর নেই। শুধু জানা গিয়েছে যে ওই মৃত ব্যক্তি পুরুষ এবং তাঁর গলায় একটা লকেট ছিল। সেই লকেটও হাতে এসেছে পুলিশের।

বাহাদুরের বক্তব্য, প্রাথমিক ভাবে ঘটনা চুরির বলেই মনে হয়। দোকানের টিনের চাল সরিয়ে ভিতরে নামতে গিয়ে ইলেকট্রিক তারের সঙ্গে ঘষা খেয়ে শর্ট সার্কিট বেধে যায়। আগুনও তা থেকেই ধরে। কিন্তু টিনের চালে যথেষ্ট জায়গা না থাকায় ওই চোর বাইরে বেরিয়ে যেতে পারেনি।

পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কেউ ওই দগ্ধ দেহের অধিকার দাবি করেননি। লকেটের সূত্র এবং পরবর্তী ময়নাতদন্তের ভিত্তিতে তদন্ত জারি রেখেছে পুলিশ।

Published by:Piya Banerjee
First published: