দেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

মুখ খুললেন যোগী আদিত্যনাথ, লিখলেন, ‘‌এমন শাস্তি দেওয়া হবে, যা নিদর্শন হবে’‌

মুখ খুললেন যোগী আদিত্যনাথ, লিখলেন, ‘‌এমন শাস্তি দেওয়া হবে, যা নিদর্শন হবে’‌

সোমবার ১৯ বছরের তরুণীর মৃত্যু হয় দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে। সেখানে তারপর অনৈতিকভাবে পরিবারের হাতে দেহ তুলে না দিয়ে গভীর রাতে পুলিশ তা পুড়িয়ে দেয়।

  • Share this:

#‌লখনউ: ‌বিতর্ক পিছু ছা‌ড়ছে না তাঁকে। একের পর এক ধর্ষণের কাণ্ড উত্তরপ্রদেশ সরকারকে চাপে রেখেছে। তার মধ্যেই এবার মুখ খুললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এতদিন পর তিনি মন্তব্য করলেন সমস্ত ঘটনা নিয়ে। এদিন ট্যুইটে লেখেন, ‘‌উত্তরপ্রদেশে যারা মা, বোনদের ক্ষতি করার চিন্তা করবে, তাদের বিনাশ অনিবার্য। তারা এমন শাস্তি পাবে, যা ভবিষ্যতের জন্য নিদর্শন হয়ে থাকবে। সমস্ত মা, বোনদের সুরক্ষা, নিরাপত্তা, উন্নয়নের জন্য উত্তরপ্রদেশ সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।’ ‌হাথরসের এই কাণ্ড নিয়ে বারবার আঙুল উঠেছে যোগী সরকারের দিকে। বিরোধীরা কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে। এদিন সেসব অভিযোগ উড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ টুইট্যারে লিখলেন, তাঁর সরকার সব মহিলাদের সুরক্ষা, নিরাপত্তা দিতে বদ্ধপরিকর।

হাথরসে ১৪ সেপ্টেম্বর গণধর্ষণের শিকার হয় দলিত তরুণী। তাঁর জিভ কেটে নেওয়া হয়। হাড় ভেঙে দেওয়া হয়। যদিও পুলিশ ধর্ষণের কথা মানেনি। তার পর থেকে উত্তরপ্রদেশে আরও দু’‌টি ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সেই নিয়ে উত্তাল দেশ। আঙুল উঠেছে যোগী সরকারের দিকে। শুক্রবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত থেকেছে হাথরাস। বৃহস্পতিবার সেখানে যেতে চেয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। তিনি যেতে পারেননি। তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে শুক্রবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দল যেতে চাইলে তাঁদেরও আটকে দেয় পুলিশ। তারপর সকাল থেকে আটকে দেওয়া হয় সাংবাদিকদেরও। কিন্তু কেন তাঁদের আটকে দেওয়া হচ্ছে, সেটা স্পষ্ট করে বলতে পারেনি প্রশাসন।

সোমবার ১৯ বছরের তরুণীর মৃত্যু হয় দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে। সেখানে তারপর অনৈতিকভাবে পরিবারের হাতে দেহ তুলে না দিয়ে গভীর রাতে পুলিশ তা পুড়িয়ে দেয়। তারপর থেকে বিতর্ক ক্রমে বাড়তে থাকে। বাধ্য হয়ে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার গোটা ঘটনার তদন্ত করতে একটি সিট গঠন করে। শুক্রবার সকাল থেকে খবর আসতে থাকে, নির্যাতিতার গ্রামের বাড়ির চারিদিকে পুলিশ ব্যারিকেড করে রেখেছে। কোথাও কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী সংবাদমাধ্যমকেও কোনও একটা অজানা কারণে পুলিশ গ্রামের ভিতর ঢুকতে দিচ্ছে না। সকাল থেকেই এই পুলিশি ঘেরাটোপে ঠিক কী চলছে, সেটা কোনও পুলিশ কর্তা থেকে প্রশাসনিক আধিকারিক, কেউই বলছেন না। মুখে কুলুপ এঁটেছেন সকলেই।

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: October 2, 2020, 7:28 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर