মেয়ে কুশ্রী- তাই বিয়ে দিতে দরকার পণ, জানাচ্ছে মহারাষ্ট্রের পাঠ্যবই

মহারাষ্ট্রের দ্বাদশ শ্রেণীর পাঠ্যবই জানাচ্ছে, ‘পণ প্রথা একটি সামাজিক অভিশাপ ৷

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Feb 02, 2017 07:16 PM IST
মেয়ে কুশ্রী- তাই বিয়ে দিতে দরকার পণ, জানাচ্ছে মহারাষ্ট্রের পাঠ্যবই
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Feb 02, 2017 07:16 PM IST

#নয়াদিল্লি: এইটুকু পড়ে চমকে যাবেন না ৷ চমকের তো আরও বাকি ৷ মহারাষ্ট্রের দ্বাদশ শ্রেণীর পাঠ্যবই জানাচ্ছে, ‘পণ প্রথা একটি সামাজিক অভিশাপ ৷ ভারতীয় সমাজে এটি একটি বড় সমস্যা ৷’ এ পর্যন্ত তো সব ঠিকই ছিল ৷ কিন্তু পরের লাইনেই লাগল হোঁচট ৷

পাঠ্যবইতে পণপ্রথার কারণ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘কুৎসিত দর্শন’ ও ‘প্রতিবন্ধকতা’ ৷ বিস্তারিতভাবে ঝরঝরে ভাষায় বইটিতে লেখা, ভারতে বিশ্রী দেখতে এবং প্রতিবন্ধী মেয়েদের বিয়ে দেওয়ার জন্য বরপক্ষকে পণ দিতে হয় ৷

মহারাষ্ট্রের সেকেন্ডারি এবং হায়ার সেকেন্ডারি বোর্ডের অনুমোদিত সমাজবিজ্ঞানের বইয়ের ভারতের ‘সবথেকে বড় সামাজিক সমস্যাগুলি’ চ্যাপ্টারে পণপ্রথা নিয়ে বর্ণনা করতে গিয়ে বলা হয়েছে, ‘ভারতে অসুন্দর এবং প্রতিবন্ধী মেয়েদের জন্য পাত্র যোগাড় করা খুব কষ্টকর ৷ তাই এরকম মেয়েদের বিয়ে করার জন্য পাত্র পক্ষ মোটা টাকা পণ দাবি করে ৷ তাই নিরুপায় হয়ে পাত্রী বাবা-মা পাত্র পক্ষকে সেই টাকা দেয় ৷ কিন্তু ক্রমাগত ভারতীয় সমাজে এই পণ প্রথার প্রভাব বাড়ছে ৷’ অর্থাৎ যতদিন অসুন্দর ও প্রতিবন্ধী মেয়েরা থাকবে পণপ্রথার প্রচলনও থাকবে বলেই দাবি ৷

dowry-book1

একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়ারা পাঠ্যবই থেকে পণপ্রথার মতো একটি গুরুতর সামাজিক সমস্যা সম্পর্কে একরম ধারণা পাচ্ছে ৷

মহারাষ্ট্রের শিক্ষামন্ত্রী বিনোদ তাওড়েকে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, তাঁর বিষয়টি জানা নেই ৷ একইসঙ্গে এই বিষয়টি নিয়ে এডুকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যানকে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছেন ৷

Loading...

মহারাষ্ট্রের এডুকেশন বোর্ডের সভাপতি জে কে মহামানে CNN-News18-কে জানিয়েছেন,‘ আমি এখন দেশের বাইরে, ফিরেই বিষয়টি খতিয়ে দেখব ৷ শিক্ষা দফতরের সঙ্গে আলোচনা করে দেখতে হবে ৷’

উল্লেখ্য, সমাজবিজ্ঞানের এই বইটিতে ২০১৩-এ প্রথম ছাপানো হয় ৷ পুনর্মুদ্রণ হয় ২০১৬ সালে ৷

First published: 07:16:36 PM Feb 02, 2017
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर