Covid-19: লকডাউনের জন্য আবার প্রস্তুত হোন! আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে মহারাষ্ট্র সরকার

Covid-19: লকডাউনের জন্য আবার প্রস্তুত হোন! আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে মহারাষ্ট্র সরকার

আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে চলায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে মহারাষ্ট্র সরকার

এত দ্রুত করোনা সংক্রমণ হওয়ায় রাজ্যের প্রধান সচিব সীতারাম কুন্তেকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

  • Share this:

    #মুম্বই: ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি। যেভাবে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। সেই জন্য নতুন করে চিন্তায় পড়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। রবিবার একদিনে মহারাষ্ট্রে আক্রান্ত হয়েছেন ৪০,৪১৪ জন যা বিগত দিনে দৈনিক আক্রান্তের সর্বোচ্চ সংখ্যা ছায়িয়েছে। আর তার পরেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে উদ্ধভ ঠাকরে সরকার। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে তাই ফের লকডাউনের জন্য প্রস্তুত থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি।

    এত দ্রুত করোনা সংক্রমণ হওয়ায় রাজ্যের প্রধান সচিব সীতারাম কুন্তেকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। সীতারাম কুন্তে এবং জনস্বাস্থ্য মন্ত্রী রাজেশ তোপের সঙ্গে একটি বৈঠকে উদ্ধভ ঠাকরে বলেছেন, মহামারীতেও অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখার চেষ্টা করছিল সরকার। কিন্তু কিছু বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে না।

    আর তাই এবার কী ভাবে লকডাউন করা হবে সেই বিষয়ে উদ্ধভ প্রধান সচিবের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এই লকডাউনে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য যেমন খাবার এবং ওষুধের জন্য যাতে মানুষকে সমস্যায় না পড়তে হয় সেই বিষয়েও আলোকপাত করছেন তাঁরা। উদ্ধভ ঠাকরের কথায়, "মানুষের স্বাস্থ্যই আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সুতরাং প্রধান সচিবের এখন থেকেই লকডাউন পরিকল্পনা নিয়ে স্ট্র্যাটেজি তৈরি করে রাখা উচিত। যাতে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন খাদ্যশস্য, ওষুধ, স্বাস্থ্য পরিষেবায় ব্যাঘাত না ঘটে। মানুষ কোভিড বিধি মেনে না চললে আমাদের এটা করতেই হবে।"

    রবিবার মুম্বইয়ের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাও নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে। এদিন দৈনিক আক্রান্ত হন ৬৯৩৩ জন। গত ১৫ দিনে ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ। পলে ফের হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। বিগত ১৫ দিনে ৩.৯ লক্ষ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে মহারাষ্ট্রে। আর তাই লকডাউন ছাড়া আর কোনও পথ দেখছে না সরকার। তাই মানুষকে ফের প্রস্তুত থাকতে বলছেন তিনি।

    উদ্ধভ ঠাকরে বলছেন, "লকডাউনই আমাদের কাছে শেষ উপায়। কিন্তু বিষয়টি মেনে নিতে হবে যাতে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ভেঙে না পড়ে। সরকারি ও বেসরকারি দুই হাসপাতালেই বেড নেই আর।"

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: