Twitter : ভারতে সংস্থার কর্মীদের 'নিরাপত্তা' নিয়ে চিন্তায় ট্যুইটার, কেন্দ্রের নয়া গাইডলাইন নিয়ে অবস্থান কী?

ট্যুইটার অস্বস্থি কেন্দ্রের

সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, ভারতে সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে আমরা এ দেশে আমাদের সংস্থায় কর্মরত কর্মীদের নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন (Concern)। এছাড়াও বলা হয়েছে, বিষয়টি ট্যুইটারে গ্রাহকদের (Twitter Users) ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর সম্ভাব্য হুমকি।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি : ভারতে কর্মরত সংস্থার কর্মীদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল টুইটার কর্তৃপক্ষ (Twitter)। সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, ভারতে সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষিতে আমরা এ দেশে আমাদের সংস্থায় কর্মরত কর্মীদের নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন (Concern)। এছাড়াও বলা হয়েছে, বিষয়টি ট্যুইটারে গ্রাহকদের ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর সম্ভাব্য হুমকি। সংস্থার তরফে এক মুখপাত্র বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ভারতে কর্মরত সংস্থার কর্মীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। দিল্লি পুলিশের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের কথা সরাসরি উল্লেখ না করে টুইটারের তরফে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে যেসব শর্তে পরিষেবা দিতে হয় তার বাস্তবায়ন করতে গিয়ে ভারত এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পুলিশের হুমকি কৌশল নিয়ে আমাদের উদ্বেগ আছে।

    গত সোমবার গুরুগ্রামে অবস্থিত ট্যুইটারের অফিসে অভিযান চালায় দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল। গুরুগ্রাম ছাড়াও দিল্লি এনসিআর এলাকায় অবস্থিত লাডো সারাইতে থাকা সংস্থার আরও একটি অফিসে অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে কংগ্রেসের টুলকিট কাণ্ডে বিজেপি নেতা সম্বিত পাত্রের ট্যুইট ‘ম্যানিপুলেটেড মিডিয়া’ ট্যাগ সংক্রান্ত মামলায় তদন্তের স্বার্থে এই অভিযান চালানো হয়েছিল। এরপরেই এই নিয়ে বিতর্ক দানা বাঁধে। এরপরেই সংস্থার এই বক্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    অন্যদিকে ভারতের নয়া তথ্যপ্রযুক্তি আইন সম্পর্কে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, তারা ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইন সংশোধনের সাম্প্রতিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত। এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও নয়া আইন মেনে চলারও বার্তা দেওয়া হয়েছে তাদের তরফে।

    ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত সমস্ত বিষয়তে নিয়ন্ত্রণের জন্য ইতিমধ্যেই সক্রিয় হয়েছে কেন্দ্র। ফেসবুক, টুইটার ইনস্ট্রাগ্রামের মতো নেটমাধ্যমকে এ বিষয়ে নির্দেশিকাও পাঠিয়েছে কেন্দ্র। তাতে জানানো হয়েছিল, নতুন নিয়ম বিধি মেনে চলা হচ্ছে কি না, তার জন্য এক জনকে ‘কমপ্লেনস অফিসার’ হিসেবে নিয়োগ করতে হবে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে। সাইটে কোনও আপত্তিকর কনটেন্ট রয়েছে কি না, তা দেখার এবং প্রয়োজনে সরানোর দায়িত্বেই তিনি থাকবেন। প্রয়োজনে কমপ্লেনস অফিসারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়েছে নয়া আইনে।

    ট্যুইটার জানিয়েছে, আইনের এই বিষয়টি নিয়ে তাদের গ্রাহকেরা উদ্বিগ্ন। পাশাপাশি, নয়া তথ্যপ্রযুক্তি আইন কার্যকরের বিষয়টি আরও ৩ মাস পিছিয়ে দিতে কেন্দ্রকে অনুরোধ করেছেন কর্তৃপক্ষ। জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে বিষয়টি নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রের সঙ্গে আরও আলোচনা চান।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published: