Home /News /national /
India Govt VS Twitter: ভারতে সুরক্ষাকবচ হারাল ট্যুইটার, বারবার নির্দেশ এড়ানোর মাশুল

India Govt VS Twitter: ভারতে সুরক্ষাকবচ হারাল ট্যুইটার, বারবার নির্দেশ এড়ানোর মাশুল

ট্যুইটার বনাম কেন্দ্র সংঘাত চরমে। প্রতীকী ছবি

ট্যুইটার বনাম কেন্দ্র সংঘাত চরমে। প্রতীকী ছবি

India Govt VS Twitter: এবার থেকে এই সংস্থার বিরুদ্ধে দেশের যে কোনও প্রান্তে যে কোনও ফৌজদারি মামলাই জারি করা যাবে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: মঙ্গলবারই যোগীরাজ্যে এক প্রবীণ ব্যক্তির নিগ্রহের ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল টুইটারের বিরুদ্ধে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম মার্কিন সংস্থা হিসেবে ভারতে আইনি রক্ষাকবচ হারাল টুইটার। সূত্রের খবর, এ দেশে নিযুক্ত এবার সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর সহ শীর্ষ কর্তাদের ফৌজদারি আইনে জেরা করতে পারবে পুলিশ। যদি কোনও হ্যান্ডেল থেকে কোনও বিতর্কিত পোস্ট করা হয়, তবে তাঁর দায় বর্তাবে ট্যুইটারের উপরেই। এত দিন পর্যন্ত আইটি আইনের ৬৯ নং ধারায় ট্যুইটার, ফেসবুক, ইউটিউব হোয়াটসঅ্যাপের মতো সংস্থাগুলি ভারতে আইনি সুরক্ষাকবচ পেত। কিন্তু এই ঘটনার পরেই দিল্লির সিদ্ধান্ত এই আইনি রক্ষাকবচ তুলে নেওয়ার। এবার থেকে তাদের বিরুদ্ধে যে কোনও মামলাই জারি করা যাবে।

    এখানেই শেষ নয়, তদন্তে নেমে দেখা যাচ্ছে ট্যুইটারের ফ্যাক্ট চেকিং ব্যবস্থায় বিস্তর গলদ রয়েছে। ট্যুইটারের ফ্যাক্ট চেকার আর হিসেবে কাজ করা ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাক্ট চেকিং নেটওয়ার্ক ২০১৯ সাল থেকে লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ করায়নি। অর্থাৎ ফ্যাট চেকিংয়ের ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডের আওতাতেই পড়ে না তারা। উল্লেখ্য ট্যুইটারকে গত ২৫ মে-র মধ্যে বিশেষ আধিকারিক নিয়োগ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু লকডাউন পরিস্থিতি এবং অন্যান্য কারিগরি সমস্যার দোহাই দিয়েই ট্যুইটার জানিয়েছিল এই ব্যবস্থাপনা করা সম্ভবপর হয়নি।

    কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের কথায়, ট্যুইটার নিজেদের স্বাধীন মতামতের ধারক ও বাহক বলে দাবি করে। কিন্তু ইচ্ছাকৃত ভাবেই একটি দেশের গাইডলাইনকে এড়িয়ে যাচ্ছে তারা। তাঁর কথায়, ট্যুইটার নিজেদের খেয়ালখুশি অনুযায়ী বিভিন্ন বিকৃতি মিডিয়ার তথ্যসম্প্রচার বন্ধ করে। অভিযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রেও টুইটারকে যে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছিল তাও তারা নিতে পারেনি।।

    যদিও টুইটারের বক্তব্য গত মঙ্গলবারই তারা একজন অন্তর্বর্তীকালীন আধিকারিক নিয়োগ করেছে, এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী তারা খুব শিগগিরই বিশদে জানাবে।

    সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশে সুফি আবদুল সামাদ নামক এক প্রৌঢ় প্রহৃত হন। অভিযোগ এই প্রৌঢ় যেহেতু মাদুলি কবজ বিক্রি করতেন তাঁকে তাই জয় শ্রীরাম বলতে বাধ্য করা হয়, তাঁর দাড়ি কেটে নেওয়া হয়। এই নিয়েই ট্যুইটারে বিতর্কের ঝড় ওঠেয কিন্তু উত্তর প্রদেশে পুলিশের দাবি, ট্যুইটার সত্যাসত্য খতিয়ে দেখেনি। ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রঙ লাগানো হয়েছে এই মঞ্চকে ব্যবহার করে। হামলাকারীদের মধ্যে হিন্দু মুসলিম দু'পক্ষই ছিলেন তার কারণ এই ব্যক্তি মানুষকে ভুল বুঝিয়ে তাবিজ কবজ বিক্রি করত। এই ঘটনা সামনে আসার পরই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র

    Published by:Arka Deb
    First published:

    Tags: Twitter

    পরবর্তী খবর