corona virus btn
corona virus btn
Loading

এসএসকেএমে উত্তেজনা, ট্রলি বয়কে মার রোগী পরিজনদের

এসএসকেএমে উত্তেজনা, ট্রলি বয়কে মার রোগী পরিজনদের
  • Share this:

#কলকাতা: বৃদ্ধের মৃত্যু ঘিরে এসএসকেএমে উত্তেজনা। রোগী পরিজনদের বিরুদ্ধে ট্রলি বয়কে মারধরের অভিযোগ। মারের চোটে কান ফেটে যায় কর্মী অমৃত রায়ের। এই ট্রলি বয়দের নিয়োগ করে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সংস্থা ইআরএস। মারধরের ঘটনার প্রতিবাদে সুপারের ঘরের সামনে বিক্ষোভ দেখান ইআরএস কর্মীরা। অ্যাম্বুল্যান্স চালক ও মৃতের ভাইকে আটক করে পুলিশ।

রোগীর মৃত্যু ঘিরে ফের সরকারি হাসপাতালে উত্তেজনা। চিকি‍ৎসকরা নন, এবার পরিজনেদের হাতে আক্রান্ত ট্রলি বয়।

- এসএসকেএমে উত্তেজনা

- ট্রলি বয়কে মার রোগী পরিজনদের

- কানের পর্দা ফাটল অমৃত রায়ের

হৃদরোগে আক্রাম্ত হাওড়ার সাঁতরাগাছির বাসিন্দা নারায়ণচন্দ্র বাগচিকে এসএসকেএমে নিয়ে যান আত্মীয়রা। জরুরি বিভাগের সামনে অ্যাম্বুল্যান্স থেকে নামানোর জন্য ট্রলি আনতে অনুরোধ করা হয়। অভিযোগ, তখন ট্রলি আনতে দেরি করেন কর্মীরা। তখনই মৃত্যু হয় বৃদ্ধের। এরপরই শুরু উত্তেজনা।

অবসরপ্রাপ্ত সেনা সংস্থা ইআরএস ট্রলিবয় বা নিরাপত্তাকর্মীদের নিয়োগ করে। অভিযোগ, অমৃত রায় নামের এক ইআরএস কর্মীকে হাতের সামনে পেয়ে কানে চড় মারেন মৃতের ভাই জয়ন্ত বাগচি ও অ্যাম্বুল্যান্স চালক বাচ্চু। গুরুতর আঘাত লাগায় সেলাই পড়ে অমৃতের বাঁ কানে। এরপর সুপারের ঘরের সামনে বিক্ষোভ দেখান ইআরএস কর্মীরা। ইআরএস কর্মীদের দাবি,

- হাসপাতালে আনার আগেই মারা গিয়েছিলেন বৃদ্ধ

- জরুরি বিভাগে ১৫টি ট্রলি আছে

- বেশিরভাগই অকেজো হওয়ায় ট্রলি আনতে দেরি হয়

ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ কথা বলে রোগী পরিজনদের সঙ্গে। তাঁদের দাবি, দেরি করে ট্রলি আনাতেই মৃত্যু হয়েছে বৃদ্ধের।পুলিশের সামনেই রোগীর আত্মীয়রা অমৃতকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। মারধরের ঘটনায় মৃতের ভাই জয়ন্ত বাগচি ও অ্যাম্বুল্যান্স চালক বাচ্চুকে ধরেছে ভবানীপুর থানার পুলিশ। মাসখানেক আগেই রোগী মৃত্যু ঘিরে চিকিৎসকদের মারধরের প্রতিবাদে থমকে গিয়েছিল রাজ্যের চিকি‍ৎসাব্যবস্থা। তারপরেই সরকারি হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তার কড়াকড়ি শুরু হয়। তারমধ্যেই রোগীর আত্মীয়দের হাতে আক্রান্ত হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মী।

First published: July 19, 2019, 8:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर