• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • TRIPURA TMC WILL ALSO CELEBRATE THE FOUNDATION DAY OF TMCP SANJ

Tripura TMC : ঝাঁপিয়ে পড়েছে তৃণমূল! ত্রিপুরাতেও ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে ভার্চুয়াল ঝড়...

ত্রিপুরাতেও তুঙ্গে তৃণমূলের প্রস্তুতি

Tripura TMC : প্রজেক্টরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতা লাইভ স্ট্রিমিং শোনানোর পরিকল্পনা। 

  • Share this:

#ত্রিপুরা : ১৬ অগাস্টের খেলা হবে দিবসের মতোই এবার ত্রিপুরায় (Tripura TMC) পালন করা হবে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর (TMCP Foundation day) অনুষ্ঠান। আগামী শনিবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন ওই অনুষ্ঠানে। সেই বক্তব্যের লাইভ স্ট্রিমিং শোনানোর ব্যবস্থা করছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। এর আগে ২১ জুলাই শহিদ সমাবেশের অনুষ্ঠানের লাইভ স্ট্রিমিং শোনাতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসকে৷ আগরতলায় তাদের বাধা দেওয়া হয়। পুলিশ আটক করেছিল তৃণমূলের (TMC) নেতা--কর্মীদের। মাঝে একমাসে রাজনৈতিক আবহের অনেক পরিবর্তন হয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতের এই ছোট রাজ্যে। সেই আবহে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই অনুষ্ঠান পালন হতে চলেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইতিমধ্যেই একাধিক ছাত্র ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে (TMC)৷ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও যোগ দিচ্ছেন। ফলে রাজনৈতিক কর্মসূচী শনিবার পালন করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই, সিদ্ধান্ত হয়েছে একাধিক কলেজের সামনে সকাল ৮ টার সময় দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে৷ তারপর বিভিন্ন জেলায় প্রজেক্টরে দেখানো হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বক্তব্য।

জোর দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন জেলায়। দলের নেতা আশিষলাল সিংহ জানিয়েছেন, "ছাত্ররা বিভিন্ন উৎসাহিত। সব জায়গায় দলীয় পতাকা পৌছে গেছে। কর্মসূচী পালন করা হবেই।"  ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপ বাড়াতে শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। একাধিক বিজেপি নেতা যোগাযোগ রাখছেন তৃণমূলের সঙ্গে দাবি করা হচ্ছে তৃণমূল সূত্রে। তাদের দাবি বিজেপির এক ঝাঁক নেতা-মন্ত্রী তৃণমূলে আসার জন্য পা বাড়িয়েই রয়েছে। শেষ ৭২ ঘণ্টায় যতজন বিজেপি বিধায়ক যোগাযোগ করেছেন বা গোপন বৈঠক করেছেন তৃণমূলের সাথে তাতে বিপ্লব দেবের সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর দিকে যাচ্ছে।

যদিও পাশাপাশি এমনও বলা হয়েছে. তৃণমূলের লক্ষ্য বিধায়কদের দলত্যাগ করিয়ে সরকার গঠন নয় বরং নির্বাচনে লড়াই করেই নতুন করে সরকার গড়তে চায় তৃণমূল। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন,  বিজেপিতে এই মুহূর্তে দুই ধরনের বিধায়ক আছেন। একদল স্পষ্টই বিপ্লব দেবের বিরুদ্ধে। অন্য দল এখনও বিপ্লব দেবের সমর্থক। কিন্তু বুঝতে পারছেন মানুষের মন বিপ্লব দেব সরকারের উপর থেকে সরছে তাই দূত মারফত যোগাযোগ রাখছেন।

ত্রিপুরায় সংগঠন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তৃণমূল বেশ কয়েকটি স্ট্র্যাটেজি নিয়েছে। প্রতি সপ্তাহেই দলের শীর্ষ নেতারা ত্রিপুরা যাচ্ছেন। যোগাযোগ রাখছেন বিভিন্ন শিবিরের নেতাদের সঙ্গে। তাছাড়া আগে থেকেই সুদীপ রায় বর্মনদের মতো নেতারা দলে থেকেও বেসুরো। রাজনৈতিক মহলের মত, ২০২৪-এর মহারণের আগে ত্রিপুরাকে অনেকটা ওয়ার্ম আপ ম্যাচের মতো দেখছে তৃণমূল। এখানে ভিত নাড়াতে পারলে দিল্লির মসনদও টলবে, এমনটাই মনে করে তৃণমূলের অন্দর। তাই ত্রিপুরার মন পেতে কোনও কৌশলই ছাড়বে না তৃণমূল। তাই দলের সব রাজনৈতিক কর্মসূচী পালন করবে তৃণমূল কংগ্রেস।

Published by:Sanjukta Sarkar
First published: