• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • TRIPURA NANDIGRAM TMC WANTS MAMATA BANERJEE TO TOUCH THE GROUND AKD

Tripura Nandigram| তৃণমূলের নজরে ত্রিপুরার নন্দীগ্রাম, খেলার শুরুতেই মমতা পা রাখুন চাইছেন পড়শিরা

ত্রিপুরার নন্দীগ্রামে পা রাখবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

Tripura Nandigram| ত্রিপুরার তৃণমূল নেতারা চাইছেন, দলের শীর্ষ নেতারা প্রচার শুরু করুন 'নন্দীগ্রাম' থেকেই। 

  • Share this:

#আগরতলা: ভুলতে পারি নিজের নাম, ভুলবোনা গো নন্দীগ্রাম।---সদ্য সমাপ্ত বাংলার ভোটে এই স্লোগান বারবার তুলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার নন্দীগ্রাম আসন থেকেই মোদী-শাহ বধের ডাক দিয়েছিলেন মমতা। যদিও নন্দীগ্রাম নিরাশ করেছে তৃণমূলকে। বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে অল্প ভোটে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার পাশাপাশি, ত্রিপুরার নন্দীগ্রামে এবার নজর তৃণমূল কংগ্রেসের। বাংলার সঙ্গে ত্রিপুরার ভাষা, কৃষ্টি-সংস্কৃতি নানান বিষয়ে মিল রয়েছে।কেউ কেউ ত্রিপুরাকে বাংলার অঘোষিত উপনিবেশ অবধি বলে থাকেন। তবে এসবের বাইরে বাংলার সঙ্গে এমন একটা জায়গার মিল রয়েছে,যা অনেকের অজানা। সেটা হলো “নন্দীগ্রাম।” বাংলার নন্দীগ্রামের মত ত্রিপুরাতেও আছে “নন্দীগ্রাম।”

ত্রিপুরার দক্ষিণ জেলার সাব্রুমে রয়েছে নন্দীগ্রাম। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের হাত ধরেই এখন ত্রিপুরার অখ্যাত নন্দীগ্রামকেই রাজনীতির লাইম লাইটে নিয়ে আসতে চলেছে বাংলার শাসক দল। সাব্রুমের নন্দীগ্রামকে ভিত্তি করেই ত্রিপুরাতে বিজেপি’র বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল সূত্রের দাবি, খুব শীঘ্রই ফের ত্রিপুরা রাজ্যে যাবেন একাধিক শীর্ষ স্তরের নেতা।

সূত্রের খবর সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে শীর্ষ নেতারা আসবে। এই শীর্ষ নেতাদের অনেকেই ত্রিপুরা রাজ্যে আসলে তাদের নিয়ে যেতে চায় তৃণমূল নেতৃত্ব সাব্রুমের নন্দীগ্রামে। এই নন্দীগ্রাম থেকেই “জিতবে ত্রিপুরা” স্লোগানকে ছড়িয়ে দিতে চায় গোটা রাজ্যে।রাজনীতিবিদরা বলছেন, ত্রিপুরার সাব্রুমের নন্দীগ্রামও তৃণমূলের জন্য উর্বর জমি। এই নন্দীগ্রাম পঞ্চায়েতে একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে তিনটি ওয়ার্ড ছিল। ঘাসফুল শিবিরের তিন জন নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন। এ কারণেই বাংলা থেকে আসা তৃণমূল নেতাদের বারবার নিয়ে যেতে চাওয়া হচ্ছে সাব্রুমের নন্দীগ্রামে।তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের খবর, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় আসলে সাব্রুমের নন্দীগ্রামে তাঁকে যাওয়ার অনুরোধ জানবেন রাজ্যের নেতারা।

তাঁরা চাইছেন সেখানে গিয়ে বাংলার নন্দীগ্রামের আওয়াজ তুলুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  আমার নাম, তোমার নাম,সিঙ্গুর, ভাঙড়, নন্দীগ্রাম।”–এই স্লোগান দিয়েই লড়াইয়ের ডাক দিতে চায় ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলার নন্দীগ্রাম একটি বিধানসভা কেন্দ্র।আর ত্রিপুরার দক্ষিণ জেলার অজ গ্রাম “নন্দীগ্রাম” একটি পঞ্চায়েত। তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন,” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরাতে অবশ্যই আসবেন৷ আগেও এসেছেন তিনি। এই রাজ্যের মানুষের সাথে তার অনেক দিনের সম্পর্ক আছে। দলের শীর্ষ নেতারাও পরিদর্শন করবেন রাজ্যের প্রতিটি জেলা ও মহকুমা। প্রতিটি জেলায় আমরা অফিস তৈরি করতে চাই।"

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের এই পদক্ষেপ আগামী দিনে ত্রিপুরার জন্যে রাজনৈতিক ভাবেও অধিক তাৎপর্যপূর্ণ। বিজেপি অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। তাদের এক নেতা জানিয়েছেন ,”এক রাজ্যের মন্ত্রীরা কিভাবে টানা দিনের পর দিন ত্রিপুরায় বসে থাকবেন? তাহলে কিভাবে চলবে তাদের রাজ্য?" অবশ্য নিন্দুকদের এই সমস্ত কথা-বার্তা নিয়ে ভাবতে রাজি নয় তৃণমূল। তাদের বক্তব্য,”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করেন ভেবে চিন্তেই করেন।এই মুহূর্তে মমতা বন্দোপাধ্যায় এলে ত্রিপুরায় তাদের দলের সংগঠন দ্রুত মজবুত হবে। প্রচুর সংখ্যক মানুষ এগিয়ে আসবে তৃণমূলের দিকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের নেতাদের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়েই মূলত তৃণমূলকে শক্তিশালী করে তুলতে ঘাস ফুল শিবিরের এই রণকৌশল।তৃণমূল নেতা আশিষলাল সিংহ  জানিয়েছেন, নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত ১৪ সালে তৃণমূলের তিনজন নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। তৎকালীন সময়ে  বামপন্থীদের ভয় উপেক্ষা করে নন্দীগ্রামের তিনটি জায়গা থেকে তৃণমূলের তিনজন জন প্রতিনিধি জয়ী হয়েছিলেন।

Published by:Arka Deb
First published: