করোনাকালে বিমানযাত্রা করছেন? নিরাপদে থাকতে মাথায় রাখুন এগুলি!

করোনাকালে বিমানযাত্রা করছেন? নিরাপদে থাকতে মাথায় রাখুন এগুলি!

সংক্রমণের জেরে দীর্ঘ দিন লকডাউন ছিল। বন্ধ ছিল উড়ান-সহ একাধিক পরিষেবা। লকডাউন ওঠার পর থেকে ধীরে ধীরে সমস্ত কিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

সংক্রমণের জেরে দীর্ঘ দিন লকডাউন ছিল। বন্ধ ছিল উড়ান-সহ একাধিক পরিষেবা। লকডাউন ওঠার পর থেকে ধীরে ধীরে সমস্ত কিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সংক্রমণের জেরে দীর্ঘ দিন লকডাউন ছিল। বন্ধ ছিল উড়ান-সহ একাধিক পরিষেবা। লকডাউন ওঠার পর থেকে ধীরে ধীরে সমস্ত কিছু স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। ফের বিমান পরিষেবাও চালু হয়েছে। তবে, সংক্রমণ কিন্তু পিছু ছাড়েনি। বিশেষ করে আকাশ ও জলপথে অর্থাৎ বিমান কিংবা জাহাজে কোনও দূর গন্তব্যে যাত্রার সময়ে সংক্রমণের সেই ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে বিমানযাত্রায় একাধিক নিয়মকানুন ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হচ্ছে। তবুও বিমানবন্দরে মৃদু ও উপসর্গহীন রোগীদের যাতায়াত লেগে থাকে। যা প্রবেশদ্বারে নির্ণয় করা মুশকিল। সম্প্রতি, সেন্টার ফর ডিজিজেজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC)-এর তরফেও জানানো হয়েছে, ভ্রমণের জেরে বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি। এ ক্ষেত্রে নিজেদের সচেতনতাই সব চেয়ে জরুরি। তাই বিমানে যাত্রার সময় নজর দিতে এই বিষয়গুলিতে- যাত্রাকালে মাস্কের যথাযথ ব্যবহার সংক্রমণ থেকে বাঁচতে অত্যাবশ্যক ফেস মাস্ক। তাই ভ্রমণের সময়ে সবসময় মাস্ক পরে থাকতে হবে। মাস্ক এমন ভাবে পরা উচিৎ, যাতে নাক ও মুখ ঢাকা থাকে। এ ক্ষেত্রে থ্রি-লেয়ারড মাস্ক হলে সব চেয়ে ভালো হয়। ফেস মাস্কের উপর ফেস শিল্ড পরাটাও খুব জরুরি। সাবান, স্যানিটাইজার সহ প্রয়োজনীয় সমস্ত সরঞ্জাম রাখতে হবে এই সংক্রমণের সময়ে বিমানে ওঠার আগে প্রয়োজনীয় সমস্ত জিনিস ব্যাগের মধ্যে গুছিয়ে নিতে হবে। সঙ্গে রাখতে হবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ডিজইনফেক্টিং ওয়াইপ,সাবান। কারণ সিট, সিট বেল্ট, আর্ম রেস্ট নানা জিনিসে ভাইরাস লেগে থাকার সম্ভাবনা প্রবল। এগুলি স্যানিটাইজ করে নিলে ভালো। প্রয়োজনে নিজের ব্ল্যাঙ্কেট বা বালিশ নিয়ে নিতে হবে। এই বিষয়ে WHO-এর পরামর্শ, অন্তত ৪০-৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। যে হ্যান্ড স্যানিটাইজারে অন্তত ৬০ শতাংশ অ্যালকোহল আছে, সেই স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। তবে স্যানিটাইজারের অতিরিক্ত ব্যবহার ভালো নয়। এতে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। বিমান বন্দরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এটি জনবহুল এলাকা। তাই সবসময় নিজের খেয়াল রাখতে হবে। ভিড় থেকে সর্বদা দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। এমনকি এয়ারপোর্ট যাওয়ার সময়ও সব দিক খেয়াল রাখতে হবে। মাথায় রাখতে হবে, আপনার গাড়ির চালক বা বাড়ির যাঁরা ছাড়তে যাচ্ছেন, তাঁরা মাস্ক পরেছেন কি না! ডিজিটাল পেমেন্ট এয়ারপোর্টে থাকাকালীন কোনও কিছু খাওয়া বা কেনা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। তবে যদি একান্তই প্রয়োজন হয়, তা হলে ডিজিটাল পেমেন্ট সব চেয়ে নিরাপদ। ইন-এয়ার ফ্লাইট সার্কুলেশন এ দিক থেকে যাত্রীরা একটু নিশ্চিন্ত হতে পারেন। আজকাল যে কোনও ফ্লাইটেক কেবিনেই হাই কোয়ালিটি এয়ার ফিল্টার রয়েছে। এতে কিছুটা হলেও সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। সঠিক সিট নির্বাচন ও সিটে বসে থাকাই শ্রেয় এ ক্ষেত্রে জানালার পাশের সিটই আদর্শ। তবে সবসময় তা সম্ভব হয় না। তা ছাড়া এখন দূরত্ব বজায় রেখেই সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট করা হয়। এ ক্ষেত্রে প্লেনে ওঠার পর নিজের সিটে চুপটি করে বসে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সিট থেকে উঠে গিয়ে প্লেনের মধ্যে এদিক-ওদিক ঘুরলে, অন্যযাত্রীদের সংস্পর্শে এলে কিংবা বাথরুমে গেলে, সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে!

Published by:Akash Misra
First published:

লেটেস্ট খবর