• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • ফিল্মি কায়দায় ডাকাতি, ট্রেনে সিঁধ কেটে টাকা লুঠ

ফিল্মি কায়দায় ডাকাতি, ট্রেনে সিঁধ কেটে টাকা লুঠ

ফিল্মি কায়দায় ট্রেন থেকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কয়েক কোটি টাকা লুঠ। ট্রেনে সিঁধ কেটে টাকা লুঠ।

ফিল্মি কায়দায় ট্রেন থেকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কয়েক কোটি টাকা লুঠ। ট্রেনে সিঁধ কেটে টাকা লুঠ।

ফিল্মি কায়দায় ট্রেন থেকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কয়েক কোটি টাকা লুঠ। ট্রেনে সিঁধ কেটে টাকা লুঠ।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #চেন্নাই: ফিল্মি কায়দায় ট্রেন থেকে কয়েক কোটি টাকা লুঠ।   সালেম থেকে ট্রেনে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ৩৪২ কোটি টাকা যাচ্ছিল চেন্নাইয়ে। চেন্নাইয়ের এগমোরে রেল পুলিশ লক্ষ করে  সালেম-চেন্নাই এক্সপ্রেসের কামরার ছাদে গর্ত। সন্দেহ হওয়ায় কামরা পরীক্ষা করে দেখা যায় কয়েক কোটি টাকা উধাও। ডাকাতির তদন্তে  রেল পুলিশ সুপার বিজয়কুমারের নেতৃত্বে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।  ঘটনাস্থলে যায় ফরেনসিক দলও। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান প্রায় ছ’ কোটি টাকা লুঠ হয়েছে। নব্বইয়ের দশকের রূপ কি রানি চোর কা রাজা হোক বা হালফিলের প্লেয়ার।  চলন্ত ট্রেনে ডাকাতি  সবসময় মশলাদার বলিউড ছবির USP হিসেবে কাজ করেছে।  দর্শকের হাততালি কুড়োতে ছবিতে নায়করাই  হয়ে ওঠেন সুপার থিফ।  চোর নায়কের অভিনব চুরির কায়দায় তাজ্জব বনে যান দশর্করা।   সেই ফিল্মি কায়দায় এবার সালেম-চেন্নাই এক্সপ্রেস থেকে কয়েক কোটি টাকা লুঠ।      ট্রেন থেকে কীভাবে  টাকা লুঠ করা হল ? -- সোমবার রাত নটা নাগাদ সালেম স্টেশন থেকে সালেম-চেন্নাই এক্সপ্রেস ছাড়ে -- ট্রেনের ৩টি বিশেষ কোচে আরবিআই-এর ৩৪২ কোটি টাকা ছিল -- ২২৬ বাক্সে ভাগ করে রাখা ছিল ওই টাকা -- মঙ্গলবার বিকেল ৫টা  নাগাদ চেন্নাইয়ের এগমোর স্টেশনে ট্রেন পৌঁছয় -- (চেন্নাইয়ে ট্রেন পৌঁছনোর পর রেল পুলিশ লক্ষ করে) ট্রেনের একটি কোচের ছাদে গর্ত -- কোচের ভিতরের কয়েকটি বাক্স ভাঙা এবং টাকা উধাও পুলিশের অনুমান, একজন দুষ্কৃতী কোচের ছাদে গর্ত করে কামরায়  ঢোকে। সেখান দিয়েই টাকা নিয়ে চম্পট দেয়।  চুরি একজন করলেও, দলে বেশ কয়েকজন ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, সালেমের একাধিক সরকারি ব্যাঙ্ক থেকে টাকা সংগ্রহ করে সেই টাকা চেন্নাইয়ে আরবিআই-কে হস্তান্তর করার কথা।  সহকারী পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে বিশেষ দল ওই টাকার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। ট্রেনের ছাদের খুব কাছে থাকে ইলেকট্রিক কেবলস।  প্রশ্ন উঠছে, তারপরও কীভাবে কামরার ছাদ গর্ত করা হল?  তদন্তকারীদের অনুমান, ভিরুদাচালাম জংশনে ইঞ্জিন পরিবর্তন করা হয়। তারপর ভিরুদাচালাম থেকে আত্তুর পর্যন্ত ডিজেল ইঞ্জিনে ট্রেনটি চলে। পুলিশের অনুমান, সেই সময় দুষ্কৃতীরা কাজ সেরেছে।  মাঝপথে ট্রেন কোথাও কি দাঁড়িয়েছিল?  দুষ্কৃতীরা আগে থেকেই কামরায় ঢুকে পড়ে কিনা  খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল।

    First published: