অসমে আন্দোলনের জেরে আটকে প্রচুর পর্যটক, বিপাকে পর্যটন শিল্পও

অসমে আন্দোলনের জেরে আটকে প্রচুর পর্যটক, বিপাকে পর্যটন শিল্পও

অসম, মেঘালয়ের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে আটকে রয়েছেন পর্যটকেরা। ফেরার উপায় নেই।

  • Share this:

PARTHA PRATIM SARKAR

#গুয়াহাটি: নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে অসম-সহ গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতের পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ। চলছে সেনা টহল। বন্ধ রয়েছে স্কুল, কলেজ। প্রধানমন্ত্রীও শান্তি ফেরানোর বার্তা দিয়েছেন। তবে এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। আর এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে পর্যটন শিল্পে।

অসম, মেঘালয়ের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে আটকে রয়েছেন পর্যটকেরা। ফেরার উপায় নেই। একে বন্ধ ট্রেন চলাচল। তার ওপর বেসরকারী উড়ান পরিষেবাও বন্ধ। ফলে বিপাকে পর্যটকেরা। পর্যটকদের একটা বড় অংশ উত্তর-পূর্ব ভারত বেড়াতে আসেন দার্জিলিং, সিকিম হয়ে অসম, মেঘালয়, কাজিরাঙা ঘুরে ফিরে যান। অসমে অস্থিরতার জেরে এই মূহূর্তে প্রায় ১৬ হাজার পর্যটক আটকে রয়েছেন। আর এই পরিস্থিতির জেরে এখানকার ট্যুর অপারেটার্সদের কাছে ইতিমধ্যেই খোঁজখবর নিতে শুরু করেছেন ভিন রাজ্যের পর্যটকেরা। এমন অস্থিরতা চলতে থাকলে প্রচুর বুকিং বাতিলের সম্ভাবনা রয়েছে। সামনেই বড়দিন এবং ইংরেজি নববর্ষের মরসুম। সান্দাকফু এবং উত্তর ও পূর্ব সিকিমে তুষারপাত হয়েছে। পর্যটন শিল্প চাঙ্গা হওয়ার মুখে অসমের পরিস্থিতি যেন দুশ্চিন্তার কালো মেঘে ঢেকে দিয়েছে পর্যটন শিল্পকে। চিন্তিত ট্যুর অপারেটার্স থেকে এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত একাধিক মানুষ। বাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যেমন অনেকেরই রুটিরুজি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তেমনি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে পর্যটন শিল্পেও বড়সড় ধাক্কা নেমে আসবে।

হিমালয়ান হসপিটালিটি এণ্ড ট্যুরিজম ডেভলোপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল জানান, বিভিন্ন রাজ্যের পর্যটকদের ফোন আসছে প্রতিনিয়ত। সামনেই পর্যটনের ভরা মরসুম। বহু পর্যটকই উত্তর-পূর্ব ভারত মানে সিকিম এবং দার্জিলিংকেও এর আওতায় আনেন। আবার অনেক পর্যটক দার্জিলিং, অসম, মেঘালয় ঘোরার প্লান করেই বের হন। অসমের পরিস্থিতির জেরে পর্যটকেরাও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। আটকে থাকা পর্যটকদের অবিলম্বে ফেরানোর ব্যবস্থা করতে হবে। তেমনি কেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কাজ মসৃণ করতে হবে। নইলে বুকিং বাতিলের সম্ভাবনা বাড়বে। অন্যদিকে CAA নিয়ে এ রাজ্যেও অস্থিরতা শুরু হয়েছে। ট্রেন, বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। স্টেশনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটছে। সব মিলিয়ে বছরের শেষ প্রান্তে রাজ্যেও ছড়াচ্ছে উত্তেজনা। যার প্রভাব গিয়ে পড়ছে পর্যটন শিল্পে। সবমিলিয়ে উৎকণ্ঠায় পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

First published: 09:02:36 PM Dec 14, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर