হোম /খবর /দেশ /
করোনা বদলে দিল জঙ্গির মনও, তিহাড়ের বন্দিদের চিকিৎসা করতে চান MBBS সাবিল!

Covid in Tihar Jail: করোনা বদলে দিল জঙ্গির মনও, তিহাড়ের বন্দিদের চিকিৎসা করতে চান MBBS সাবিল!

মানবিক আবেদন

মানবিক আবেদন

এমবিবিএস পাশ সাবিল নিজের ওই আবেদন নিয়ে ইতিমধ্যেই দ্বারস্থ হয়েছেন আদালতের। বিশেষ বিচারক ধর্মেন্দ্র রানার কাছে চিকিৎসা পরিষেবা সংক্রান্ত নিজের সমস্ত অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেছেন তিনি।

  • Last Updated :
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: করোনার কবলে গোটা দেশ। বাদ নেই জেলও। আর দেশের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত তিহাড় জেলেও (Tihar Jail) জোরাল থাবা বসিয়েছে করোনা। পরিস্থিতি সামলাতে বেসামাল জেল কর্তৃপক্ষও। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেই অদ্ভূত এক ইচ্ছে নিয়ে এগিয়ে এলেন আল-কায়দার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে ধৃত ১ জঙ্গি। তাঁর নাম সাবিল আহমেদ। আর এমবিবিএস পাশ সাবিল নিজের ওই আবেদন নিয়ে ইতিমধ্যেই দ্বারস্থ হয়েছেন আদালতের। বিশেষ বিচারক ধর্মেন্দ্র রানার কাছে চিকিৎসা পরিষেবা সংক্রান্ত নিজের সমস্ত অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেছেন তিনি।

দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জমা দিয়ে সাবিল জানিয়েছেন, কয়েদি জীবনের আগে পেশায় চিকিৎসক ছিল তিনি। তাই করোনার এই দুঃসময়ে জেল কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করতে চাইছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, আল-কায়দার ইন্ডিয়ান সাব কন্টিনেন্ট একিউআইএস-এর (AQIS) সদস্য সাবিলকে জঙ্গি সংগঠনটিকে লজিস্টিক ও আর্থিক সহযোগিতা করার অভিযোগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। সাবিল যাতে কোভিড মোকাবিলায় জেল কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করতে পারেন, সেই কারণে সুপারিন্টেনডেন্টের কাছে আবেদনও জানিয়েছেন তার আইনজীবী এম এস খান।

আদালতে তিনি জানিয়েছেন, ৭ বছর প্র্যাকটিস করেছেন সাবিল। জটিল রোগের চিকিৎসা ও অপারেশনের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। তাই তাঁর মক্কেলের অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান তিহাড় জেলের ভিতরে করোনা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে বলে দাবি করেছেন এমএস খান।

প্রসঙ্গত, করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে মারাত্মক খারাপ অবস্থা রাজধানী দিল্লির। অক্সিজেন-ওষুধের অভাবে শয়ে-শয়ে রোগী মৃত্যু এখন জলভাত দিল্লিতে। সেই আঁচ থেকে রেহাই পায়নি তিহাড়ও। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউতে গত ১১ মে পর্যন্ত শুধু তিহাড়েই ৩৬৯ জন বন্দি করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। এমনকী ওই জেলে প্রাক্তন সাংসদ মহম্মদ সাহাবউদ্দিন-সহ ৬ বন্দির মৃত্যু হয়েছে করোনায়। ইতিমধ্যেই জেলের প্রায় ১৯ হাজার বন্দিদের সকলের টিকাকরণের জন্য দিল্লি সরকারের কাছে আবেদনও জানিয়েছে তিহাড় কর্তৃপক্ষ।

Published by:Suman Biswas
First published: