Presidents Rule in West Bengal: বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হোক, নারদ-বিতর্কের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে দায়ের মামলা!

সুপ্রিম কোর্টে দায়ের মামলা

বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের (Presidents Rule in Bengal) আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল।

  • Share this:

    নয়াদিল্লি: একদিকে যখন কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) চূড়ান্ত নাটকীয় নারদ মামলার (Narada Scam Case) শুনানি চলছে, ঠিক তখনই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের (Presidents Rule) আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জনস্বার্থ মামলা করলেন এক আইনজীবী। ঘনশ্যাম উপাধ্যায় নামে ওই ব্যক্তি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানান, বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট। এমনকী পিটিশনে ওই আইনজীবী উল্লেখ করেছেন, ভারত যেন 'তালিবান' শাসিত না হয়ে যায়।

    কিন্তু কেন রাষ্ট্রপতি শাসন? আবেদনকারীর দাবি, ভোট পরবর্তী বাংলায় ইতিমধ্যেই ১৬ জন বিজেপি কর্মী, সমর্থকের মৃত্যু হয়েছে। তাই কেন্দ্রকে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের নির্দেশের পাশাপাশি আদালত যেন একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে, এমনই আর্জি জানিয়েছেন ওই আইনজীবী।

    প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই রাজ্য বিজেপি নেতাদের অনেকেই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানিয়েছিলেন। ভোট পরবর্তী হিংসা এবং সম্প্রতি নারদ কাণ্ডে রাজ্যের ২ মন্ত্রী-সহ ৪ জনের গ্রেফতার ও তার পরবর্তী ঘটনাক্রম নিয়ে সেই আশঙ্কায় ঘৃতাহুতি পড়েছে। আর সেই জল্পনার মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়েছে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানিয়ে আবেদন।

    আবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে আইনের কোনও শাসন নেই। তৃণমূলের নতুন সরকার সাধারণ মানুষের জীবন, সম্পত্তি ও স্বাধীনতা রক্ষায় ব্যর্থ। আবেদনকারী ওই আইনজীবীর অভিযোগ, 'পশ্চিমবঙ্গে যাঁরা বিজেপি-কে ভোট দিয়েছিলেন তাঁরাই সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। তৃণমূলের অত্যাচারের ফলে বাংলার যে অবস্থা হয়েছে, তাতে আদালতের হস্তক্ষেপ করা উচিত।'

    উল্লেখ্য, নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। গোটা ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে বঙ্গ রাজনীতি। গ্রেফতারির প্রতিবাদে নিজাম প্যালেসে দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই ঘটনায় তৃণমূল কর্মীরা যেভাবে নিজাম প্যালেসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন, তা নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় লিখেছিলেন, 'এই নৈরাজ্যের পরিণতি কী হতে পারে, আশা করি আপনারা সেটা বুঝতে পারছেন'। ধনখড়ের সেই ট্যুইটকেও বিশেষ অর্থবহ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
    Published by:Suman Biswas
    First published: