Home /News /national /
TMC on sedition law: দেশদ্রোহিতা আইন নিয়ে গড়িমসি, কেন্দ্রের সদিচ্ছা নিয়েই প্রশ্ন তৃণমূলের

TMC on sedition law: দেশদ্রোহিতা আইন নিয়ে গড়িমসি, কেন্দ্রের সদিচ্ছা নিয়েই প্রশ্ন তৃণমূলের

কেন্দ্রের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়৷

কেন্দ্রের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়৷

তৃণমূলের রাজ্যসভার মুখ্য সচেতক সুখেন্দু শেখর রায়ের কথায়, "কেন্দ্রের বর্তমান সরকারও সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী ও বুদ্ধিজীবী-সহ  সরকারের বিরুদ্ধে যারা মুখ খুলেছেন তাদের এই দেশদ্রোহিতা আইনের প্রয়োগে জেলে ঢোকানো হয়েছে।"

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: সেই ব্রিটিশ আমল থেকে গান্ধিজি, নেতাজী সুভাষ বসু, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বিরুদ্ধে এই আইনের প্রয়োগ হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্যসভার মুখ্য সচেতক সুখেন্দু শেখর রায়ের কথায়, "কেন্দ্রের বর্তমান সরকারও সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী ও বুদ্ধিজীবী-সহ  সরকারের বিরুদ্ধে যাঁরা মুখ খুলেছেন তাদের এই আইনের প্রয়োগে জেলে ঢোকানো হয়েছে।"

তৃণমূল সাংসদ আরও বলেন, 'দেশদ্রোহিতার আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সদুত্তর দিতে পারেনি কেন্দ্রীয় সরকার। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারগুলিকে এখনও পর্যন্ত এই আইনের প্রয়োগ বন্ধের বার্তা পাঠানো হয়নি। স্পষ্টতই পুনর্বিবেচনার নামে আদালতের সময় নষ্ট করছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই আইন বাতিলের কোন সদিচ্ছা তাদের নেই।'

আরও পড়ুন: বাবর লেনের নাম পরিবর্তন করে হোক বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু লেন, দাবি বিজেপির!

ওদিকে, রাষ্ট্রদোহিতা মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের প্রশ্নের মুখে পড়লেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। গতকাল তিনি শীর্ষ আদালতে জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় সরকার আজাদি কা অমৃত মহোৎসব উপলক্ষ্যে এই আইন বহাল রাখা নিয়ে পুর্নবিবেচনা করতে চায়। আজ শুনানিতে, প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানা, বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি হিমা কোহলির বেঞ্চ জানতে চায়, তেমনটাই যদি হয়ে থাকে, তাহলে রাজ্যগুলিকে কেন্দ্রীয় সরকার কেন রাষ্ট্রদোহ আইনে এফআইআর দায়ের করতে নিষেধ করছে না?

সলিসিটর জেনারেলকে বিচারপতিরা জিজ্ঞেস করেন, "আমরা পরিস্কারভাবে জানাচ্ছি। আমরা নির্দেশিকা জানতে চাই। আগামfকাল পর্যন্ত আপনাদের সময় দিচ্ছি। আমাদের নির্দিষ্ট প্রশ্ন, বকেয়া মামলাগুলি নিয়ে এবং ভবিষ্যতের মামলাগুলি কীভাবে মোকাবিলা করবে সরকার? এই দু'টি বিষয়ে আমরা সরকারের জবাব চাই।"

রাষ্ট্রদোহিতা মামলায় এফআইআর করা নিয়ে শীর্ষ আদালতের উদ্বেগ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে আগামিকাল জবাব দেবেন সলিসিটর জেনারেল। তিনি আরও জানান, আধিকারিক পর্যায়ের উপযুক্ত মাধ্যমে এই আইন নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা হবে। কারণ, এর সঙ্গে দেশের অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব জড়িয়ে রয়েছে। মামলাকারীদের পক্ষে আইনজীবী কপিল সিবল আদালতে সওয়াল করেন, একটি আইন পুনর্বিবেচনা করতে ৬ মাস এমন কি, এক বছর পর্যন্ত সময় লেগে যাবে। আর সেই কারণেই কেন্দ্রের জবাবে আপত্তি রয়েছে।

আরও পড়ুন: জল চাইলেন সরকারি আধিকারিক, এগিয়ে গেলেন খোদ অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ! ভাইরাল ভিডিও

কপিল সিবল জানান, 'এই আইন নিয়ে বিচারবিভাগের ভাবনাচিন্তা করার সময় এসেছে।' কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবীর এই যুক্তি গ্রাহ্য মনে হয় শীর্ষ আদালতের।

আজ দিল্লিতে সাংবাদিকদের তৃণমূলের রাজ্যসভার মুখ্য সচেতক সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, 'অনেক স্বাধীনতা সংগ্রামীকে রাষ্ট্রদোহিতা আইনে বিনা কারণে জেল খাটতে হয়েছে। আজ যখন স্বাধীনতার ৭৫ বছর পালন হচ্ছে, কেন্দ্র গড়িমসি করছে। কেন্দ্র কোনও দয়া করছে না। এই কালা কানুন প্রত্যাহারের দাবি উঠেছে। এই দাবি দীর্ঘদিনের। পুর্বিবেচনা মানে প্রত্যাহার নয়। দুটোর মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে।'

Published by:Debamoy Ghosh
First published:

Tags: BJP, TMC

পরবর্তী খবর