Tmc Independence Day: তৃণমূলের স্বাধীনতা স্লোগান, 'জিতবে ত্রিপুরা'! BJP-র থেকে 'মুক্তি'র প্রতিশ্রুতি

তৃণমূলের টার্গেট ত্রিপুরা

Tmc Independence Day: তৃণমূল সাংসদরা জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি এদিন দলীয় পতাকাও উত্তোলন করেন ত্রিপুরায়।

  • Share this:

#আগরতলা: ত্রিপুরায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান পালন ঘিরেও 'আমরা-ওরা' বিতর্ক। দুই প্রধান রাজনৈতিক দল নিজেদের মতো করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করলেও রাজনৈতিক আক্রমণ করতে ছাড়েনি একে অপরকে৷ স্বাধীনতা দিবসের সকালে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার উত্তর বনমালীপুরে তৃণমূল নেতা সুবল ভৌমিকের বাড়ির সামনে স্বাধীনতা দিবসের পতাকা উত্তোলন করেন। বেশ কিছু তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী হাজির ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে 'জিতবে ত্রিপুরা' ব্যাকড্রপ বানানো হয়েছে।

তৃণমূল সাংসদরা জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি এদিন দলীয় পতাকাও উত্তোলন করেন। তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন, "এই রাজ্যে স্বাধীনতা বলে কিছু নেই। মানুষ প্রতিদিন অত্যাচারিত হচ্ছে।  মহিলাদের কোনও স্বাধীনতা নেই।  প্রতিনিয়ত তাদের অত্যাচারের স্বীকার হতে হচ্ছে। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও কার্যত পরাধীন এই রাজ্যের মহিলারা। রাজ্যের মানুষের প্রকৃত স্বাধীনতার লক্ষ্যে আমরা এই রাজ্যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।" ত্রিপুরার একাধিক জেলাও সকাল থেকে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা পতাকা উত্তোলন করেন। যুবরাজনগর, দানপুর, ধর্মনগর, আমবাসা সহ একাধিক জায়গায় পতাকা উত্তোলন করা হয়।এদিন ত্রিপুরা রাজ্যের একাধিক জায়গায় ভাগ হয়ে দলীয় কর্মীদের সাথে দেখা ও সাংগঠনিক বৈঠক করেন সাংসদরা। ধর্মনগর যান অর্পিতা ঘোষ ও আবু তাহের। সোনামুড়া যান আবীর রঞ্জন বিশ্বাস ও প্রতিমা মন্ডল। আমবাসায় যান শান্তনু সেন। সাবরুমের নন্দীগ্রামে যান দোলা সেন ও অপরুপা পোদ্দার৷

স্বাধীনতা দিবসের দিনে অবশ্য বিজেপিকে কটাক্ষ করেন তৃণমূল সাংসদরা। সাংসদ দোলা সেন বলেন, এখানের মানুষের কোনও স্বাধীনতা নেই। এমন অবস্থা যে আমাদের গাড়ি, হোটেল কিছুই দেয় না। আসলে মানুষ জবাব দেয়। আশা করি ২০২৩ সালে ত্রিপুরার মানুষ এর জবাব দেবেন। যার ফল পড়বে ২০২৪ সালে। আর এক সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এখানে ফুটবল খেলাটাই উঠিয়ে দিয়েছে। আগরতলায় ফুটবল আর নেই৷ গুন্ডামি, মাতব্বরি করে বেড়াচ্ছে বিজেপি। আমাদের দল এসেছে। ত্রিপুরাতেও খেলা হবে। সব ব্লকেও খেলা হবে৷ প্রতিবাদ আপনাদের মানুষদের করতে হবে। সাংসদ শান্তনু সেন বলেন, বাম ও বিজেপি আমলে পিছিয়ে গেছে এই রাজ্যে। কোনও স্বাধীনতা নেই। সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানিয়েছেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যেই সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার নারী ও মানুষরা৷ ত্রিপুরাও তার ব্যতিক্রম নয়৷

Published by:Suman Biswas
First published: