ঝাঁপিয়ে পড়ল বুকে, মাকে ছাড়তেই চায় না; বাঘের ছানার মধুর ভিডিও ভাইরাল নেটদুনিয়ায়

ভিডিও থেকে ছবি নেওয়া হয়েছে।

মানুষ হোক বা অন্যান্য পশু-পাখি মা, সন্তানের সম্পর্ক সব জায়গায়ই প্রায় একরকম

  • Share this:

মায়ের আঁচলে না কি পৃথিবীর সমস্ত সুখ থাকে, এমনই চলিত কথা রয়েছে। মা পাশে থাকলে অনেক যুদ্ধই অনায়াসে জেতা যায়। আবার মায়ের সংস্পর্শে সেরে যায় একাধিক অসুস্থতা। তাই মা সন্তানকে আগলেই রাখেন। মানুষ হোক বা অন্যান্য পশু-পাখি মা, সন্তানের সম্পর্ক সব জায়গায়ই প্রায় একরকম। আর এমনই এক মা-সন্তানের মিষ্টি ছবি উঠে এল সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে বাঘিনী ও তার ছানাকে দেখে আপ্লুত নেটিজেনদের একাংশ।

সম্প্রতি বন দফতরের আধিকারিক সুশান্ত নন্দ তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। যাতে দেখা যাচ্ছে, একটি বাঘিনী ও তার ছানা খেলা করছে। বাঘিনীকে জড়িয়ে ধরেছে তার ছানা এবং বাঘিনীও তার ছানাকে আলিঙ্গন করছে।

এই ভিডিওটিই ভাইরাল হয় নেটদুনিয়ায়। বহু মানুষ কমেন্ট করতে থাকেন। ৩০ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি পোস্টের সঙ্গে সঙ্গেই ২১০০ লাইক পড়ে। ১৭ হাজার ভিউজ হয়। সুশান্তবাবু ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখেন, হ্যাপিনেস ইজ আ মাদার্স হাগ। সেই ক্যাপশনেই মজেন নেটিজেনদের একাংশ।

অনেকেই লিখতে শুরু করেন মায়ের আলিঙ্গনের সঙ্গে আর কিছুর তুলনা করা যায় না। এটা স্বর্গের মতো। একজন আবার লেখেন, খুবই ভালো ভিডিও। সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসার কোনও সীমা হয় না। নিঃশর্ত ভালোবাসার প্রতীক এই ভিডিও।

আরেকজনও তাঁর সঙ্গে সহমত হয়ে বলেন, মায়ের আলিঙ্গনের সঙ্গে কারও তুলনা করা চলে না। আবার একজন লেখেন, আমার মা সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী। আরেকজন লেখেন, ভীষণ মিষ্টি।

কিছু দিন আগে এমনই এক বন দফতরের আধিকারিকের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে ভাইরাল হয় এক বাঘিনীর মুখ থেকে ধোঁয়া বেরোনোর ভিডিও। আপাতদৃষ্টিতে দেখে মনে হচ্ছিল ওই বাঘিনীটি ধূমপান করছে। কিন্তু পরে বোঝা যায়, একেবারেই না।

জানা যায়, বাঘিনীটিকে একটি কুয়ো থেকে উদ্ধার করে বনে ছেড়ে দিয়ে আসার কাজ করছিলেন বন দফতরের কর্মীরা। রাতের দিকে দেখা যায় তার মুখ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। শীতে আমাদের মুখ থেকেও যেভাবে ধোঁয়া বের হয়, তার মুখ থেকেও সেভাবেই ধোঁয়া বের হচ্ছিল!

Published by:Ananya Chakraborty
First published: