corona virus btn
corona virus btn
Loading

বেঙ্গল সাফারি পার্কে তিন রয়্যাল খুদে

বেঙ্গল সাফারি পার্কে তিন রয়্যাল খুদে
নিজস্ব চিত্র ।

২০১৭-র ২৫ নভেম্বর ওড়িশার নন্দন কানন থেকে আনা হয় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার বিভানকে।

  • Share this:

#শিলিগুড়ি: বেঙ্গল সাফারি পার্কে নতুন অতিথি। তিনটি শাবকের জন্ম দিল শীলা। ১৫ মে জন্ম হয় তিন রয়্যাল-শাবকের। যার মধ্যে একটি সাদা রঙের। শাবকরা ঠিক থাকলে পুজোর আগেই বেঙ্গল সাফারি পার্কের আকর্ষণ হতে চলেছে এই তিন রয়্যাল খুদে।

ক্লান্ত, শ্রান্ত শীলা। শরীর এলিয়ে বিশ্রামে বিদ্যুৎগতি হলুদ ডোরাকাটা। শরীর জুড়ে প্রসব যন্ত্রণার পরের অপার শান্তি। কোলের কাছে তিন, তিনটে খুদে শাবক। মায়ের দুধ খেতে ব্যস্ত। বেঙ্গল সাফারি পার্কের এই তিন নতুন অতিথির জন্য এখন সাজ সাজ রব। ঝোপ-জঙ্গলের ফাঁকে লুকোচুরি। ইতি উতি হলুদ ডোরাকাটার আভাস। কখনও ঘাপটি মেরে থাকা। রয়্যাল মেজাজে শীলা আর স্নেহাশিস ছিল শিলিগুড়ির সালুগাড়ায় বেঙ্গল সাফারি পার্কের অন্যতম আকর্ষণ। দুহাজার ষোল সালের তিরিশে ডিসেম্বর তাদের আনা হয়েছিল ওড়িশার নন্দনকানন থেকে। তারপর থেকে একসঙ্গে। গত মাসেই জানা যায় শীলা অন্তসত্ত্বা। পনেরই মে তিন শাবকের জন্ম দেয় শীলা। তার মধ্যে একটির রঙ সাদা। এই শাবকগুলিকে বাঁচিয়েই রাখাই এখন সাফারি কর্তৃপক্ষের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।

শরীর খুবই দুর্বল। প্রসবের পর থেকে খাওয়া দাওয়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিল শীলা। শনিবার থেকে সামান্য খাওয়া দাওয়া শুরু করেছে। পশুচিকিৎসক ছাড়া এখন কাউকে শীলার ধারেকাছে ঘেঁষতে দেওয়া হচ্ছে না।

২০১৭-র ২৫ নভেম্বর ওড়িশার নন্দন কানন থেকে আনা হয় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার বিভানকে। পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য কিছুদিন তাকে খাঁচাবন্দি করে রাখার পর এই মাসেই সাফারি পার্কে ছাড়া হয়েছে বিভানকে। এক জঙ্গলে দুই শের থাকে না । তাই আপাতত খাঁচাবন্দি স্নেহাশিষ।

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে পুজোর আগেই বেঙ্গল সাফারি পার্কের নয়া আকর্ষণ হতে চলেছে তিন রয়্যাল শাবক।

First published: May 19, 2018, 9:22 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर