দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের খাইয়ে তোপের মুখে রেস্তোরাঁ!‌ দিল্লিতে শুরু বিতর্ক

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের খাইয়ে তোপের মুখে রেস্তোরাঁ!‌ দিল্লিতে শুরু বিতর্ক

কেন রোহিঙ্গাদের খাবার বিতরণ করেছে রেস্তোরাঁ, তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। শুধু প্রশ্ন তোলা নয়, অনেকেই রেটিং কম দিতে শুরু করেছেন একাধিক ফুড অ্যাপে

  • Share this:

কেন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের খাবার বিতরণ করেছে দিল্লির তিনটি রেস্তোরাঁ? তাই নিয়েই যত বিতর্ক। ‌কেন রোহিঙ্গাদের খাবার বিতরণ করেছে রেস্তোরাঁ, তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। শুধু প্রশ্ন তোলা নয়, অনেকেই রেটিং কম দিতে শুরু করেছেন একাধিক ফুড অ্যাপে, যার ফলে ফাঁপড়ে পড়েছে রেস্তোরাঁগুলি। নবরাত্রী উপলক্ষে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে এই বিপদে পড়তে হবে, তা বোধহয় আন্দাজ করতে পারেননি তাঁরা। সাধারণত যে উদ্যোগকে সকল মানুষ সাধুবাদ জানিয়ে থাকেন, সেই উদ্যোগের কারণেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে দিল্লির তিন রেস্তোরাঁকে। আর তাতেই কিছুটা হতাশ রেস্তোরাঁর মালিকেরা। তিনটির মধ্যে প্রথম দুটি রেস্তোরাঁ হল জোশ, দা হাই এনার্জি বার ও শিবম সেহগলের দোকান।

সংবাদসংস্থা একটি ট্যুইট করে এই বিষয়ে খবর করে। সেখানে বলা হয়, দিল্লির রেস্তোরাঁ আনন্দ ভাগ করে নিতে সাধারণ গরিব মানুষের মধ্যে খাবার বিলি করছে। সেখানই শিব সেহগল বলেন, ‘‌আমরা মাঝে মাঝেই বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে জোট বেঁধে সাধারণ গরিব মানুষের মধ্যে আনন্দ ভাগ করে নিতে চেষ্টা করি। এবারেও আমরা তেমনই করেছিলেন। ভাল চিন্তাভাবনা নিয়েই দরিদ্র মানুষের মধ্যে খাবার বণ্টনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সংসবাদ সংস্থার সেই খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই ফেটে পড়েন সাধারণ মানুষ। তাঁরা সকলেই অভিযোগ করে বলেন, যে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা সুযোগ পেলে অন্য ধর্মকে আক্রমণ করে, তাঁদের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার কী আছে?‌’‌ সেখানেই নেটিজেনরা ওই রেস্তোরাঁগুলিকে বয়কট করারও ডাক দেন। তারপর থেকে ফুট অ্যাপে হু হু করে পড়তে থাকে ওই তিন রেস্তোরাঁর রেটিং।

তৃতীয় রেস্তোরাঁরিট নাম স্বাগত। সংবাদসংস্থার ট্যুইটে সেহগলকে বলতে শোনা গিয়েছে, যে খাবারের কোনও ধর্ম নেই। এটি সকলের জন্য প্রাপ্য। সেই কারণেই যাঁদের প্রয়োজন তাঁদের হাতে আমরা এই খাবার তুলে দিচ্ছি। তাঁরাও আমাদের আর সবার মতোই আশীর্বাদ করবেন। ভাববেন আমরা তাঁদেরই লোক।’‌ তবে লোকের ভাল করতে গিয়ে যে আখেরে নিজের ক্ষতি হয়েছে, সে কথা স্বীকার করেছেন রেস্তোরাঁর মালিকেরা। তাঁরা বলেছেন, এর ফলে তাঁদের ব্যবসার অনেকটা ক্ষতি হবে। সেহগল বলেছেন, তিনি ভবিষ্যতে অন্য সম্প্রদায়ের খাবার তুলে দেওয়ার সময় সোশ্যাল মিডিয়া এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন, যাতে আর বিতর্ক না হয়।

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: October 24, 2020, 1:14 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर