মিশন পানি: অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিকের চেষ্টায় বৃষ্টির জলে প্রাণ পাচ্ছে গ্রাম!

মিশন পানি: অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিকের চেষ্টায় বৃষ্টির জলে প্রাণ পাচ্ছে গ্রাম!
ভারতের গ্রামীণ অঞ্চলে জলের সমস্যা মাঝে মধ্যে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে। আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ সব সময় কমতির দিকেই থাকে। তাই এই জাতীয় সমস্যাগুলি সমাধানের একমাত্র উপায় হল প্রাকৃতিক সম্পদের লালনপালনের দিকে নজর দেওয়া।

ভারতের গ্রামীণ অঞ্চলে জলের সমস্যা মাঝে মধ্যে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে। আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ সব সময় কমতির দিকেই থাকে। তাই এই জাতীয় সমস্যাগুলি সমাধানের একমাত্র উপায় হল প্রাকৃতিক সম্পদের লালনপালনের দিকে নজর দেওয়া।

  • Share this:

#পুণে: ভারতের গ্রামীণ অঞ্চলে জলের সমস্যা মাঝে মধ্যে ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করে। আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ সব সময় কমতির দিকেই থাকে। তাই এই জাতীয় সমস্যাগুলি সমাধানের একমাত্র উপায় হল প্রাকৃতিক সম্পদের লালনপালনের দিকে নজর দেওয়া। এরকম একটি সম্ভাব্য পদ্ধতি হল বৃষ্টির জল সংগ্রহ করা। বৃষ্টির জল সংরক্ষণের পদ্ধতি কয়েক দশক ধরে এই দেশে প্রচলিত তবে এখনও এটির সম্পূর্ণ বিকাশ ঘটেনি। যে ব্যক্তি ভারতীয় গ্রামগুলিতে এই প্রক্রিয়াটিকে জীবনরক্ষার সমাধান হিসাবে তৈরি করতে নিজের জীবন উৎসর্গ করছেন তিনি হলেন কর্নেল এসজি দলভি (Colonel SG Dalvi)।

অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিক কর্নেল দালভি ভারতের ক্লাইমেট রিয়্যালিটি প্রোজেক্টের জল সংরক্ষণ বিভাগের জাতীয় সমন্বয়ক। এই প্রাক্তন সেনাসদস্য শত শত গ্রাম জুড়ে জলের মানচিত্র পুনর্নির্মাণের জন্য অবিচ্ছিন্ন ভাবে কাজ করেছেন। গ্রামাঞ্চলে চরম জলের সঙ্কটযুক্ত রাজ্যগুলির মধ্যে একটি হল মহারাষ্ট্র। যদি পুণের কথা ধরি, তা হলে সেখানে পর পর দু'বছর পুণে পৌরসভা (পিএমসি) জল সঙ্কটের মাস হিসাবে ঘোষণা করেছিল। এই সঙ্কট ২০০০ সালের গোড়া থেকেই অব্যাহত রয়েছে, যার জন্য ২০০৭ সালে সমস্ত নতুন ভবন, আবাসিক বা সরকারি বাড়িকে বৃষ্টির জল সংগ্রহ করে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। তবে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য খুব একটা ভারসাম্য কোনওদিনই ছিল না।

হারপিক (Harpick) ও নিউজ ১৮ (News 18)-এর মিশন পানি (Mission Pani) সংক্রান্ত একটা সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে কর্নেল দলভি নিজেই এই নিয়ে কথা বললেন। নীতি আয়োগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতে ৬০০ জন শুধুই জলের জন্য অবসাদগ্রস্ত থাকেন। কর্নেল বলেন যাঁদের জল দরকার, তাঁদেরকে সেটা জোগান দেওয়ার সময় আমরা এটা ভাবি না যে প্রচুর জল আমাদের ছাদেই মজুত আছে।


কিন্তু কর্নেলের প্রচেষ্টার জন্য অনেক কিছুর পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। তিনি বলছেন, এখন কাম খেদা গ্রামে এত বেশি জল রয়েছে যে ছাত্ররা বিদ্যালয়ের সমস্ত গাছগুলিতে জল দিতে পারে। গ্রামবাসীরা কর্নেলের কাছে এতই কৃতজ্ঞ যে তাঁকে জল দূত বা রেন ম্যান নাম দেওয়া হয়েছে। কর্নেল সবার কাছে কাম খেদা গ্রামের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এবং বলেছেন যে যদি এই গ্রামটি আত্মনির্ভর হতে পারে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে জল সংগ্রহ করতে পারে, তাহলে আমাদের সব গ্রামই এমন হতে পারে!

Published by:Piya Banerjee
First published: