Home /News /national /

Pre-Budget Meeting: কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যের বকেয়া ৯৫ হাজার কোটি

Pre-Budget Meeting: কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যের বকেয়া ৯৫ হাজার কোটি

রাজ্যের প্রাপ্য ৯৫ অবিলম্বে মিটিয়ে দিন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের মুখোমুখি হয়ে দাবি জানালেন রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে সব রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের নিয়ে প্রি-বাজেট বৈঠকে বসেছিলেন সীতারামন। সেখানেই এই দাবি তুলেছেন চন্দ্রিমা।

আরও পড়ুন...
  • Share this:

#নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যের প্রাপ্য ৯৫ হাজার কোটি অবিলম্বে মিটিয়ে দিন। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের মুখোমুখি হয়ে দাবি জানালেন রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে সব রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের নিয়ে প্রি-বাজেট বৈঠকে বসেছিলেন সীতারামন। সেখানেই এই দাবি তুলেছেন চন্দ্রিমা।

আরও পড়ুন: রতন টাটার কাঁধে হাত! কে এই ব্যক্তি যাঁকে এত ভালবাসেন '৮৫-র যুবক'!

পাশাপাশি, দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সাধারণ মানুষের হাতে নগদ পৌঁছে দেওয়াই একমাত্র পথ বলে প্রাক বাজেট বৈঠকে মত প্রকাশ করলেন রাজ্যের অর্থ দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রাক বাজেট বৈঠকে তাঁর দাবি, মানুষের হাতে নগদ এলে তবেই বাজারে চাহিদা বাড়বে, ফলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেছেন, করোনা এবং লকডাউনের সময় সারা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যখন নিম্নমুখী, তখন পশ্চিমবঙ্গই একমাত্র রাজ্য, যেখানে অর্থনীতির গতি ভাল ছিল। জিএসটি ক্ষতিপূরণ বাবদ রাজ্যের যে বকেয়া রয়েছে তাও দ্রুত মেটানোর দাবি জানান চন্দ্রিমা।

আরও পড়ুন: মোটেই সুবিধার নয় কলকাতার ওমিক্রন-পরিস্থিতি, চিঠি এল নবান্নে! এরপর...

২০২২ সালের জুন মাসে জিএসটি ক্ষতিপূরণ শেষ হওয়ার পর আরও ৫ বছর সেই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি তোলেন চন্দ্রিমা। বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতার মতো সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পগুলিতে যাতে কেন্দ্রের বরাদ্দের পাশাপাশি কভারেজ আরও বেশি বাড়ানো যায়, সেকথাও বলা হয়েছে রাজ্যের তরফে। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বৈঠকে বলেছেন, বার্ধক্য ভাতার জন্য মোট ধার্য করা হয়েছে ৪০০ টাকা। তারমধ্যে ২০০ টাকা দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। অথচ রাজ্য সরকারের তরফে বার্ধক্যভাতার দরুণ ১,০০০ টাকা করে দেওয়া হয়। ফলে রাজ্যের কোষাগার থেকে অতিরিক্ত ৮০০ টাকা দিতে হচ্ছে। এই সমস্তগুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করার দাবি জানিয়েছেন রাজ্যের অর্থ রাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়াও সরাসরি নগদ সুবিধা দেওয়ার কারণেই পশ্চিমবঙ্গ এই সাফল্য পেয়েছে বলে বলে বৈঠকে জানিয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে তিনি জানিয়েছেন, করোনা, লকডাউনের সময় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো থেকে শুরু করে নানান প্রকল্পের কারণে অনেক টাকা খরচ হওয়ায় রাজ্যের ওপর ঘাড়ে আর্থিক বোঝা চেপেছে। সেই বোঝা কমাতে কেন্দ্রের সহায়তা দাবি করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি  কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন যে প্রকল্প রয়েছে, সেখানে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে। তিনি বলেন, "আগে যে সব প্রকল্পগুলিতে কেন্দ্রের বরাদ্দ ৬০ শতাংশ, ৫০ শতাংশ ছিল,সেগুলি আমরা পরিবর্তন করার দাবি জানিয়েছি। আগে এমন অনেক প্রকল্প ছিল যেগুলিতে ১০০ শতাংশই কেন্দ্রীয় বরাদ্দ ছিল, যেমন খাদ্য সুরক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এসব প্রকল্পে পুরোটাই দিত কেন্দ্র। এখন তারা ৬০ শতাংশ দেয়। এগুলো পরিবর্তন করতে হবে।"

RAJIB CHAKRABORTY

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

Tags: Chandrima Bhattacharya

পরবর্তী খবর