• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • দেশে প্রায় ৭ লক্ষ লোক কোভিড আক্রান্ত, সেখানে মৃত্যুর হার এত কম হয় কী ভাবে?

দেশে প্রায় ৭ লক্ষ লোক কোভিড আক্রান্ত, সেখানে মৃত্যুর হার এত কম হয় কী ভাবে?

সমীক্ষা বলছে যে ভারতে ১০০টি নিশ্চিত কোভিড কেসের মধ্যে মৃত্যুর হার অতি নগণ্য।

সমীক্ষা বলছে যে ভারতে ১০০টি নিশ্চিত কোভিড কেসের মধ্যে মৃত্যুর হার অতি নগণ্য।

সমীক্ষা বলছে যে ভারতে ১০০টি নিশ্চিত কোভিড কেসের মধ্যে মৃত্যুর হার অতি নগণ্য।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ব্যাপারটা খুবই অদ্ভুত এবং আশ্চর্য হয়ে যাওয়ার মতো। ভারতের মতো বিশাল দেশে যেখানে জনসংখ্যা ১.৩ লক্ষ কোটি আর তার মধ্যে প্রায় ৭ লক্ষ লোক কোভিডে আক্রান্ত, সেখানে মৃত্যুর হার এত কম হয় কী ভাবে? আসলে ভারত এই মুহূর্তে করোনা আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বে রয়েছে দুই নম্বরে! অথচ মৃত্যুর হার সেটা মোটেই দর্শাচ্ছে না। তাই এই বিষয়ে যা যা তথ্য আসছে, তা নিয়ে চিন্তায় আছেন গবেষকরা। তবে কি এর আগে যেসব জীবাণু সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল, সেগুলোই প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলেছে তরুণদের মধ্যে?

সমীক্ষা বলছে যে ভারতে ১০০টি নিশ্চিত কোভিড কেসের মধ্যে মৃত্যুর হার অতি নগণ্য। এই সমীক্ষার কাজ করছে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়। ভারতে মৃত্যুর হার মাত্র ১.৫ শতাংশ। অন্যদিকে সেই তুলনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাল বেশ খারাপ। এখানে মৃত্যুর হার ২.৮%। বলা হচ্ছে যে ভারতে তরুণ প্রজন্মের গড় বয়স হল ২৮ বছর। যে সব দেশে বয়স্ক মানুষদের সংখ্যা বেশি তাঁরা মধুমেহ, হার্টের অসুখ ইত্যাদি থাকায় অতি দ্রুত করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। কিন্তু ভারতে অল্পবয়সীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় সেই আশঙ্কা অনেকটাই কম। যদি এই পরিস্থিতি ফ্রান্সের সঙ্গে তুলনা করা যায় তা হলে দেখা যাবে ফ্রান্সের জনসংখ্যার গড় বয়স ৪২ আর তাই সেখানে মৃত্যুর হারও অনেক বেশি।

ভারতে প্রথম করোনা-আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায় জানুয়ারি মাসে। আর সেটাই এক লাফে ১০০ হয়ে যায় মার্চে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আর কোনও ঝুঁকি না নিয়ে মার্চ থেকেই দেশজুড়ে লকডাউন শুরু করেন। গবেষকরা মনে করছেন এই সিদ্ধান্তের ফলেই করোনার গতি ভারতে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা গিয়েছে। গবেষক ও চিকিৎসকরাও এই সময়টা কাজে লাগিয়ে অন্য দেশের থেকে শিক্ষা নিতে পেরেছেন।

পাশাপাশি জীবাণুবিদ টি জেকব জন এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এর আগে ডেঙ্গু ও অন্যান্য রোগের আক্রমণের ফলে ভারতীয়দের শরীরে ইতিমধ্যেই অ্যান্টিবডি গড়ে উঠেছে। তবে কী ভাবে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠল বা উঠতে পারে এই নিয়ে আরও গবেষণা দরকার।

তবে এ নিয়ে এক সমস্যারও উল্লেখ করেছেন গবেষকরা। তা হল যে ভারতে জনসংখ্যার ৭০% গ্রামে থাকে, আর সেখানে কোভিডে মৃত্যু হলে সেটা সঠিক ভাবে নথিবদ্ধ করা হচ্ছে না। আবার শহরে দেখা যাচ্ছে শ্মশানে যে সব কোভিড আক্রান্তের দেহ আসছে তার সঙ্গে অন্যান্য তথ্য মিলছে না। এর জন্য আরও বেশি করে পরীক্ষা করতে হবে! ক'জনের মৃত্যু হল রাখতে হবে তার সঠিক হিসেব! পাশাপাশি মৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত করে দেখতে হবে রোগীর কোভিড ছিল কি না- এ দাবিও তুলছেন গবেষকরা!

First published: