corona virus btn
corona virus btn
Loading

আনারস নয় বাজি ভর্তি নারকেল খেয়েছিল গর্ভবতী হাতিটি, ইচ্ছাকৃত খুন নয়, জানাল পুলিশ

আনারস নয় বাজি ভর্তি নারকেল খেয়েছিল গর্ভবতী হাতিটি, ইচ্ছাকৃত খুন নয়, জানাল পুলিশ

হাতি মৃত্যুর তদন্ত করছে বনদফতর ও পুলিশ। হাতিটিকে বাজি ভর্তি ফল কেউ ইচ্ছা করে খাইয়ে দিয়েছিল, এ রকম কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

  • Share this:

#কেরল: আনারস নয়। বাজি ভরতি নারকেল খেয়েছিল কেরলের অন্তঃসত্ত্বা হাতি। পলাক্কর জেলায় ফসলের খেতে বুনো শুয়োর তাড়াতে বাজি ভরতি ফল রেখে দেওয়া হয়। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট বলছে, মুখের ভিতর বাজি ফেটে চোয়াল জখম হওয়ায় হাতিটি দু’সপ্তাহ খেতে পারেনি। কিন্তু বাজি ভরতি ফল হাতিটিকে কেউ খাইয়ে দেয়, এরকম কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। ফসলের খেতে বাজি ভরতি ফল রাখায় গ্রেফতার তিন।

- হাতি মৃত্যুর প্রকৃত তথ্য

- ইচ্ছে করে নয়, দুর্ঘটনায় হাতির মৃত্যু

- আনারস নয়, বাজি ভরতি নারকেল খায় হাতিটি

কেরলের পলাক্করে অন্তঃসত্ত্বা ক্ষুধার্ত হাতিকে বাজি ঠাসা আনারস খাইয়ে খুনের অভিযোগ। বনকর্তা মোহন কৃষ্ণনের সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন,

হাতি মৃত্যুতে বনকর্তার পোস্ট

---------------------------

আনারস বা অন্য কোনও ফল খাওয়ার পর যখন তা ফেটে যায় তখন মা হাতি নিজেকে নিয়ে চিন্তিত হয়নি। বরং, ১৮ থেকে ২০ মাস পরে যে সন্তানের সে জন্ম দিত, তার কথা ভেবেছিল। এরপরেই সোশাল মিডিয়া তোলপাড়। ২৭ মে ভেলিয়ার নদী থেকে হাতির দেহ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে,

কীভাবে হাতির মৃত্যু?

- মুখের ভিতর বাজি ফেটে যাওয়ায় হাতির চোয়াল মারাত্মক জখম হয়ে ঘা হয়ে যায়

- যার জেরে শেষ হাতিটি দু’সপ্তাহ খাবার ও জল খেতে পারেনি

- নদীতে হাতিটি ডুবে থাকার সময় ফুসফুসে জল ঢুকে যায়

- দুর্বল হাতিটি ধীরে ধীরে মারা যায়

- হাতিটি ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল

- হাতির মৃতদেহে কোনও বুলেট পাওয়া যায়নি

হাতি মৃত্যুর তদন্ত করছে বনদফতর ও পুলিশ। হাতিটিকে বাজি ভর্তি ফল কেউ খাইয়ে দিয়েছিল, এ রকম কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।

- কেরলে হামেশাই ফসল খেতে বুনো শুয়োর, বানর ও নীলগাই হানা দেয়

- কেরল সরকারের নির্দেশিকা, কোনও প্রাণী ফসলের অত্যন্ত ক্ষতি করলে বনদফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে

- ফসলের ক্ষতি করে এমন প্রাণীকে নিয়ন্ত্রিত সংখ্যায় মেরে ফেলতে পারে বনদফতর

- ১৯৭২ সালের বন্যপ্রাণ আইনের ৬২ নম্বর ধারাতেই এর উল্লেখ আছে

- ১৫ মে বনদফতর কেরলেই একটি বুনো শুয়োরকে গুলি করে মারে

- কৃষকরা অনেকসময় নিজেরাই ফসল খেতে বাজি ভরতি ফল রেখে দেন, যা বেআইনি ।

সম্ভবত, পলাক্করে বুনো শুয়োর তাড়াতে বাজি ভরতি নারকেল রেখে দেওয়া হয়। সেই ফল খেয়েই দুর্ঘটনা। ইতিমধ্যেই হাতি মৃত্যুতে গ্রেফতার তিন । আবদুল করিম, তাঁর ছেলে রিয়াজুদ্দিন ও উইলসন নামে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে ।

কেরল, কর্নাটক, তামিলনাড়ুতে হাতির সংখ্যা প্রচুর। লকডাউনে এমনিতেই পশুপাখিদের খাবারে টান। কৃষকরাও ক্ষতির মুখে। তার মধ্যেই মানুষ-বন্যপ্রাণ সংঘাত। তথ্য বলছে, প্রতি বছর মানুষ-বন্যপ্রাণ সংঘাতে দেশে ৬০-৬৫ হাতি মারা যায় । প্রতি বছর লোকালয়ে হাতির আক্রমণে কয়েকশো মানুষের মৃত্যু হয়

বনকর্তা মোহন কৃষ্ণনের সোশাল মিডিয়া পোস্টে উল্লেখ ছিল, বাজি ভরতি আনারস বা অন্য কোনও ফল খেয়েছিল হাতিটি। অর্থাৎ যে আনারস খেয়েই হাতির মৃত্যুর হয়েছে কি না, বনকর্তাও নিজেও নিশ্চিত ছিলেন না।

Published by: Simli Raha
First published: June 6, 2020, 2:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर