corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিষ খাইয়ে যারা শয়ে শয়ে বাঁদর মেরেছিল, তারাই আজ হাতির শোকে স্তব্ধ!

বিষ খাইয়ে যারা শয়ে শয়ে বাঁদর মেরেছিল, তারাই আজ হাতির শোকে স্তব্ধ!
গোটা ২০১৯ সাল জুড়ে হিমাচলে বারবার বিষ দিয়ে বাঁদর মারার ঘটনা সামনে এসেছে। File Photo

এমনকী সরকারে তরফে বাঁদর ধরার জন্য ৩ হাজার টাকা করে দেওয়াও হয়েছিল হিমাচলে। শুধু ২০১৯ সালে ১ লক্ষ ৫৭ হাজার বাঁদরের নির্বীজিকরণ করা হয়।

  • Share this:

বাজি ভরা আনারস খেয়ে কেরলের হাতিটির মৃত্যু গোটা দেশের পরিবেশ ও বন্যপ্রাণপ্রেমীদের বিহ্বল করে দিয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলছেন সকলে। তদন্তের আশ্বাসও এসেছে কেন্দ্রের তরফেও। ঠিক এই সময়েই অন্য একটি তিক্ত প্রশ্ন উঠে আসছে। যারা বিষ খাইয়ে শয়ে শয়ে বাঁদর হত্যা করে, সেই হত্যার কথা ফলাও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে, তাঁদের চোখের জল কতটা আসল, নাকি আদতে তা কুম্ভীরাশ্রু, এই প্রশ্নই করছেন পরিবেশপ্রেমীরা।

প্রশ্নটিও একেবারে উড়িয়ে দেওয়ার নয়। গোটা ২০১৯ সাল জুড়ে হিমাচলে বারবার বিষ দিয়ে বাঁদর মারার ঘটনা সামনে এসেছে। শিমলার রাস্তায় একশোর বেশি মৃত বাঁদর পাওয়া গিয়েছে। এ বছর মে মাসেও কুফরি ন্যাশানাল পার্কে বেশ কয়েকটি মৃত বাঁদর পাওয়া যায়। ময়নাতদন্তে দেখা যায়, তাদের শরীরে বিষ ছিল। পরিকল্পিত ভাবেই খুন করা হয়েছিল বাঁদরগুলিকে। কিন্তু আজও কে বা কারা এই কাজ করেছে তা সামনে আসেনি।‌‌

এমনকী সরকারে তরফে বাঁদর ধরার জন্য ৩ হাজার টাকা করে দেওয়াও হয়েছিল হিমাচলে। শুধু ২০১৯ সালে ১ লক্ষ ৫৭ হাজার বাঁদরের

নির্বীজিকরণ করা হয় এই রাজ্যে।

অনেকের যুক্তি, প্রায়শই শস্যের ক্ষতি করে বাঁদরের দল। তাই তাদের মেরে ফেলাই শ্রেয়। পরিবেশপ্রেমীরা অবশ্য এই ভাবে বাঁদর মারাকেও চূড়ান্ত হিংসাই বলছেন। তাঁদের মতে কখনও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে এই বাঁদরদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, বনে ফেরানোরও কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি এই বাঁদরদের।

Published by: Arka Deb
First published: June 4, 2020, 2:48 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर