মেয়ের দেহ জড়িয়ে কান্নারত বাবা, তাকে সরাতে পুলিশের লাথি! ভাইরাল ভিডিওয়ে নিন্দা...

মেয়ের দেহ জড়িয়ে কান্নারত বাবা, তাকে সরাতে পুলিশের লাথি! ভাইরাল ভিডিওয়ে নিন্দা...

এমনই ভিডিও সামনে আসতে পুলিশের এমন ব্যবহার নিয়ে রীতিমতো নিন্দার ঝড় ওঠে৷ পরে পুলিশের তরফ থেকে এর জন্য যুক্তিও পেশ করা হয়৷

  • Share this:

#হায়দরাবাদ: সদ্য মার গিয়েছেন মেয়ে৷ মেয়ের নিথর দেহ জড়িয়ে কেঁদে ভাসাচ্ছেন বাবা৷ আর সেই শোকের মুহূর্তেই তাকে খেতে হচ্ছে একের পর এক লাথি! ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই উঠেছে নিন্দার ঝড়৷ এই ভিডিওটি খুবই মর্মান্তিক৷ তেলেঙ্গানা পুলিশের এমন ব্যবহারে খুবই বিস্মিত সাধারণ জনতা৷ মেয়ের মৃত্যুতে বাবা শোক প্রকাশ করছেন এবং সেই সময় বৃদ্ধের সঙ্গে এমন আচরণ কেন? এই প্রশ্ন তুলছেন আম জনতা৷

ঘটনা তেলেঙ্গানার ভেলিমালার৷ নারায়ণ আবাসিক কলেজের ১৭ বছরের ছাত্রী আত্মহত্যা করেন৷ যদিও পরিবারের দাবি কলেজ কর্তৃপক্ষই এই হত্যার পিছনে রয়েছে৷ ছাত্রীর মা জানিয়েছেন যে বেশকিছু দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন তাদের সন্তান৷ তবে হস্টেল কোনও খেয়ালই করেনি৷ বারবার করা সত্ত্বেও তাদের মেয়ের প্রতি কোনও দেখভালই করেননি হস্টেল কর্তৃপক্ষ, এমনই অভিযোগ৷

এই ঘটনার পর মেয়ের দেহ আটকে রাখে তার পরিবার৷ কোনওভাবে ময়নাতদন্ত পাঠাতে চায়নি দেহ৷ হস্টেল থেকে মেয়ের দেহ সরাতে চাইলে বাধা দেন তার বাবা৷ প্রতিবাদ করতে থাকেন এবং মেয়ের মৃত্যুর বিচার চাইতে থাকেন তারা৷ কান্নায় ভেঙে পড়ে জড়িয়ে ধরে থাকেন সন্তানের দেহ৷ তখনই তেলেঙ্গানা পুলিশের কনস্টাবল এসে তাকে লাথি মারতে থাকে৷ কনস্টবলের নাম শ্রীধর৷

এমনই ভিডিও সামনে আসতে পুলিশের এমন ব্যবহার নিয়ে রীতিমতো নিন্দার ঝড় ওঠে৷ পরে পুলিশের তরফ থেকে এর জন্য যুক্তিও পেশ করা হয়৷ জানানো হয় যে যাতে নিজেদের হাতে কোনও ভাবে আইন না তুলে নেন শোকগ্রস্থ পরিবার, তাই তাদের জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল৷ তবে এ যুক্তি মানতে নারাজ নেটিজেনরা৷ মেয়ের মৃত্যুতে বৃদ্ধ বাবার সঙ্গে এমন ব্যবহার করা উচিৎ নয় বলেই মত সকলের৷

First published: February 27, 2020, 4:21 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर