ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করেছিলেন, মায়ের চিত্‍কার কান্নায় চোখ খুলল 'ব্রেন ডেড' ছেলে

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৬ জুন৷ ১৮ বছর বয়সি গন্ধম করিনের প্রবল জ্বর আসে৷ সঙ্গে বমি৷ অবস্থা দ্রুত খারাপ হতে শুরু করে৷ তাকে ভর্তি করা হয় জেলা হাসপাতালে৷ ২৮ জুন গন্ধমের শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে৷ গন্ধমকে নিয়ে পরিবারের লোকেরা হায়দরাবাদ নিয়ে যান৷

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jul 10, 2019 04:24 PM IST
ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করেছিলেন, মায়ের চিত্‍কার কান্নায় চোখ খুলল 'ব্রেন ডেড' ছেলে
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jul 10, 2019 04:24 PM IST

#হায়দরাবাদ: ডাক্তাররা ব্রেন ডেথ ঘোষণা করে দিয়েছিলেন ১৮ যুবককে৷ বাঁচার আশা ওখানেই শেষ৷ চিকিত্‍‌সকরা এরপরই পরিবারের লোকজনকে ডাক্তাররা বলে দেন, মারা গিয়েছে রোগী৷ অন্তিম সংস্কারের প্রস্তুতিও শুরু করে দেন পরিবারের লোকেরা৷ হঠাত্‍‌ বিস্ময়! ছেলের নাম ধরে চেঁচিয়ে কেঁদে উঠলেন মা৷ মৃত ঘোষণা করা ছেলে চোখ মেলল৷ আশ্চর্য ঘটনাটির সাক্ষী তেলঙ্গানার সূর্যপেট৷

ছবিটি সংগৃহীত ছবিটি সংগৃহীত

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৬ জুন৷ ১৮ বছর বয়সি গন্ধম করিনের প্রবল জ্বর আসে৷ সঙ্গে বমি৷ অবস্থা দ্রুত খারাপ হতে শুরু করে৷ তাকে ভর্তি করা হয় জেলা হাসপাতালে৷ ২৮ জুন গন্ধমের শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে৷ গন্ধমকে নিয়ে পরিবারের লোকেরা হায়দরাবাদ নিয়ে যান৷

হায়দরাবাদে একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় গন্ধমকে৷ দামি হাসপাতালে প্রতিদিন বিল বাড়তে থাকে৷ শেষ পর্যন্ত ৩ জুলাই হাসপাতাল ঘোষণা করে, গন্ধমের ব্রেন ডেড হয়ে গিয়েছে৷ আর বাঁচার কোনও আশাই নেই৷ এরপর গন্ধমকে নিয়ে গ্রামে ফেরেন আত্মীয়রা৷ গ্রামের বাড়িতে শেষকৃত্যের প্রস্তুতি শুরু হয়৷ মাটিতে রাখা ছিল দেহটি৷ ছেলের দেহের পাশে বসে চেঁচিয়ে কেঁদে ওঠেন মা৷ মায়ের কান্নার পরেই হাত-পা নাড়াতে শুরু করে গন্ধম৷ সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় ডাক্তারকে৷

ডাক্তার জানান, গন্ধম বেঁচে রয়েছে৷ এমনকী বর্তমানে সুস্থ হয়ে উঠছে দ্রুত৷ গোটা ঘটনার কোনও ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছেন না চিকিত্‍‌সকরা৷

First published: 04:24:46 PM Jul 10, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर