বায়ুসেনার মেরুদন্ড হতে চলেছে তেজস মার্ক-১এ, দাবি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

বায়ুসেনার মেরুদন্ড  হতে চলেছে তেজস মার্ক-১এ, দাবি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ জানিয়েছেন, ৮৩টি তেজস মার্ক-১এ কেনার জন্য খরচ হবে ৪৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে দশটি বিমান ট্রেনিং দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ জানিয়েছেন, ৮৩টি তেজস মার্ক-১এ কেনার জন্য খরচ হবে ৪৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে দশটি বিমান ট্রেনিং দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে।

  • Share this:

    #বেঙ্গালুরু: সামরিক ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হতে হবে ভারতকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই বার্তা দিয়েছেন বহুদিন আগেই। সেই মত আগেই ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল ভারী অস্ত্রশস্ত্র সহ বেশ কিছু জিনিস আর বিদেশ থেকে আমদানি করা হবে না। একশোটি অস্ত্র ছিল এই তালিকায়। অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরি এবং ডিআরডিও মত দেশীয় সংস্থার হাতে স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, কারবাইন, মর্টার এবং আরও আধুনিক সরঞ্জাম তৈরির দায়িত্ব তুলে দিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সেই মত কাজ এগিয়েছে বা এগোচ্ছে। এবার স্বনির্ভর ভারতের আরও বড় ছবি সামনে এল। সামরিক ক্ষেত্রে এক নতুন ইতিহাস তৈরি হতে চলেছে। ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য বুধবার সিসিএস-এর বৈঠকে প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্যালস লিমিটেড’ (হ্যাল) থেকে তেজসের উন্নততর সংস্করণ মার্ক-১এ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ জানিয়েছেন, ৮৩টি তেজস মার্ক-১এ কেনার জন্য খরচ হবে ৪৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে দশটি বিমান ট্রেনিং দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। তাঁর টুইট, ‘এই চুক্তি দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদন ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতার পথে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে’। তিনি জানান, তেজসের নয়া সংস্করণ আগামী দিনে ভারতীয় বায়ুসেনার মেরুদণ্ড হবে। আগামী ৬ থেকে ৭ বছরের মধ্যে তেজস মার্ক-১এ স্কোয়াড্রনগুলি ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দেবে। এই মুহূর্তে নতুন প্রযুক্তিতে তৈরি এই বিমানে পঞ্চাশ শতাংশ ভারতীয় জিনিস ব্যবহার করা হয়েছে। পরে যন্ত্রাংশ তৈরির ক্ষেত্রে আরও বেশি করে ভারতীয় জিনিস ব্যবহারের চেষ্টা হবে। তবে ইঞ্জিন মার্কিন সংস্থা জেনারেল ইলেকট্রনিক্সের।

    সূত্রের খবর এতদিন যে তেজস বায়ুসেনা ব্যবহার করত, নতুন সংস্করণে তার থেকে প্রায় চল্লিশটি নতুন জিনিস যোগ করা হয়েছে। আকাশপথে তেল ভরা সম্ভব, যা আগে ছিল না এই বিমানে। এছাড়াও বিভিআর অর্থাৎ চোখে না দেখা গেলেও আকাশপথে কমপক্ষে কুড়ি, তিরিশ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত করার ক্ষমতা, এছাড়াও আধুনিক ককপিট এবং উন্নত জিপিএস এবং রাডার লাগানো হয়েছে এই সংস্করণে। বাড়ানো হয়েছে অস্ত্র বহন করার ক্ষমতা। প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং বিমান বাহিনী ইতিমধ্যেই এই পদক্ষেপকে ভারতীয় বায়ুসেনার ইতিহাসে নতুন অধ্যায় বলে উল্লেখ করেছেন।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: