বিদেশের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে চাষাবাদ, এখন কোটি টাকা আয় সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়র যুগলের!

বিদেশের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে চাষাবাদ, এখন কোটি টাকা আয় সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়র যুগলের!

নিউজিল্যান্ডের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে চাষাবাদ, বছরে কয়েক কোটি আয় সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়র যুগলের!

১০ একর থেকেই মাত্র ৭ বছরে আজ ১৫০ একরে পৌঁছেছেন তাঁরা। বর্তমানে ১৫০ একর জমিতে চাষ হয়। লাভের পরিমাণও ভালোই।

  • Share this:

#হায়দরাবাদ: চাকরি করতেন নিউজিল্যান্ডের MNC-তে। দেশে ফিরে চাষ করে আজ বছরে আয় কয়েক কোটি। গত কয়েক বছরে বেড়েছে ব্যবসা। ভালো রকম লাভের মুখ দেখেছেন তাঁরা। প্রযুক্তিবিদ্যার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই আজ এই ক্ষেত্রে বাজিমাত হায়দরাবাদের যুগলের।

শুরুটা হয়েছিল ২০১৩ সালে। সে সময়ে প্রায় ১৮ বছর নিউজিল্যান্ডে কাটিয়ে ফেলেছেন সচিন দরবারওয়ার ও তাঁর স্ত্রী শ্বেতা। দু'জনেই পেশায় ছিলেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়র। নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন জায়গায় কাজ করার পর, বিভিন্ন সংস্থায় কাজ করার পর তাঁরা দেশে ফিরতে চান। কোথাও সেই কাজ আর ভালো লাগছিল না।

দেশে ফিরে সঞ্চয়ের টাকায় হায়দরাবাদের সমীরপেটে ১০ একর জমির উপর চাষ শুরু করেন। সিম্পলি ফ্রেশ ব্র্যান্ড নামে বাজারে বিক্রি হতে থাকে তাঁদের সবজি। বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করতে শুরু করেন তাঁরা।

সেই ১০ একর থেকেই মাত্র ৭ বছরে আজ ১৫০ একরে পৌঁছেছেন তাঁরা। বর্তমানে ১৫০ একর জমিতে চাষ হয়। লাভের পরিমাণও ভালোই।

এ বিষয়ে সচিন নিউজ ১৮-কে জানান, আমরা নিউজিল্যান্ডে ১৮ বছর কাজ করেছি। কিন্তু শেষের দিকে কাজ করে সেই আনন্দ পাচ্ছিলাম না। তাই আমরা দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু দেশে ফিরে তো কিছু করতে হবে, সেই ভাবনা থেকেই চাষের কাজ করব, এই কথা মাথায় আসে।

তিনি আরও বলেন, ২০১৩ সালে ১০ একর জমি দিয়ে পথ চলা শুরু হয়। আমরা যখন এই কাজ শুরু করব ভাবি, তখন অনেক ভাবনা মাথায় এসেছিল, ব্যবসায়িক কিছু সমস্যাও ছিল। কিন্তু আজ প্রতি দিন আট হাজার কেজি সবজি প্রস্তুত হয় আমাদের খামারে।

এ বিষয়ে শ্বেতা জানান, ২০১৭ থেকে ১৮, এই সময়ে আমাদের অনেকটা লাভ হয়। যাতে আমরা সমীরপেটের পাশাপাশি তেলঙ্গানার অর্জুনপাতলার সিদ্দিপেটে আরেকটা খামার তৈরি করি। এই দুই খামার মিলিয়ে যা সবজি তৈরি হয়, তা বছরে ২ মিলিয়ন কেজির কাছাকাছি। আমরা অটোমেটিক গ্রিনহাউজ ব্যবহার করি খামারে, যাতে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে ভিতরের তাপমাত্রার সামঞ্জস্য থাকে।

নিজেদের ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একাধিক প্রযুক্তি এই খামার দু'টিতে ব্যবহার করেছেন তাঁরা।

গার্গী দাস

First published: