• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • TEARS OF FARMER LEADER RAKESH TIKAIT CHANGED THE SCENARIO OF FARMER PROTEST SWD

কান্নায় ভেঙে পড়লেন কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইট! ভাঙতে বসা আন্দোলন ফের জোড়া লাগল

কাঁদতে কাঁদকে এদিন তিনি বলেন, প্রয়োজনে আত্মহত্যা করতেও তিনি রাজি। পুলিশের গুলি খেতেও রাজি। কিন‌্তু কোনও ভাবেই আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়াবেন না। এই আর্তি শুনেই আবার আন্দোলন থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেওয়া কৃষকরা ফিরতে থাকেন।

কাঁদতে কাঁদকে এদিন তিনি বলেন, প্রয়োজনে আত্মহত্যা করতেও তিনি রাজি। পুলিশের গুলি খেতেও রাজি। কিন‌্তু কোনও ভাবেই আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়াবেন না। এই আর্তি শুনেই আবার আন্দোলন থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেওয়া কৃষকরা ফিরতে থাকেন।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: বৃহস্পতিবার সন্ধেয় সংবাদমাধ্যমের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন কৃষক নেতা রাকেষ টিকাইট। মুজাফফরনগরে সিসাউলি গ্রামে এদিন তিনি দাবি করেন, যে বিজেপি তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। ভারতীয় কৃষক ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকাইটের সমর্থনে দাঁড়িয়েছেন ৫০০০ জন শ্রমিক। অর্থাৎ বলা যায়, রাকেশ টিকাইটের কান্নাই আন্দোলনকে আবার আগের জায়গায় ফিরিয়ে আনল।

    প্রথম দিন থেকে সক্রিয় ভাবে কৃষক আন্দোলনে সামিল হন রাকেশ। কেন্দ্রের কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে বিগত দুমাস ধরে আন্দোলন করছেন তিনিও। কিন্তু সাধারণতন্ত্র দিবসে কৃষক আন্দোলনের ট্রাক্টর মিছিল চরম রূপ নেয়। হিংসা ছড়ায় রাজধানীতে। এর পরে বহু কৃষকই এই আন্দোলন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে থাকেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের সামনে রাকেশের অশ্রুবিহ্বল আকুতি আবার আন্দোলনে ছন্দ ফেরায়।

    সাধারণতন্ত্র দিবসে লালকেল্লায় ধুন্ধুমার কাণ্ডের পরেই প্রশ্নের মুখে পড়েন কৃষকরা। এই ঘটনার জেরেই বৃহস্পতিবার দিল্লির গাজিপুর সীমান্ত থেকে কৃষকদের সরিয়ে দেওযার নির্দেশ দেয় যোগী সরকার। মোতায়েন হয় নিরাপত্তা বাহিনী। কিন্তু তখনই সংবাদমাধ্যমের সামনে ভারতীয় কিসান ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকাইটের কান্না ঘটনায় পাশা উল্টে দেয়।

    কাঁদতে কাঁদকে এদিন তিনি বলেন, প্রয়োজনে আত্মহত্যা করতেও তিনি রাজি। পুলিশের গুলি খেতেও রাজি। কিন‌্তু কোনও ভাবেই আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়াবেন না। এই আর্তি শুনেই আবার আন্দোলন থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেওয়া কৃষকরা ফিরতে থাকেন। রাকেশ টিকাইটের সেই ভিডিও মুহূর্তে ভাইরাল হতেই ফের আন্দোলনে যোগ দিতে থাকেন কৃষকরা।

    গাজিপুর সীমান্ত থেকে আন্দোলন সরিয়ে ফেলার নির্দেশ আসার পরে পুলিশ ও নিরাপত্তারক্ষীতে ছেয়ে যায় এলাকা। সেই সময়েই সেখানে পৌঁছন রাকেশ। ট্রাক্টর মিছিল ঘিরে অশান্তির ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগও রয়েছে। কিন্তু তবুও নিজেদের দাবিতে অনড়় বলেই জানান তিনি। বলেন কেন্দ্রের তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থামবে না। দরকারে অনশন করতেও প্রস্তুত বলে তিনি জানান। দাবি করেন, বিজেপি ষড়যন্ত্র করে এই আন্দোলন নষ্ট করে দিতে চাইছে।

    যে কৃষকরা অশান্তি দেখে আন্দোলন থেকে সরে যাচ্ছিলেন, সেই কৃষকরাই রাকেশের চোখের জল দেখে ফের ফিরে আসতে শুরু করেনষ বিভিন্ন রাজ্য থেকে ফের তাঁরা গাজিপুরে আসা শুরু করেন। আর তার পর থেরেই যোগী সরকারের রাস্তা খালি করার নির্দেশ আসার পরেও আন্দোলন চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: