• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • TEACHERS CLIMB TREE TO CATCH INTERNET AT JHARKHANDS PALAMAU VILLAGE FOR BIO METRIC ATTENDANCE

স্কুলের হাজিরা দিতে এখানে প্রতিদিন গাছে চড়তে হয় শিক্ষকদের!

সে কারণেই বায়োমেট্রিক যন্ত্রটি রাখা হয় স্কুলের একটি পলাশ গাছের মাথায় ৷ গাছের ডাল বেয়ে উপরে উঠে সেখানে ট্যাবলেট বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা দেন স্কুল শিক্ষকরা ৷

সে কারণেই বায়োমেট্রিক যন্ত্রটি রাখা হয় স্কুলের একটি পলাশ গাছের মাথায় ৷ গাছের ডাল বেয়ে উপরে উঠে সেখানে ট্যাবলেট বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা দেন স্কুল শিক্ষকরা ৷

  • Share this:

    #পালামৌ: এমন ঘটনা কেউ শুনেছেন? যেখান আম বা পেয়ারা খেতে নয়, স্কুলে উপস্থিতির হাজিরা দিতে গাছে চড়েন শিক্ষকরা! কিন্তু কেমন এমন অদ্ভুত নিয়ম? আসলে এই নিয়ম কিছুটা অলিখিত ৷ কারণ ঝাড়খণ্ডের পালামৌ জেলার সোহরি খাস গ্রামের সরকারি স্কুলে ইন্টারনেট পরিষেবা এতটাই খারাপ যে গাছের মাথায় না উঠলে তা পাওয়া যায় না ৷ অথচ স্কুলের হাজিরা দিতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির ব্যবহার করা বাদ্ধতামূলক ৷ সে কারণেই বায়োমেট্রিক যন্ত্রটি রাখা হয় স্কুলের একটি পলাশ গাছের মাথায় ৷ গাছের ডাল বেয়ে উপরে উঠে সেখানে ট্যাবলেট বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা দেন স্কুল শিক্ষকরা ৷ স্কুলের বিজ্ঞান শিক্ষক অর্পণ কুমার গুপ্তা জানিয়েছেন, আমাদের স্কুল চত্বরে ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া যায় না। গাছে উঠলে তবু অতি দুর্বল ২জি ইন্টারনেট পরিষেবা মেলে। তা-ও বিশেষ ভরসার নয়। তবে স্কুল সিক্ষকদের অনেকেরই বয়স চল্লিশের কোঠায় ৷ যাঁরা একেবারেই গাছে উঠতে পারেন না তাঁরা হাজিরা খাতায় সই করেন ৷

    teacher1 দু’রকমের হাজিরা ব্যবস্থা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে স্কুলের কর্মীদের ৷ ২০১৭ সালে মুখ্যমন্ত্রী রঘুবীর দাস প্রবর্তিত জ্ঞানোদয় প্রকল্পের অধীনে প্রতিটি সরকারি স্কুলে হাজিরার জন্য ট্যাবলেট বণ্টন করে প্রশাসন। ডিভাইসগুলিতে ই-বিদ্যা বাহিনী অ্যাপ প্রি-ইনস্টল করা ছিল। এ অ্যাপের সাহায্যেই নিয়মিত শিক্ষকদের বায়োমে্রিক হাজিরা নথিভুক্ত হয়। পাশাপাশি হিসাব পাওয়া যায় স্কুলে ভর্তি ও স্কুলছুটের সংখ্যা।

    শুধু তাই নয়, এ অ্যাপের মাধ্যমে ছাত্রদের বার্ষিক রিপোর্ট, শিক্ষাগত অগ্রগতি এবং স্কুল পরিদর্শনের খতিয়ানও নথিভুক্ত করা হয়। এর পরে মিড ডে মিলের হিসাব রাখতে নতুন একটি অ্যাপও চালু করে সরকার। ৮০০ ছাত্রের সোহরি খাসের স্কুলটি ট্যাবলেট পায় গত ২৫ সেপ্টেম্বর।

    যে সমস্ত স্কুলে ছাত্র সংখ্যা ২০১ থেকে ১০০০, তাদের দুটি ট্যাবলেট দেয়া হয়েছে। যেসব স্কুলের ছাত্র সংখ্যা ১০০১ থেকে ২০০-এর মধ্যে, তাদের ৩টি এবং যাদের ছাত্র সংখ্যা ২০০০ তাদের ৪টি ট্যাবলেট দেয়া হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের ৩৫,০০০ যোগ্য স্কুলের মধ্যে এর মধ্যে ট্যাবলেট পেয়েছে ২০,০০০ এর বেশি স্কুল। কিন্তু প্রকল্পের গতিপথ রোধ করেছে দুর্বল ইন্টারনেট সংযোগ।

    First published: