দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী প্রশংসিত সারমেয় রাকেশ, পূর্ণ মর্যাদায় সম্পূর্ণ হল শেষকৃত্য!

প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী প্রশংসিত সারমেয় রাকেশ, পূর্ণ মর্যাদায় সম্পূর্ণ হল শেষকৃত্য!

কেন এই কুকুরটির নাম আলাদা করে উল্লেখ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী? এর পিছনে রয়েছে এক করুণ কাহিনি।

  • Share this:

#নয়া দিল্লি:  প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) মাননীয় নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) তাঁর ‘মন কি বাত’-এ (Mann Ki Baat) এই সারমেয়র কথা উল্লেখ করেছিলেন। সারমেয়টির নাম রাখা হয়েছিল রাকেশ (Rakesh)। গত মঙ্গলবার ইহলোক ত্যাগ করল এই কুকুরটি। প্রভিন্সিয়াল আর্মড কনস্টাবুলারি পারসোনেল বা সংক্ষেপে প্যাক (PAC) এই সারমেয়টির দেখাশোনা করত।

কেন এই কুকুরটির নাম আলাদা করে উল্লেখ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী? এর পিছনে রয়েছে এক করুণ কাহিনি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাম্প্রতিক বক্তব্যে বলেছিলেন যে তিনি তাঁর দেশের মানুষদের উদারতা দেখে মুগ্ধ। যে ভাবে শীতকালে মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে, শীত থেকে বাঁচতে কম্বল দিচ্ছে, সেটা প্রশংসা করার মতো। তিনি এও বলেন যে, মানুষ শুধু মানুষের সেবাই করছেন না, রাস্তার যেসব পরিত্যক্ত কুকুর আছে, তাদেরও সেবা করছে। আর সেই প্রসঙ্গেই রাকেশের নাম উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর কথায়।

করোনা (Coronavirus) যখন ছড়িয়ে পড়ছে, সেই সময়ে রাকেশকে রাস্তায় ফেলে চলে যায় তার মালিক। অবশ্য তখন ‘রাকেশ’ নামে চিহ্নিত করা হয়নি এই সারমেয়কে। হতে পারে মালিকের কাছে থাকার সময়ে তার অন্য কোনও নাম ছিল। মালিক ছেড়ে চলে যাওয়ার পর এক চায়ের দোকানে থাকত রাকেশ। তবে লকডাউন (Lockdown) শুরু হওয়ায় চায়ের দোকান বন্ধ হয়ে যায়। যাঁর চায়ের দোকান, তিনি নিজের দেশে ফিরে যান। ফলে আবার অনাথ হয়ে পড়ে এই কুকুর।

প্যাকের একজন কর্মী এবং সাব ইন্সপেক্টর উমেশ সিং রাকেশকে দেখতে পান ও তাকে আশ্রয় দেন। যে চায়ের দোকানে ওই সারমেয় থাকত, তার মালিকের নাম অনুযায়ী সারমেয়র নাম রাখা হয় রাকেশ। প্যাক এই কুকুরটিকে যথেষ্ট আদর যত্নে রেখেছিল। আর সে কথা প্রধানমন্ত্রী উল্লেখও করেন তাঁর বক্তৃতায়।

পাঁচ বছর বয়সের রাকেশ কিডনির অসুখে (Kidney Disease) ভুগছিল। প্যাকের কর্মীরা অনেক চেষ্টা করেছিল তাকে বাঁচানোর। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে মারা যায় রাকেশ। মৃত্যুর পর তাকে পূর্ণ মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কুর্নিশ জানান আর্মির সারমেয়দেরও (Army Dogs)। যারা বিভিন্ন কাজে সেনাবাহিনীকে সাহায্য করে। তাঁর কথায় উঠে আসে সোফি ও ভিদার কথা। যাদের এই বছর স্বাধীনতা দিবসে ‘কমেন্ডেশন কার্ডস’ দেওয়া হয়। স্থানীয় ও দেশী কুকুর পোষার পরামর্শও দেন তিনি ভারতবাসীকে তাঁর বক্তব্যে।

Published by: Piya Banerjee
First published: December 3, 2020, 8:58 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर