দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

পায়ুদ্বারে লাঠি ঢুকিয়ে পাশবিক নির্যাতন, পুলিশি হেফাজতে বাবা-ছেলের মৃত্যুকাণ্ডে সিবিআই-কে তদন্তের ভার

পায়ুদ্বারে লাঠি ঢুকিয়ে পাশবিক নির্যাতন, পুলিশি হেফাজতে বাবা-ছেলের মৃত্যুকাণ্ডে সিবিআই-কে তদন্তের ভার
মৃত বাবা-ছেলে (সংগৃহীত ছবি)

পুলিশি হেফাজতে নির্মম অত্যাচারে বাবা-ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ ।

  • Share this:

#কোভিলপাত্তি, তামিলনাড়ু: পুলিশি হেফাজতে নির্মম অত্যাচারে বাবা-ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা দেশ।  সঠিক তদন্তের দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সোচ্চার সাধারণ মানুষ। হ্যাশট্যাগ দিয়ে প্রকৃত ন্যায়বিচার চাইছেন নেটিজেনরা । এমতাবস্তায় রবিবার থোথুকুড়ি'র থানায় ঘটে যাওয়া এই নির্মম ঘটনার তদন্তভার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা অর্থাৎ সিবিআই-এর হাতে তুলে দিলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী কে পালানিস্বামী ।

এদিকে ঘটনার পরেই অভিযুক্ত সন্দেহে দুই পুলিশ আধিকারিকে সাসপেন্ড করা হরেছিল । তদন্তে নেমে আরও একজনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে । ঠিক কি ঘটেছিল পুলিশি হেফাজতে ! তার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে । সেখানে দেখা গিয়েছে, দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে সিলিং থেকে টাঙিয়ে  দেওয়া হয়েছে বাবা অথবা ছেলের মধ্যে কাউকে । তারপর তেল মাখিয়ে পায়ুদ্বারে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে লম্বা লাঠি । বাঁচার আর্ত চিৎকারে সেখানে তখন কান পাতা দায় । তবে থানার যে ঘরে ঘটনাটি ঘটেছে সেখানে বেশ কয়েকজনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে (যদিও ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি News18Bangla.Com) । সকলেই সম্ভবত দেখছিলেন কি ঘটে !

কিন্তু কী এমন ঘটেছিল যার জন্য এমন শাস্তি?  মৃতের পরিবারের জানিয়েছে , এলাকায় জয়রাজ পি'র মোবাইলের দোকান রয়েছে । তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, লকডাউনের সময় জনতা কার্ফু চলাকালীন আইন অমান্য করে দোকান খুলেছিলেন তিনি । সেই অপরাধে শনিবার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে । ঘটনার কথা শুনে ছেলে জে বেনিক্সও তড়িঘড়ি থানায় যান বাবাকে ছাড়িয়ে আনতে । যদিও দু'জনের কেউই আর বাড়ি ফিরে আসেননি ।

পরিবারের অভিযোগ , জেলে দু'জনের উপর পাশবিক অত্যাচার চালায় থোথুকুড়ি ডিভিশনের পুলিশ । তাঁদের উপর শারীরিক নির্যাতন চালান হয় । অভিযোগ মৃত জয়রাজ পি-এর পায়ুদ্বারে লাঠি বা বোতল জাতীয় কিছু ঢুকিয়ে দেয় পুলিশ । তার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বৃদ্ধ জয়রাজ। তারপর হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি  মঙ্গলবার মারা যান তিনি । অন্যদিকে , মাত্র ১০ ঘণ্টার আগে সোমবার ছেলে জে বেনিক্সও প্রবল রক্তক্ষরণের জেরে মারা যায় হাসপাতালে। যদিও পুলিশের দাবি, প্রচণ্ড বুকে ব্যথা হওয়ায় বৃদ্ধকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে, মারা যান তিনি ।

এ প্রসঙ্গে একটি সমর্থিত সূত্র জানায় , অভিযুক্তদের গ্রেফতারের পর পুলিশ শুক্রবার রাত ১১টা নাগাদ থানার দরজা বন্ধ করে দেয়। শনিবার সকাল পর্যন্ত দরজা খোলা হয়নি । এমনকী সারা রাত থানা থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূর পর্যন্ত দু'জনের চিৎকারের আওয়াজ শোনা যাচ্ছিল। পুলিশ বাবা-ছেলের বিরুদ্ধে ১৮৮, ৩৮৩ এবং ৫০৬ (ll) ধারায় মামলা রুজু করে ।

Published by: Shubhagata Dey
First published: June 28, 2020, 9:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर