• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • দায়িত্ব নিতে নারাজ বিশ্বভারতী, বন্ধ হতে পারে দেড়শ বছরের পুরনো শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা

দায়িত্ব নিতে নারাজ বিশ্বভারতী, বন্ধ হতে পারে দেড়শ বছরের পুরনো শান্তিনিকেতনের পৌষমেলা

মঙ্গলবার এই মর্মে একটি বিবৃতি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে পৌষমেলা পরিচালনার দায়িত্ব থেকে তারা সরে যাচ্ছে ৷

মঙ্গলবার এই মর্মে একটি বিবৃতি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে পৌষমেলা পরিচালনার দায়িত্ব থেকে তারা সরে যাচ্ছে ৷

মঙ্গলবার এই মর্মে একটি বিবৃতি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে পৌষমেলা পরিচালনার দায়িত্ব থেকে তারা সরে যাচ্ছে ৷

  • Share this:

    #বোলপুর: এ বছর থেকেই বন্ধ হয়ে যেতে পারে শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা ৷ কারণ বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি এই মেলা পরিচালনার দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেছে ৷ মঙ্গলবার এই মর্মে একটি বিবৃতি দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে পৌষমেলা পরিচালনার দায়িত্ব থেকে তারা সরে যাচ্ছে ৷ তবে পৌষ উৎসব পালন করা হবে বলে জানানো হয়েছে ৷ উপাসনা, পরলোকগত আশ্রমিকদের স্মরণ, মহর্ষি স্মারক বক্তৃতা, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন, সমাবর্তন, খ্রিস্টোৎসব ইত্যাদি যথোচিত মর্যাদায় পালিত হবে আগামী ৭-৯ পৌষ ৷ ২০১৫ সালে এই মেলার কারণ ব্যাপক পরিবেশ দূষণ হচ্ছে এবং দূষণ রোধে কোনও কার্যকরী ভূমিকা নেওয়া হচ্ছে না বলে পরিবেশ আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত ৷ সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা লড়তে গেলে লক্ষ লক্ষ টাকা দরকার ৷ কিন্তু বিশ্বভারতীয় কোষাগারের অবস্থা এই মুহূর্তে অত্যন্ত সঙ্গিন ৷ ফলে এই মামলা চালিয়ে নিয়ে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষে সম্ভব নয় ৷ অন্যদিকে শান্তিনিকেতনের এই মেলার যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করে শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট ৷ তাই তারা যদি এই মেলা চালিয়ে নিয়ে যেতে চায় তাহলে মেলা বসবে, না হলে বন্ধ হয়ে যাবে ৷

    ???????????????????????????? ১৮৮৮ সালে মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট তৈরি করেন। মেলা শুরু হয় ১৮৯৪ সালের ৭ই পৌষ মন্দির উদ্বোধনের দিন। সেদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে মন্দিরের পাশে পুরনো মাঠে মেলা বসেছিল। তখন মেলা ছিল একদিনের। ১৯২১ সালে মেলা হয় ২ দিন৷ পরে ১৯৬১ সালে পৌষমেলা স্থানান্তরিত হয় পূর্বপল্লি মাঠে এবং তিন দিন করা হয়। ট্রাস্টের ডিড অনুসারে মেলার খরচ বহন করে শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট। সে ক্ষেত্রে ট্রাস্টের তরফেও জানিয়ে দেওয়া হয় বিশ্বভারতীর সবক্ষেত্রে সাহায্য ছাড়া এই মেলা পরিচালনা করা সম্ভব নয় ৷ অন্যদিকে, বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের দাবি, পরিবেশ আদালত-সহ দেশের সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের পালনীয় শর্তাবলি পূরণ করে এই বিপুল আয়তনের মেলা পরিচালনা করার মতো উপযুক্ত পরিকাঠামো বিশ্বভারতীর মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেই। এ রকম একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখপ্রকাশও করেছেন কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে সুপ্রাচীন পৌষমেলার ভবিষ্যৎ এখন গভীর অন্ধকারে ৷

    First published: