• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • PM Modi Security Lapse: 'কেন্দ্রই সব ঠিক করলে আমাদের কাছে এলেন কেন?' পঞ্জাবের ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন

PM Modi Security Lapse: 'কেন্দ্রই সব ঠিক করলে আমাদের কাছে এলেন কেন?' পঞ্জাবের ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন

পঞ্জাবের সেই দিন...

পঞ্জাবের সেই দিন...

PM Modi Security Lapse: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিরাপত্তা বিঘ্নর ঘটনায় ৪ সদস্যের কমিটি গড়ল সুপ্রিম কোর্ট।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্ন মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে একটি কমিটি তৈরি করলেন প্রধান বিচারপতি এন ভি রামান্না, বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি হিমা কোহলির বেঞ্চ। কমিটির শীর্ষে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত একজন বিচারপতি। এই তদন্ত কমিটিতে থাকবেন পাঞ্জাব-চন্ডীগড় হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং এনআইএ প্রধান।

এদিন সকাল ১০টায় মামলা বিষয়ক নথি আসে বিচারপতিদের হাতে। শুরুতেই পাঞ্জাব সরকারের আইনজীবী দীপেন্দর সিং পাটওয়ালিয়া আদালতে বললেন, 'সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজন মনে করলে পৃথক তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। তাতে সবরকম সাহায্য করবে পাঞ্জাব সরকার। কিন্তু, সুপ্রিম কোর্টে যখন মামলা চলছে, তখন পাঞ্জাবের ৭জন পুলিশ অফিসারকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে না ? পাঞ্জাব সরকার প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক। তা সত্ত্বেও পুলিশ আধিকারিকদের হেনস্থা করা হচ্ছে।'

তিনি আরও বলেন, 'কেন্দ্র সরকার নিরপেক্ষ তদন্ত করবে না। শীর্ষ আদালত দয়া করে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গড়ে দিক। পাঞ্জাব সরকার তাতে সবরকম সাহায্য করবে।'এরপর প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজি আইনের ধারা উল্লেখ করে সলিসিটর জেনারেল আদালতে বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী এবং সমতুল্য কোন ব্যক্তির নিরাপত্তায় এসপিজি কেন্দ্রীয় এজেন্সি, রাজ্য পুলিশ এমনকি সিআইডির সহযোগিতা প্রয়োজন হয়।এক্ষেত্রে স্পষ্ট রাজ্য পুলিশের তরফে গাফিলতি করা হয়েছে। কারণ, যে ফ্লাইওভারে প্রধানমন্ত্রী আটকে ছিলেন, সেখানে সকাল থেকে লোক জড়ো হতে শুরু করেছিল। অথচ, এসপিজি-কে তা জানানো হয়নি।'

আরও পড়ুন: হাসপাতালের বেডেই সুকান্ত মজুমদারের কাছে হঠাৎ ফোন, কথা হল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে...

তিনি আরও বলেন, 'স্পষ্টতই কর্তব্যে গাফিলতির হয়েছে। এসপিজি আইন এবং ব্লু বুক যদি দেখা হয় তাহলে শুনানির আর প্রয়োজন নেই।' এরপর কার্যত কেন্দ্রীয় সরকারকে ভর্ৎসনা করেন বিচারপতিরা। বিচারপতি হিমা কোহলি বলেন, 'কেন্দ্রীয় সরকার যদি সব ঠিক করে নেয়, তাহলে আমাদের কাছে এসেছেন কেন ?' আরও বলেন, 'কেন্দ্র সরকার যদি রাজ্যের পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এখনই শাস্তিমুলক পদক্ষেপ শুরু করে তাহলে আদালতের হাতে বিচার্য বাকি কি রইল ?'

আরও পড়ুন: নাকা চেকিংয়ে থামল পরপর দুটি গাড়ি, ভেতর থেকে যা উদ্ধার হল, পুলিশের চক্ষু চড়কগাছ

সলিসিটর জেনারেল জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফর অনেক আগেই জানানো হয়েছিল। এও জানানো হয়েছিল যে, আবহাওয়া খারাপের কারণে হেলিকপ্টার ছাড়াও সড়ক পথে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেইমতো মহড়াও হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী ভিভিআইপি যাত্রায় অন্তত চার কিলোমিটার আগে সাধারণ মানুষকে আটকে দেওয়া হয়। অথচ এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথে চলে এসেছিলেন বিক্ষোভকারীরা। এরপর প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন,'কাউকে দোষী সাব্যস্ত করায় যদি প্রধান ইস্যু হয়ে থাকে তাহলে আমাদের কিছু করার নেই।' এরপরেই শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, সুপ্রিম কোর্টের নজরদারিতে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গড়ে দেওয়া হবে। ওই কমিটির শীর্ষে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। কমিটিতে থাকবেন রাজ‌্য পুলিশের ডিজি, পাঞ্জাব-চন্ডীগড় হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং এনআইএ-র ডিজি। পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্যের সমস্ত তদন্ত বন্ধ রাখতে হবে।

Published by:Suman Biswas
First published: