দেশ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

'মানুষের আস্থা অর্জন করতে হয়, চাপিয়ে দেওয়া যায় না' বললেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি

'মানুষের আস্থা অর্জন করতে হয়, চাপিয়ে দেওয়া যায় না' বললেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি
বিচারপতি এন ভি রামানা৷ Photo-File

কয়েক দিন আগেই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডি এই বিচারপতি এন ভি রামানার বিরুদ্ধেই বেনজির ভাবে সু্প্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদেকে চিঠি লিখে অভিযোগ জানিয়েছিলেন৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: মানুষের বিশ্বাস এবং সমস্ত চাপ অগ্রাহ্য করে ভয় না পেয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দৃঢ় ভাবে নীতিকে আঁকড়ে থাকাই বিচারব্যবস্থার সবথেকে বড় শক্তি৷ এমনই মন্তব্য করলেন সুপ্রিম কোর্টের সবথেকে সিনিয়র বিচারপতি এন ভি রামানা৷ কয়েক দিন আগেই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডি এই বিচারপতি এন ভি রামানার বিরুদ্ধেই বেনজির ভাবে সু্প্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদেকে চিঠি লিখে অভিযোগ জানিয়েছিলেন৷

সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এ আর লক্ষ্মণনের স্মরণসভায় গিয়ে এ দিন এই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি রামানা৷ তিনি বলেন, 'মানুষের বিশ্বাসই সুপ্রিম কোর্টের সবথেকে বড় শক্তি৷ বিশ্বাস, আস্থা এবং গ্রহণযোগ্যতা জোর করে অর্জন পাওয়া যায় না, তা অর্জন করতে হয়৷'

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বিরুদ্ধে চিঠি দিয়ে অভিযোগ জানানোর পরে এই প্রথম মুখ খুললেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি রামানা৷ অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী গত ৬ অক্টোবর প্রধান বিচারপতিকে লেখা চিঠিতে অভিযোগ করেছিলেন, গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত তাঁর সরকারকে ফেলে দেওয়ার জন্য অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টকে ব্যবহার করা হচ্ছে৷ চিঠিতে তিনি আরও দাবি করেন, অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট যাতে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করে, তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি৷ বিচারপতি রামানার দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে জগনমোহন রেড্ডি দাবি করেন, চন্দ্রবাবু নাইডুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণেই তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়েছেন এই সিনিয়র বিচারপতি৷

এই প্রসঙ্গ উত্থাপন না করলেও এ দিন বিচারপতি রামানা বলেন, 'একজন বিচারপতির ক্ষেত্রে বিশেষত সর্বদা নীতি আঁকড়ে থাকা এবং সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ৷ কোনওরকম চাপের সামনে নতিস্বীকার না করা এবং সব ধরনের বাধাকে অতিক্রম করাই একজন বিচারপতির সবথেকে বড় গুণ৷'

Published by: Debamoy Ghosh
First published: October 18, 2020, 11:18 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर