হোম /খবর /দেশ /
ডিএ মামলায় সব পক্ষের হলফনামা চাইল সুপ্রিম কোর্ট, দিল না কোনও অন্তর্বর্তী রায়

ডিএ মামলায় সব পক্ষের হলফনামা চাইল সুপ্রিম কোর্ট, দিল না কোনও অন্তর্বর্তী রায়

সুপ্রিম কোর্ট

সুপ্রিম কোর্ট

ডিএ মামলায় হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে রাজ্য। 

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: রাজ্যে সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা নিয়ে কোনও অন্তর্বর্তী রায় দিল না সুপ্রিম কোর্ট। ১৪ ডিসেম্বর শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছে শীর্ষ আদালত। রাজ্য সরকারের পক্ষে এদিন সওয়াল করেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। অন্য দিকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং মীনাক্ষী আরোরা।

মহার্ঘ ভাতা দেওয়া নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে এ দিন কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি শীর্ষ আদালত। তবে রাজ্যের বিরুদ্ধে করা আদালত অবমাননা মামলার কোনও শুনানি আপাতত হবে না হাইকোর্টে। সবপক্ষকেই নোটিশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সাতদিনের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে হবে মামলার সব পক্ষকে। রাজ্য সরকার ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা দিয়েছে ১২৫ শতাংশ হারে। মামলার শুনানিতে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেন, বছরে দু’বার ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়, প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। তিনি আরও বলেন, বছরে দু’বার ডিএ দেওয়ার কথা পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশ ছিল কেন্দ্রকে।

সাংবিধানিক ভাবে রাজ্য মানতে বাধ্য নয়। তিনি আরও বলেন, রাজ্য নিয়ম মেনে ডিএ দিয়েছে, কিন্ত এরিয়ার কত হারে বছরে ক’বার দেওয়া হবে, তা কর্মচারীরা ঠিক করে দিতে পারে না ।

আরও পড়ুন, দ্বিতীয় দফায় গুজরাতে ভোট পড়ল ৬৭ শতাংশ, ৯৩ আসনে লড়াইয়ে ৮৩৩ প্রার্থী

 

আরও পড়ুন, পোলিও টিকা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের, কী বলছে নতুন নিয়ম?

ডিএ মামলায় হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে রাজ্য।  রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ-কে ন্যায়সঙ্গত বলে হাইকোর্ট। ডিএ রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ডিভিশন বেঞ্চ। ২০ অগাস্টের মধ্যে বকেয়া ডিএ নিয়ে নীতি রূপায়ণ করে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয় বিচারপতি ট্যান্ডন ডিভিশন বেঞ্চ।

স্যাটের (SAT) নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাজ্য দায়ের করা মামলায় গত ২১ মে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় হারেই ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। তিন মাসের মধ্যে ডিএ মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রাজ্য সরকারকে। কিন্তু, সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার মুখেই অগাস্টের তৃতীয় সপ্তাহে রাজ্য ডিভিশন বেঞ্চকে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন জানায়। একইসঙ্গে সরকারি কর্মচারি সংগঠনগুলি আদালতের নির্দেশ সময়মতো কার্যকর না করায় রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়। ৯ সেপ্টেম্বর রাজ্যের করা রিভিউ পিটিশনে শুনানি শেষ হয়।

RAJIB CHAKRABORTY

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Supreme Court