Home /News /national /
Supreme Court || বড় খবর! অবিবাহিত ২৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাদের গর্ভপাতের অনুমতি দিল শীর্ষ আদালত

Supreme Court || বড় খবর! অবিবাহিত ২৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাদের গর্ভপাতের অনুমতি দিল শীর্ষ আদালত

বেঞ্চ জানিয়েছে, ২০২১ সালে সংশোধিত এমটিপি আইনের ব্যাখ্যায় স্বামী এর পরিবর্তে সঙ্গী শব্দটিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে৷ যার অর্থ এটি শুধুমাত্র বৈবাহিক সম্পর্কে সীমাবদ্ধ নয়।

  • Share this:

    অবিবাহিত অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে গর্ভপাতের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার গর্ভপাত সংক্রান্ত একটি মামলার রায় দেওয়ার সময় এমনটাই জানিয়েছেন বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, সূর্য কান্ত এবং এএস বোপান্নার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। পাশাপাশি মেডিক্যাল টার্মিনেশন অফ প্রেগন্যান্সি (এমটিপি) আইনের অধীনে শুক্রবারের মধ্যে মহিলাকে পরীক্ষা করার জন্য দুই ডাক্তারের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। গর্ভপাত হলেও তাঁর জীবনের ঝুঁকি হতে পারে কিনা তা নির্ধারণ করুন।

    শীর্ষ আদালতের তরফে বলা হয়েছে, "শুক্রবার 3(2)(d) MTP আইনের বিধানের পরিপ্রেক্ষিতে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করার জন্য AIIMS-এর পরিচালককে অনুরোধ করেছি৷ যদি মেডিক্যাল বোর্ড এই সিদ্ধান্তে পৌঁছয় যে ভ্রূণের কোনও বিপদ ছাড়াই গর্ভপাত করা যেতে পারে, তাহলে আবেদনকারীর  আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গর্ভপাত করবে৷"

    আরও পড়ুন : একুশে জুলাই, বৃষ্টি ও মমতা! শহিদ দিবসে 'অন্য' জয়ের বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমোর

    আরও পড়ুন : ঐতিহাসিক! রাইরাংপুর থেকে রাইসিনা! প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চিনুন

    বেঞ্চ জানিয়েছে, ২০২১ সালে সংশোধিত এমটিপি আইনের ব্যাখ্যায় স্বামী এর পরিবর্তে সঙ্গী শব্দটিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে৷ যার অর্থ এটি শুধুমাত্র বৈবাহিক সম্পর্কে সীমাবদ্ধ নয়।

    বেঞ্চ আইনের বিধানগুলির ব্যাখ্যার বিষয়ে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বরিয়া ভাটির সহায়তা চেয়েছে৷ লা হয়েছে যে আবেদনকারীকে শুধুমাত্র এই কারণে আইনের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা উচিত নয়, যে তিনি একজন অবিবাহিত মহিলা। শীর্ষ আদালত বলেছে যে, তিনি লিভ-ইন সম্পর্কে  ছিলেন৷ তারপরেই তিনি গর্ভাবস্থার কথা জানতে পারেন৷ পরীক্ষার সময় জানা যায়  যে তিনি ২২ সপ্তাহের গর্ভবতী৷ তখনই তিনি গর্ভপাতের  সিদ্ধান্ত নেন। উচ্চ আদালত এই বলে গর্ভপাতের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করে যে এটি কার্যত ভ্রূণ হত্যার সমান।

    আবেদনকারী ২৫ বছর বয়সী এক মহিলা৷ তিনি আদালতে জানান, তিনি অবিবাহিতা। একত্রবাসে থাকার সময় তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। কিন্তু বিবাহিত না হওয়ার কারণে গর্ভপাত করানোর সময়ে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় তাঁকে। গোটা বিষয়টি নিয়ে প্রথমে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তিনি লিভ-ইন সম্পর্কে বলে তাঁর আর্জি খারিজ করে দেয় আদালত।  ঝুঁকিহীন ভাবে ওই মহিলার গর্ভপাত করা যায় কি না তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার দেওয়া হয়েছে এইমস এর চিকিৎসকদের উপর।
    সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ২০২১ সালে মেডিক্যাল টার্মিনেশন অব প্রেগন্যান্সি অ্যাক্ট সংশোধন করা হয়। তাই শুধু অবিবাহিতা বলে আবেদনকারিনীকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।
    Published by:Rachana Majumder
    First published:

    Tags: Supreme Court

    পরবর্তী খবর