দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

কৃষি বিল নিয়ে মন্তব্য করে নেটদুনিয়ায় ট্রোলের শিকার বিজেপি সাংসদ সানি দেওল

কৃষি বিল নিয়ে মন্তব্য করে নেটদুনিয়ায় ট্রোলের শিকার বিজেপি সাংসদ সানি দেওল

কৃষিবিল প্রত্যাহারের দাবিতে দেশ জুড়ে এখন উত্তেজনা তুঙ্গে। দিল্লি- হরিয়ানা সীমান্তে আন্দোলনরত কৃষকদের ধর্না আজ ১২ দিনে পড়ল।

  • Share this:

#মুম্বই: কৃষিবিল প্রত্যাহারের দাবিতে দেশ জুড়ে এখন উত্তেজনা তুঙ্গে। দিল্লি- হরিয়ানা সীমান্তে আন্দোলনরত কৃষকদের ধর্না আজ ১২ দিনে পড়ল। এমন পরিস্থিতিতে বিল নিয়ে মন্তব্য করে এ বার নেটদুনিয়ায় ট্রোলের শিকার হলেন বিজেপি সাংসদ-অভিনেতা সানি দেওল।

কৃষি বিল নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে সানি দেওল বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন কেন্দ্রীয় সরকার সব সময় কৃষকদের উন্নতির বিষয় চিন্তা করে এসেছেন। তাই ক্ষুব্ধ কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকার নিশ্চয় সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন।

 কৃষিবিল নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে সানি বলেন, ‘আমি জানি অনেকেই কৃষকদের এই পরিস্থিতিটি কাজে লাগিয়ে সমস্যা তৈরি করতে চায়। তাঁরা কৃষকদের কথা ভাবছেন না। হতে পারে তাঁদের দলের নিজস্ব অ্যাজেন্ডা রয়েছে। কিন্তু আমি ও আমার দল সর্বদাই কৃষিভাইদের পাশে রয়েছি এবং চিরকাল থাকবও। আমাদের সরকার প্রতিবাদী কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা এবং সব দিক বিবেচনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন’।

যদিও সানির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন অনেকেই। নেটিজেনরা তাঁকে ‘কূটনীতিবিদ’ ও ‘দ্বিমুখী’ বলে আখ্যা দিয়েছে । পাল্টা উত্তরে একজন ট্যুইটর ইউজার লেখেন, ‘আপনি মেরুদন্ডহীন, কারোর পাশে দাঁড়ানোর ক্ষমতা আপনার নেই’। আরও একজন লেখেন, ‘আপনার বক্তব্যের কোনও মানে হয় না। এই ধরনের ব্যক্তিতে নেতা হওয়ার টিকিট দেওয়া বন্ধ করা উচিৎ’।

২৬ নভেম্বর থেকে দিল্লি- হরিয়ানা সীমান্তে কৃষি আইন বাতিলের জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকেরা একজোট হয়ে রাস্তায় নামেন। এখনও তাঁদের বিক্ষোভ জারি রয়েছে।

অন্যদিকে, দিল্লি-হরিয়ানার সীমান্তে লাগাতার কৃষকদের যে বিক্ষোভ চলছে, সোমবার সেই বিক্ষোভের পরিদর্শনে গেলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। টানা ১২ দিন ধরে কৃষক সংগঠনগুলি তাঁদের বিক্ষোভ জারি রেখেছে কেন্দ্র সরকারের আনা ৩ টি কৃষি আইনের বিরুদ্ধে। দিল্লি সরকারের তরফ থেকে কৃষকদের জন্য সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতেই সোমবার সিংঘু বর্ডারে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী।

কেজরিওয়াল-ই দিল্লির প্রথম এমন মুখ্যমন্ত্রী, যিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চলা বিক্ষোভের পরিদর্শনে গেলেন। তিনি বলেন, “কৃষকদের সব রকম দাবিকে আমি সমর্থন করি। ওঁদের এই বিক্ষোভের পিছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে। আমি এবং আমাদের দলের নেতারা প্রথম থেকেই কৃষক নেতাদের পাশে আছি। আন্দোলনের শুরুতে দিল্লি পুলিশের তরফে, ৯টি স্টেডিয়ামকে জেলে রূপান্তরিত করার জন্য আমাদের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু চাপের মুখেও আমি অনুমতি দিইনি।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের দলীয় নেতারা এবং আইনসভার সদস্যরা প্রথম থেকেই আন্দোলনকারীদের জন্য স্বেচ্ছাসেবক হয়ে কাজ করছেন। আমিও এখানে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আসিনি, বরং স্বেচ্ছাসেবক হিসেবেই এসেছি। কৃষকরা খুব বড় সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এবং আমাদের উচিৎ তাঁদের পাশে দাঁড়ানো। আগামী ৮ ডিসেম্বরের ভারত বনধ-কে আমরা সমর্থন করি।”

Published by: Akash Misra
First published: December 7, 2020, 5:04 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर