• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • Euro 2020: ৫৫ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে চান হ্যারি কেন

Euro 2020: ৫৫ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে চান হ্যারি কেন

হোসে মরিনহোর কাছে কৃতজ্ঞ হ্যারি কেন

হোসে মরিনহোর কাছে কৃতজ্ঞ হ্যারি কেন

৩ বছর আগে রাশিয়া বিশ্বকাপে সোনার বুট জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে দল বিদায় নিয়েছিল সেমিফাইনাল থেকে। অর্থাৎ ঠিক এখনকার মত পরিস্থিতি। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেন তাই সিঁদুরে মেঘ দেখা গরু

  • Share this:

    #লন্ডন: ৩ বছর আগে রাশিয়া বিশ্বকাপে সোনার বুট জিতেছিলেন তিনি। কিন্তু ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে দল বিদায় নিয়েছিল সেমিফাইনাল থেকে। অর্থাৎ ঠিক এখনকার মত পরিস্থিতি। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেন তাই সিঁদুরে মেঘ দেখা গরু। অতি উচ্ছ্বাসে গা ভাসাতে নারাজ। সেবারের ক্রোয়েশিয়ার মতো এবারের ডেনমার্ক যেন ইংরেজদের বাধা হয়ে উঠতে না পারে তার জন্য গ্যারেথ সাউথগেট গোটা দলকে সতর্ক করেছেন। ১৯৬৬ সালের পর এই প্রথম বড় কোনো টুর্নামেন্ট জয়ের গৌরব যে হাতছানি দিয়ে ডাকছে হ্যারি কেনের ইংল্যান্ডকে।

    ৫৫ বছর ধরে বিশ্বকাপ বা ইউরো কাপ ফাইনালে উঠতে পারেনি ইংরেজরা। গত মরশুমে কেন খেলেছেন তাঁর মতোই। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার সম্মান জিতেছেন। টটেনহামের জার্সিতে ব্যক্তিগত গৌরব গায়ে মাখলেও দলকে অবশ্য সাফল্য এনে দিতে পারেননি। সে ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে বরখাস্ত হয়েছেন জোসে মরিনিও। টটেনহামের কোচ হিসেবে মরশুম শেষ হওয়ার আগেই বরখাস্ত হওয়া পর্তুগিজ কোচই নাকি ইউরোতে কেনের জন্য রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। কেন নিজেই জানিয়েছেন ব্যাপারটি। ইউরোর সময়টা নিয়মিত তিনি যোগাযোগ রেখেছেন তাঁর প্রাক্তন কোচ মরিনিওর সঙ্গে।

    ‘জোসের সঙ্গে আমার সম্পর্কটা দুর্দান্ত। সে নিজেও দারুণ একজন মানুষ। তিনি ইউরোর সময় আমাকে নিয়মিত বার্তা পাঠিয়েছেন।’ কেন জানিয়ে রেখেছেন, মরিনিও যেখানেই যান, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগটা কখনোই বিচ্ছিন্ন হবে না, ‘আমি ওনার সঙ্গে সব সময়ই যোগাযোগ রাখব। হয়তো বাকি জীবনের পুরোটা সময়ই।’ টটেনহামে মরিনিওর জায়গায় যোগ দিয়েছেন আরেক পর্তুগিজ কোচ নুনো এসপিরিতো সান্তো। তবে কেইনের সঙ্গে এখনো কোনো কথাই হয়নি নাকি তাঁর। আপাতত ইউরো নিয়েই ভাবছেন তিনি।

    শুরুটা সমালোচনামুখর হলেও ব্যর্থতা কাটিয়ে আবারও গোল পাওয়া শুরু করেছেন তিনি। দ্বিতীয় রাউন্ডে জার্মানির বিপক্ষে গোল পেয়েছেন, জোড়া গোল পেয়েছেন কোয়ার্টার ফাইনালে ইউক্রেনের বিপক্ষে। ৫ ম্যাচে তিন গোল করা কেন এখন স্বপ্ন দেখছেন দেশের হয়ে ইউরো জয় করার। রাশিয়াতে সেমিফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার পর নেশনস লিগের সেমিফাইনালে ডাচদের কাছে হেরে ছিটকে গিয়েছিল ইংল্যান্ড।

    তাই আজ রাতে নিজেদের ঘরের মাঠ ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে এই পরিসংখ্যান ঘাড়ে নিয়েই নামতে হবে ইংরেজদের। গোটা ইংল্যান্ড জুড়ে ' ইটস কামিং হোম ' স্লোগান উঠেছে। সত্যিই শেষপর্যন্ত ফাইনালের টিকিট পান কিনা হ্যারি কেন, রহিম স্টার্লিংরা, সেটা বোঝা যাবে আর কয়েক ঘন্টার অপেক্ষায়।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: