corona virus btn
corona virus btn
Loading

Citizenship Amendment Bill: CAB নিয়ে একেবারে পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে বিরোধীরা: মোদি

Citizenship Amendment Bill: CAB নিয়ে একেবারে পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে বিরোধীরা: মোদি
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

বুধবার রাজ্যসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল রাজ্যসভায় পেশের আগে সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দলের সব সাংসদদের নির্দেশ দেন, নাগরিকত্ব বিল ইস্যুতে বিরোধী দলগুলির পরিকল্পনা ফাঁস করে দিন৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যখন উত্তাল সংসদ, জ্বলছে উত্তর-পূর্ব ভারত, চলছে আন্দোলন, তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিশানায় বিরোধীরা৷ তাঁর বক্তব্য, কিছু রাজনৈতিক দল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতা করে পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছে৷ 'কমা, ফুলস্টপ সমেত৷'

বুধবার রাজ্যসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল রাজ্যসভায় পেশের আগে সংসদীয় দলের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দলের সব সাংসদদের নির্দেশ দেন, নাগরিকত্ব বিল ইস্যুতে বিরোধী দলগুলির পরিকল্পনা ফাঁস করে দিন৷ একেবারে ধুয়ে দিন৷ একই সঙ্গে বিল নিয়ে মোদির সওয়াল, প্রতিবেশী দেশগুলির সেই সব সংখ্যালঘুদের বড় স্বস্তি দেবে এই বিল, যাঁরা ধর্মীয় নিপীড়নের জেরে প্রতিবেশী দেশ ছেড়ে ভারতের আশ্রয় নিয়েছেন৷ সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি মোদির কথা ধার করে বলেন, 'সিএবি এমন এক আইন, যা লেখা হবে স্বর্ণাক্ষরে৷ এই বিলে নিপীড়িত সংখ্যালঘুরা শুধু মাত্র নাগরিকত্বই পাবেন না, তাঁরা ভারতের স্থায়ী বাসিন্দা হবেন৷' পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আসা অ-মুসলিম রিফিউজিদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের মাধ্যমে৷ বিরোধীদের বক্তব্য, এই বিল এনে সরকার দেশের স্বার্বভৌমত্ব ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে আঘাত হানছে৷ কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধির কথায়, 'এই বিল উত্তর-পূর্বের উপজাতি সম্প্রদায়গুলিকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে৷ মোদি ও অমিত শাহ মিলে যা করছেন, তা উত্তর-পূর্ব ভারতের কাছে অপরাধমূলক হামলা৷ তাঁদের জীবনধারন ও ভারতের মূল তত্ত্বের উপর হামলা৷ আমি উত্তর-পূর্ব ভারতের পাশে সব রকম ভাবে রয়েছি৷'

রাজ্যসভায় বিরোধী দলনেতা গুলাম নবি আজাদ বলেন, 'বিজেপি-র একটাই উদ্দেশ্য, দেশে ধর্মীয় বিভাজন সৃষ্টি করা৷ রাজ্যসভায় ১৩ দলের সঙ্গে আমি দেখা করেছি৷ তারা সকলে সিএবি-র পক্ষে ভোট দেবে৷ অর্থনীতি নিয়ে সরকারের চিন্তা নেই, মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে চিন্তা নেই৷ যত চিন্তা ধর্ম নিয়ে৷ তার অন্যতম উদাহরণ, তিন তালাক বিল ও ৩৭০ ধারা বিলোপ৷ এতে বোঝাই যাচ্ছে, সংবিধানের প্রতি কোনও সম্মান নেই বিজেপির৷'

নাগরিকত্ব আইন ১৯৫৫-এর সংশোধনী বিলে বলা হয়েছে, সেই সব হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টানদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে, যাঁরা ধর্মীয় নিপীড়নের জেরে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে পালিয়ে ভারতে এসে আশ্রয় নেন৷ ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনে ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য ১২ মাস টানা ভারতে থাকতে হত৷ একই সঙ্গে গত ১৪ বছরের মধ্যে ১১ বছর ভারতবাস জরুরি ছিল। সংশোধনী বিলে দ্বিতীয় নিয়মে পরিবর্তন ঘটানো হচ্ছে। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্থান থেকে আনা নির্দিষ্ট ৬টি ধর্মাবলম্বীদের জন্য ১১ বছর সময়কালটিকে নামিয়ে আনা হচ্ছে ৬ বছরে। বেআইনি অভিবাসীরা ভারতের নাগরিক হতে পারে না। এই আইনের আওতায়, যদি পাসপোর্ট বা ভিসা ছাড়া কেউ দেশে প্রবেশ করে থাকেন, বৈধ নথি নিয়ে প্রবেশ করার পর নির্দিষ্ট সময়কালের বেশি এ দেশে বাস করে থাকেন, তা হলে তিনি বিদেশি অবৈধ অভিবাসী বলে গণ্য হবেন।

Published by: Arindam Gupta
First published: December 11, 2019, 1:07 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर