নিখোঁজ মৎসজীবীদের জন্য মৃতদেহ আটকে রেখে বিক্ষোভ সাধারণ মানুষের

নিখোঁজ মৎসজীবীদের জন্য মৃতদেহ আটকে রেখে বিক্ষোভ সাধারণ মানুষের
Photo- Video Grab

মালিকের নির্দেশে মাঝ নদীতে ট্রলার রাখাতেই বিপত্তি। অভিযোগ মৎস্যজীবীদের পরিবারের।

  • Share this:

#দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা:  কাকদ্বীপে বুলবুলের বলি ৩ মৎস্যজীবী। ট্রলার ভেসে এখনও নিখোঁজ ৬জন। মালিকের নির্দেশে মাঝ নদীতে ট্রলার রাখাতেই বিপত্তি। অভিযোগ মৎস্যজীবীদের পরিবারের। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ।

ক্ষোভ বাড়ছে নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের পরিবারে। আজ সকালে আরও এক মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার হয়েছে চিনাই নদী থেকে। শেখ মুজিবরের দেহ নামখানা- পাতিবুনিয়া খেয়াঘাটে আনতেই পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় নিখোঁজদের পরিবার। মৎস্যজীবীদের পরিবারের অভিযোগ, মালিকের নির্দেশে মাঝ নদীতে ট্রলার রেখে দিতে হয় মাঝিদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফ্রেজারগঞ্জ ও নামখানা থানা থেকে আসে অতিরিক্ত বাহিনী।

শনিবার ঝড়ের রাতে সঙ্গীদের সঙ্গে চন্দ্রাণী ট্রলারে ছিলেন শেখ মুজিবর। ঝড়ের তাণ্ডবে চিনাই নদীতে উলটে যায় ট্রলার। দুর্ঘটনার পর তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার সকালে চিনাই নদী থেকে মুজিবরের দেহ উদ্ধার হয়। মুজিবরের দেহ নামখানা- পাতিবুনিয়া খেয়াঘাটে আনার পর শুরু হয় বিক্ষোভ। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের পরিবার। দেহ আটকে রাখেন তাঁরা।

এক সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ে মৎস্যজীবীদের পরিবার। তিন দিন কেটে গেলেও আপনজনের খোঁজ না মেলায় চরম উৎকণ্ঠায় তাঁরা।ঝড়ের আগে অন্য ট্রলারগুলি ফিরে এলেও, মাঝ নদীতেই থেকে যায় চন্দ্রাণী। দাবি স্থানীয়দের।

ঘণ্টা দুয়েক বিক্ষোভ চলার পর ফ্রেজারগঞ্জ এবং নামখানা থানা থেকে অতিরিক্ত বাহিনী আসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে শেখ মুজিবরের মৃতদেহ মর্গে নিয়ে যায় পুলিশ। নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।

আরও দেখুন

First published: 03:49:13 PM Nov 12, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर