• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • দেশ
  • »
  • SIS IS TENSE AS INDIA IS NOT GETTING SUFFICIENT AMOUNT OF CORONA VACCINE INGREDIENTS FROM THE US SWD TC

Vaccine: ভারতে কি করোনা ভ্যাকসিন তৈরি বন্ধ হয়ে যাবে? মার্কিন দেশ কাঁচামাল সরবরাহ না করায় চিন্তায় SII

Vaccine: ভারতে কি করোনা ভ্যাকসিন তৈরি বন্ধ হয়ে যাবে? মার্কিন দেশ কাঁচামাল সরবরাহ না করায় চিন্তায় SII

সম্প্রতি কোভিড ১৯ ভ্যাকসিন তৈরির জন্য ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালের রফতানি বন্ধ করেছে বিডেন সরকার।

সম্প্রতি কোভিড ১৯ ভ্যাকসিন তৈরির জন্য ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালের রফতানি বন্ধ করেছে বিডেন সরকার।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: দেশ জুড়ে করোনা (corona) সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে টিকাকরণে গতি বৃদ্ধি করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। নানা পথ অবলম্বনের কথাও ভাবা শুরু হয়েছে। তবে ইতিমধ্যে একটা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (Serum Institute of India)। ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী এই সংস্থার সিইও আদর পুনাওয়াল্লা (Adar Poonawalla) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বিডেনকে (Joe Biden) অনুরেধ করেছেন, ভারতে যে দু'টি করোনা ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে অর্থাৎ Covishield ও Covovax, তার উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কিছু কাঁচামাল সরবরাহ করতে। তবে বিডেন সরকারের তরফে এখনও কিছু উত্তর আসেনি। ফলে একদিকে যেমন ভ্যাকসিনের চাহিদা বাড়ছে, অন্য দিকে টিকা উৎপাদনের ক্ষেত্রে কিছুটা পিছনে পড়ে যেতে পারে ভারত বলে আশঙ্কা বাড়ছে।

এমন নিষেধাজ্ঞার কারণ কী? সম্প্রতি কোভিড ১৯ ভ্যাকসিন তৈরির জন্য ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামালের রফতানি বন্ধ করেছে বিডেন সরকার। এই ক্ষেত্রে মানা হয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষার আইন। কোরিয়ান যুদ্ধের সময় ১৯৫০-এর অ্যাক্ট আনুযায়ী প্রাকৃতিক বিপদ, সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ এবং অন্যান্য জাতীয় জরুরি পরিস্থিতিতে আমেরিকার সামরিক বাহিনী অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আইনটি সে দেশের রাষ্ট্রপতিকে ঘরোয়া ব্যবসায় এবং এই জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ফেডারেল চুক্তিগুলিকে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা রাখে। এছাড়াও জরুরী ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, পণ্য সরবরাহ ও দেশীয় শিল্পতে উৎসাহিত করে এই আইন। অতিমারীর প্রথম দিকে আমেরিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) দেশের কথা ভেবে ১৯৫০ আইনের দ্বারস্থ হন। এর পর ২১ জানুয়ারি জো বিডেনের সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশের আভ্যন্তরীণ মহামারী মোকাবিলা করার জন্য ফের এই আইনের ক্ষমতা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছিলেন। হোয়াইট হাউসে সেই উত্তরে সাফ জানিয়ে দিয়েছে আমেরিকায় তৈরি হওয়া ভ্যাকসিন Pfizer ও BioNTech-এর উৎপাদন বাড়াতে এবং সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য এই আইনের বিধানগুলি ব্যবহার করার ইচ্ছা রাখে। এছাড়াও কদিন আগে বিডেন নিজেই ঘোষণা করেন, Johnson & Johnson ভ্যাকসিনের উৎপাদন নিশ্চিত করতে ওই আইন কার্যকর করা হবে, যাতে ভ্যাকসিন উৎপাদনের সমস্ত সরঞ্জাম দেশের মধ্যে থাকে।

কী কী কাঁচামাল অবরুদ্ধ রয়েছে এবং সেগুলি কেন গুরুত্বপূর্ণ? এই বিষয়ে সঠিক ধারণা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দেয়নি, কারণ আইন আনুযায়ী কোনও তালিকা তারা বানায়নি। ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ভ্যাকসিন উৎপাদনে প্রায় ৯,০০০-এর মত উপকরণ লাগে। এবং সেই উপকরণ বিশ্বের প্রায় ৩০টি দেশের ৩০০ সরবরাহকারীর থেকে পাওয়া যায়। এর থেকে বুঝে নিতে হবে কোনও দেশেই ভ্যাকসিন-এর সব উপাদান নেই।

ফলস্বরূপ কোন ভ্যাকসিন উৎপাদনে প্রভাব পড়তে পারে? বিশেষজ্ঞদের মতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ভ্যাকসিন উৎপাদনে বিশ্বের প্রধান সরবরাহকারী দেশগুলিতে আঘাত হানতে পারে। যার মধ্যে Covishield ও Covovax রয়েছে। তবে কিছু পণ্যে নিয়ন্ত্রণমূলক ছাড়পত্র মিলতে পারে। সিরাম সংস্থার সিইও পুনাওয়ালা বলেছেন যে এই অসহযোগিতা, Covishield-এর ভবিষ্যতের সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে। মার্কিন এই আইনটি ভারতীয় সংস্থাগুলিকে প্রভাবিত করছে বলে মনে করা হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, Covaxin বানানো হায়দরাবাদের ভারত বায়োটেকের (Bharat Biotech) চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. কৃষ্ণা ইলা (Dr Krishna Ella) মার্চের শেষ দিকে বলেছিলেন যে কিছু উপাদানের উপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারীদের সরবরাহকে প্রভাবিত করেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কি এই কাঁচামালের একমাত্র সরবরাহকারী? কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে নির্দিষ্ট কিছু উপকরণ অন্যান্য দেশেও বিদ্যমান, তবে আমেরিকার এক্ষেত্রে বড় অবদান রয়েছে।

Published by:Swaralipi Dasgupta
First published:
0

লেটেস্ট খবর