শশীকলার সমর্থনে সংগৃহীত স্বাক্ষর খতিয়ে দেখবে রাজ্যপাল

তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার নিয়ে শশিকলা ও ও পন্নিরসেলভমের দড়ি টানাটানি চলছেই।

তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার নিয়ে শশিকলা ও ও পন্নিরসেলভমের দড়ি টানাটানি চলছেই।

  • Share this:

    #চেন্নাই: তামিলনাড়ুতে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার নিয়ে শশীকলা ও ও পন্নিরসেলভমের দড়ি টানাটানি চলছেই। মঙ্গলবার রাতে শশীকলার বিরুদ্ধে একের পর এক বোমা ফাটানোর পরই পনীরসেলভমকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় দল। মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তদফা দিলেও, মানুষ চাইলে তিনি তা ফিরিয়ে নেবেন বলেও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন পনীরসেলভম। অন্যদিকে একান্ত সাক্ষাৎকারে শশীকলার দাবি, দলের অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন নিয়েই মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন তিনি। অনেক জল্পনার পর অবশেষে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করলেন রাজ্যপাল বিদ্যাসাগর রাও ৷ বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গে আলাদা আলাদা ভাবে দেখা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রিত্বের জন্য দাবিদার দুই পক্ষ- শশীকলা ও পনীরসেলভেম ৷

    সূত্রের খবর, বেশিরভাগ বিধায়ক শশীকলাকে সর্মথন জানিয়েছেন ৷ তবে এবার স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর করে যারা শশীকলাকে সর্মথন জানিয়েছেন তাদের সই খতিয়ে দেখা হবে ৷ পনীরসেলভমের বিস্ফোরক মন্তব্যের পর শশীকলার উপর অভিযোগের আঙুল উঠেছে৷ বিধায়কদের নানাভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ৷ খালি পাতায় জোর করে বিধায়কদের দিয়ে স্বাক্ষর করিয়েছেন শশীকলা বলে জানিয়েছেন পনীরসেলভম ৷ এবং সেই কাগজের এখন অপব্যবহার করে মুখ্যমন্ত্রী হতে চাইছেন শশীকলা ৷ পনীরসেলভম জানিয়েছেন, বাধ্য হয়ে তিনি পদত্যাগ দিয়েছেন ৷

    রাজ্যপাল জানিয়েছেন বিধায়কদের প্রভাবিত করার যে অভিযোগ শশীকলার বিরুদ্ধে উঠেছে তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৷ এই অভিযোগের জেরে বিধায়কদের স্বাক্ষর খতিয়ে দেখবে AIADMK-র শীর্ষ আধিকারিক ও বিধানসভার অধ্যক্ষ ৷

    জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর জন্য যে বিধায়করা তাকে সমর্থন করছে তা প্রমান করার জন্য পনীরসেলভম পাঁচদিনের সময় চেয়েছেন ৷ অন্যদিকে, শশীকলা জানিয়েছেন ১৩৪জন বিধায়কের লিখিত সমর্থন রয়েছে তার পক্ষে ৷ এদের মধ্যে পাঁচজন পনীরসেলভমের দিকে চলে গিয়েছে ৷ অর্থাৎ এই মুহূর্তে ১২৯জন তার সমর্থনে রয়েছেন ৷

    রাজ্যপালের সঙ্গে শশীকলার বৈঠকে জানানো হয়েছে,  যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকে, তাহলে শশীকলাকে সরকার গড়ার আহ্বান জানানো হবে। তবে একটু সময় লাগবে কারণ পনীরসেলভমের আনা অভিযোগগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৷ তাই খতিয়ে দেখা হবে ৷

    First published: