অক্লান্ত চেষ্টার পরে অবশেষে বাবাকে আইসিইউ বিভাগে ভর্তি করাতে সক্ষম দৃষ্টিহীন তরুণ

চিকিৎসকের আশঙ্কা, শামিম আখতার নামে ওই ষাটোর্ধ্ব কোভিডে আক্রান্ত৷ কিন্তু দুঃস্থ পরিবারের পক্ষে আরটিপিসিআর পরীক্ষাও করানো সম্ভব হয়নি৷

চিকিৎসকের আশঙ্কা, শামিম আখতার নামে ওই ষাটোর্ধ্ব কোভিডে আক্রান্ত৷ কিন্তু দুঃস্থ পরিবারের পক্ষে আরটিপিসিআর পরীক্ষাও করানো সম্ভব হয়নি৷

  • Share this:

    বেঙ্গালুরু : পাঁচ দিন ধরে প্রৌঢ় বাবার জন্য হাসপাতালের আইসিইউ ওয়ার্ডে শয্যা খুঁজেছেন বেঙ্গালুরুর দৃষ্টিহীন তরুণ শাবাজ৷ তাঁর বাবার অক্সিজেনের মাত্রা ক্রমশ নামছে৷ চিকিৎসকের আশঙ্কা, শামিম আখতার নামে ওই ষাটোর্ধ্ব কোভিডে আক্রান্ত৷ কিন্তু দুঃস্থ পরিবারের পক্ষে আরটিপিসিআর পরীক্ষাও করানো সম্ভব হয়নি৷

    শারীরিক প্রতিকূলতা জয় করে বাবাকে নিয়ে গত কয়েক দিন হাসপাতালের দরজায় দরজায় ঘুরেছেন তিনি৷ কিন্তু সব জায়গা থেকেই তাঁকে ফিরে আসতে হয়েছে৷ শেষ অবধি রবিবার ইন্দিরানগরের এক হাসপাতালে বাবার জন্য আইসিইউ ওয়ার্ডে শয্যা পেয়েছেন তিনি৷

    অসুস্থ শামিম শাড়িতে এম্ব্রয়ডারির কাজ করেন৷ গত কয়েক দিন ধরেই তিনি জ্বর এবং সর্দিকাশিতে ভুগছেন৷ প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু হয়েছিল বাড়িতেই৷ শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবনাচিন্তা করেন তাঁর ছেলে শাবাজ৷ মধ্য কুড়ির এই তরুণ জানিয়েছেন গত কয়েক দিন ধরে তিনিই মাইসুরু রোডে তাঁদের এক চিলতে বাড়িতে অসুস্থ বাবা এবং অশক্ত মায়ের সেবাযত্ন করছিলেন৷ কিন্তু বাবার অক্সিজেন মাত্রা আশি শতাংশের নীচে নেমে যাওয়ায় তিনি হাসপাতালের শয্যা খুঁজতে শুরু করেন৷

    প্রথম দিকে প্রত্যাখ্যাত হলেও হাল ছাড়েননি শাবাজ৷ অবশেষে বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করার পরে কিছুটা নিশ্চিন্ত হতে পেরেছেন তিনি৷ এক কোভিড-স্বেচ্ছাসেবী জানিয়েছেন, বেশ কিছু সংস্থার কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন করা হয়েছিল৷ কিন্তু আশানুরূপ সাড়া মেলেনি৷

    তবে, শত প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও শাবাজের দৃষ্টিহীন চোখে আশার আলো এখনও নেভেনি৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: