দেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হল সদ্যজাতের

বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হল সদ্যজাতের

না ছিল ডাক্তার, না ছিল নার্স, ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল রোগীর পরিবারকে। উপায় ছিল না কোনও, তাই সেই গর্ভবতি নারী প্রসব যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে হাসপাতালের শৌচালয় শিশুটির জন্ম দেয়।

  • Share this:

#হায়দ্রাবাদ: করোনা আবহে এখন হাসপাতাল গুলির অবস্থা খুবই শোচনীয়। হাসপাতালে এবং নার্সিংহোমে সীমিত সংখ্যক ডাক্তার ও নার্স থাকায় বেড পেতে, সুচিকিৎসা পেতে অনেকটা দেরি হচ্ছে। হাসপাতাল গুলোর পক্ষেও সঠিক পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না সব ক্ষেত্রে। কিন্তু তাই বলে হাসপাতাল ম্যানেজমেন্টের গাফিলতির কারণে যদি কারোর প্রাণহানি ঘটে, তাহলে তা কখনই মেনে নেওয়া যায়না। সম্প্রতি সরকারি হাসপাতালের এমন একটি দুর্ঘটনা হতবাক করেছে সকলকে। না ছিল ডাক্তার, না ছিল নার্স, ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল রোগীর পরিবারকে। উপায় ছিল না কোনও, তাই সেই গর্ভবতি নারী প্রসব যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে হাসপাতালের শৌচালয় শিশুটির জন্ম দেয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল সদ্যজাতককে বাঁচানো যায়নি। ঘটনাটি ঘটে তেলেঙ্গনার সরকারি হাসপাতালে। ওই গর্ভবতী মহিলার নাম মনীষা। তিনি মালরেড্ডিপল্লি এলাকার বাসিন্দা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বুধবার দিন বেলা সাড়ে তিনটের সময় মনীষার প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয়। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে পৌঁছনর পর ওখানকার কর্মচারীদের তরফে মনীষার পরিবারের লোককে জানানো হয় যে এই মুহূর্তে ওখানে কোনও ডাক্তার নেই যিনি বাচ্চা ডেলিভারি করাতে পারবেন। কিন্তু তত ক্ষণে মনীষার প্রসব যন্ত্রণা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। তাই সে হাসপাতালের শৌচালয় গিয়ে শিশুটির জন্ম দেন। কোনও নার্স ও ডাক্তার সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। হাসপাতালে খবরটা ছড়িয়ে পড়ায় নার্সরা ছুটে যায় সেখানে এবং তৎক্ষণাৎ বাচ্চাটিকে ও মনীষাকে ইমার্জেন্সি রুমে নিয়ে যায়। শিশুটিকে অক্সিজেন দেওয়ার পরেও তাকে বাঁচানো অসম্ভব হয়। হাসপাতাল ম্যানেজমেন্টের গাফিলতির কারণে আজ মনীষাকে তাঁর বাচ্চা হারাতে হল। হয় তো এরকম অনেক রোগীকেই তার মাশুল দিতে হচ্ছে। মনীষা এবং তাঁর স্বামী খুবই ভেঙে পড়েছেন। স্থানীয় লোকজন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উপর রেগে গিয়ে হাসপাতালের সামনে জমায়েত করে। তাঁরা জানিয়েছেন যে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নেবে।

অন্য দিকে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ মল্লিকার্জুনের তরফে জানানো হয়েছে, ওই মুহূর্তে জেলা হাসপাতালে কিছু ডাক্তার ছুটিতে ছিলেন বলে পরে অন্য হাসপাতাল থেকে ডাক্তারদের ডাকা হয়েছিল।

Published by: Somosree Das
First published: December 28, 2020, 12:32 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर