দোকানের নাম কেন করাচি সুইটস? হুমকি শিবসেনা নেতার, ভাইরাল ভিডিও

দোকানের নাম কেন করাচি সুইটস? হুমকি শিবসেনা নেতার, ভাইরাল ভিডিও

করাচি সুইটসের মালিককে হুমকি দিচ্ছেন শিবসেনা নেতা নীতিন মধুকর৷ Photo-ANI

এর আগেও শিবসেনা নেতা নীতিন মধুকর বিতর্কে জড়িয়েছেন৷ গত ফেব্রুয়ারি মাসে শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত একজনকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে এই শিবসেনা নেতা এবং তাঁর অনুগামীর বিরুদ্ধে৷

  • Share this:

    #বান্দ্রা: দোকানের নাম করাচি সুইটস৷ ফলে তার সঙ্গে যোগ রয়েছে পাকিস্তানের৷ সেই কারণেই অবিলম্বে বদলে ফেলতে হবে নাম৷ এই দাবি নিয়েই বান্দ্রার একটি মিষ্টির দোকানে চড়াও হলেন শিবসেনার এক নেতা৷ দোকানদারকে রীতিমতো ঠান্ডা গলায় হুমকি দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন, ১৫ দিনের মধ্যে দোকানের নাম না বদলালে ফল ভুগতে হবে৷ শিবসেনা নেতা নীতিন মধুকরের হুমকির সেই ভিডিও-ই এখন ভাইরাল৷

    করাচি সুইটস নামে বান্দ্রার ওই মিষ্টির দোকানটি যথেষ্ট বড়৷ ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে, দোকানদার শিবসেনা নেতাকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন, যেহেতু তাঁর পূরপুরুষরা করাচি থেকে এ দেশে এসেছিলেন, তাই দোকানের নাম দেওয়া হয়েছে করাচি সুইটস৷ এর পিছনে অন্য কোনও কারণ নেই৷ কিন্তু কোনও যুক্তি শুনতে রাজি হননি শিবসেনা নেতা৷ তিনি সাফ জানিয়ে দেন, করাচি পাকিস্তানে৷ ফলে এই নাম নিয়ে তাঁদের আপত্তি রয়েছে৷ শুধুমাত্র দোকানের নাম বদলালেই হবে না, সরকারি নথিতেও তা বদলে ফেলতে হবে বলে নির্দেশ দেন ওই শিবসেনা নেতা৷ পূর্বপুরুষদের কারও নামে দোকানের নামকরণ করার জন্যও পরামর্শ দেন তিনি৷ দোকানদারকে তিনি মনে করিয়ে দেন, কয়েক দিন আগেও পাকিস্তানের হামলায় দেশের বেশ কয়েকজন সেনা জওয়ান শহিদ হয়েছেন৷

    তবে নাম বদলের জন্য বেশ কয়েকদিন সময় দিয়েছেন ওই শিবসেনা নেতা৷ তাঁকে বলতে শোনা যায়, 'করাচি আর পাকিস্তান সমর্থক৷ দোকানের নাম বদলে মরাঠিতে কিছু রাখুন৷' শুধু তাই নয়, সরকারি নথিতে নাম বদলের জন্য যা যা সাহায্য লাগবে তাও তিনি করে দেবেন বলে ওই ব্যবসায়ীকে আশ্বস্ত করেন শিবসেনা নেতা নীতিন মধুকর৷

    এই হুমকিতে কাজও হয়েছে৷ সংবাদসংস্থা এএনআই-এর খবর অনুযায়ী, দোকানের নাম কাগজ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে৷ যদিও শিবসেনা নেতার এই আচরণকে একেবারেই সমর্থন করেননি ট্যুইটার ব্যবহারকারীরা৷

    এর আগেও শিবসেনা নেতা নীতিন মধুকর বিতর্কে জড়িয়েছেন৷ গত ফেব্রুয়ারি মাসে শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত একজনকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে এই শিবসেনা নেতা এবং তাঁর অনুগামীর বিরুদ্ধে৷ এই ঘটনায় তাঁকে গ্রেফতারও করে পুলিশ৷ পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি৷ জুলাই মাসেও করোনায় মৃত একজনের দেহ তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে মু্ম্বইয়ের একটি হাসপাতালে গিয়ে গন্ডগোল করেন তিনি৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published:
    0