বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে মোদির ভাষণ নিয়ে ব্যঙ্গ, ক্ষমা চাইতে হল কংগ্রেস নেতাকে

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে মোদির ভাষণ নিয়ে ব্যঙ্গ, ক্ষমা চাইতে হল কংগ্রেস নেতাকে

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে দাবি করেন, একটা সময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য সত্যাগ্রহে অংশ নিয়ে তাঁকে জেলে যেতে হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে দাবি করেন, একটা সময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য সত্যাগ্রহে অংশ নিয়ে তাঁকে জেলে যেতে হয়েছিল।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি:

    তিনি এর আগেও বেশ কয়েকবার এমন অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন। প্রথমে না বুঝে-শুনে টুইট। তার পর সেই টুইটের জন্যই তাঁকে ক্ষমা চাইতে হয়েছে। এবারও তাই হল। তিনি আরও একবার টুইট নিয়েই সমস্যায় পড়লেন। কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শশী থারুর আরও একবার অস্বস্তি বাড়ালেন নিজেরই ছোট্ট ভুলে। এবারও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তৃতা নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়ে পড়লেন সমস্যায়। দুদিনের বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সফরের প্রথম দিন বাংলাদেশের জাতীয় দিবস উপলক্ষে বক্তব্য রাখেন নরেন্দ্র মোদি। সেই বক্তৃতা অনেকটা অংশ জুড়ে ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে দাবি করেন, একটা সময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য সত্যাগ্রহে অংশ নিয়ে তাঁকে জেলে যেতে হয়েছিল। এমনকী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তত্কালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকা নিয়েও প্রশংসা করেছিলেন তিনি।

    শশী থারুরের টুইট। শশী থারুরের টুইট।

    শশী থারুর হয়তো মোদির সেই বক্তৃতা শোনেননি। শুনলেও ইন্দিরা গান্ধীর প্রসঙ্গ তিনি কোনও কারণবশত শুনতে পারেননি। না হলে এত বড় ভুল করতে না। শশী থারুর এদিন মোদির বক্তৃতার সমালোচনা করে লেখেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকেও এদেশের ফেক নিউজ-এর স্বাদ পাইয়ে দিচ্ছেন। সবাই জানে বাংলাদেশকে কে স্বাধীন করেছিল! অর্থাত্, শশী থারুর বোঝাতে চেয়েছিলেন, নরেন্দ্র মোদি এদিন বক্তৃতায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে ইন্দিরা গান্ধীর নাম করেননি। কিন্তু বাস্তব ঠিক তার উল্টো। আর তার ফলে প্রথম টুইটের ১২ ঘণ্টার মধ্যেই দ্বিতীয় টুইট করে ক্ষমা চাইতে হল শশী থারুরকে। তিনি নিজের ভুল স্বীকার করে নিলেন। ঠিক যেমনটা অতীতেও তাঁকে বহুবার করতে হয়েছে।

    শশী থারুর তাঁর দ্বিতীয় টুইটে লিখলেন, ভুল করলে মেনে নিতে আমার কোনও সমস্যা নেই। গতকাল একটি টুইট করে লিখেছিলাম, সবাই জানে কে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে। দ্রুত খবর ও টুইট পড়তে গিয়ে কোথাও ভুল হয়েছিল। আমি জানতে পেরেছি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন তাঁর ভাষণে ইন্দিরা গান্ধীর প্রসঙ্গ রেখেছিলেন। ক্ষমা করবেন। তাঁর এই ক্ষমা চাওয়ার টুইট অবশ্য বিজপি সমর্থকরা ভাল চোখে নেননি। ফলে তাঁকে পাল্টা বিদ্রুপের মুখে পড়তে হয়।

    Published by:Suman Majumder
    First published:

    লেটেস্ট খবর