• Home
  • »
  • News
  • »
  • national
  • »
  • SEX WORKER 19 YEAR OLD SON IS DISTRIBUTING RATION TO SEX WORKERS IN DELHI PB

'অভাব সহ্য হচ্ছে না!' যৌনকর্মীর ১৯ বছরের ছেলে রেশন জোগাচ্ছেন যৌনপল্লীতে

photo source collected

পিপিই কিট পরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে যৌনকর্মীদের রেশন দিয়ে আসছেন কুণাল ও তাঁর বন্ধু। এই সময়ে এমন কাজ সত্যিই প্রশংসার।

  • Share this:

    #নয়া দিল্লি:  করোনার জন্য ফের ভয়াবহ অবস্থা দিল্লির। সেখানে লকডাউন চলছে। কারণ করোনাকে আটকাতে হলে মানুষকে ঘরে আটকে রাখতেই হবে। তবে ঘরে আটকে থাকলে পেট কিভাবে চলবে? বিশেষ করে সাধারণ দিন আনা দিন খাওয়া মানুষদের কথা ভাবতেই হবে। রেশন ব্যবস্থা অনেকের জন্য থাকলেও, দিল্লির যৌনকর্মীদের অবস্থা আরও খারাপ। করোনা কালে তাঁদেরকে ঘরের দরজা বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। কিন্তু তাঁদেরও সন্তান রয়েছে। রোজগার নেই দিনের পর দিন। কিভাবে সংসার চালাবেন এই চিন্তায় ছিলেন সকলেই। ত্রাতার ভূমিকায় দেখা দিলেন এক যৌনকর্মীরই ছেলে।

    দিল্লিরই এক যৌনকর্মীর ছেলে কুণাল। সবে মাত্র ১২ ক্লাস পাস করেছে সে। যৌনকর্মীদের অসহায় অবস্থা থেকে সে নিজেই ঠিক করে ফেলে কিছু একটা করতে হবে। প্রথমে তাঁর নিজের যা সঞ্চয় ছিল তাই দিয়েই, চাল, ডাল, তেল, নুন কিনে সে যৌনকর্মীদের বাড়িতে পৌঁছে দিতে থাকে। তাঁকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসে তাঁর এক বন্ধু। দু'জনে মিলে লোকের থেকে টাকা চেয়ে সাহায্য করতে শুরু করেন তারপর। এর পর তাঁরা একটি সেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে কথা বলেন। এবং ওই এনজিও তাঁদের সাহায্য করবে বলে। এবং সেই এনজিওর হাত ধরে কুণাল এখন ২০০ টি পরিবারের কাছে খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন। তাঁর পরিকল্পনা ৮০০০ পরিবারের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়া।

    কুণাল জানিয়েছেন, প্রথমে এই কাজে পুলিশ সম্মতি দিচ্ছিল না। কিন্তু তাঁদের কথা শুনে রাজি হয়ে যায় পুলিশ। কুণাল আরও জানায়, 'প্রতিদিন কিভাবে নিজের ছোট বাচ্চাদের নিয়ে অভাবের মধ্যে দিন কাটান যৌনকর্মীরা, তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা সম্ভব না। তার মধ্যে লকডাউন হওয়ায়, খাবার জুটছে না তাঁদের। তাই কুণাল নিজে থেকেই ভাবে কিছু একটা করতেই হবে। এই অভাব সহ্য হচ্ছে না আর। তাই এগিয়ে এলাম। এখন অনেক মানুষ সাহায্য করতে চাইছেন, করছেন।" কুণালের এই কাজের প্রশংসা অনেকেই করেছেন। পিপিই কিট পরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে যৌনকর্মীদের রেশন দিয়ে আসছেন কুণাল ও তাঁর বন্ধু। এই সময়ে এমন কাজ সত্যিই প্রশংসার।

    Published by:Piya Banerjee
    First published: